মুন্সিগঞ্জ | প্রেস রিলিজ
জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে ন্যায়বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। অভিযোগকারী হাসিনা আক্তার জানান, তাঁর পিতা মরহুম হাজী খলিলুর রহমান ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রীসহ ৯ পুত্র ও ৮ কন্যা রেখে যান। শরিয়ত মোতাবেক তাঁর স্ত্রী (অভিযোগকারীর মা) পৈতৃক সম্পত্তির ২ আনা অংশের বৈধ মালিক হন।
অভিযোগে বলা হয়, হাসিনা আক্তারের বোন হামিদা হানু ময়নার সঙ্গে উত্তর রামগোপালপুর নিবাসী কামরুল ইসলাম জাহাঙ্গীরের বিবাহ হয়। বিবাহের পূর্বে অভিযোগকারীর মা জামাতাকে ৩ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করেন।
পরবর্তীতে ২০১৩ সালে প্রতিপক্ষগণ জালিয়াতির মাধ্যমে অভিযোগকারীর মায়ের ২ আনা অংশ হেবা দলিলের নামে আত্মসাৎ করে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়। এছাড়াও ২০২০ সালে মরহুম হাজী খলিলুর রহমানের রেখে যাওয়া মোট ৩৮৫ শতাংশ সম্পত্তি থেকে ৩৬৫ শতাংশ ভূমি মৌখিক দান ও মিথ্যা দাবির মাধ্যমে দখল করার চেষ্টা ও আত্মসাৎ করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, এই অবৈধ কার্যকলাপের কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তারা অবিলম্বে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত, জালিয়াতির মাধ্যমে করা হেবা ও দখল প্রক্রিয়া বাতিল এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
হাসিনা আক্তার বলেন, “আমরা আমার মা, ভাই ও বোনেরা সবাই আমাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
ভুক্তভোগী পরিবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
সম্পাদক - আশরাফ ইকবাল, নির্বাহী সম্পাদক - বর্ষন মোহাম্মদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা