
একটি পাখি
খুব সকালে গাছের ডালে
একটি পাখি গান গায়,
কি আভরণ! গানের মাঝে
একই তালে ঘুম ভাঙায়।
তার কাছে চাওয়া পাওয়া
অনেক ছিল বাকি,
মনের মাঝে হারিয়ে যাওয়া
সেও দিল ফাঁকি।
মনের মাঝে অনেক দু:খ
তাকে নিয়ে হল,
সেই পাখিটি পাব কোথায়
আমায় শুধু বল।
এ জীবনে কখনও কি
উঠবে সে আর ডাকি?
সে দুখটাকে ঘুচাতে তাই
তার ছবিটাই আঁকি।
আসল কবি নকল কবি
চেনা বড় দায়
দেশটাতো কবি দিয়ে
ভরে গেছে হায়।
সবুজ ভূমির দেশ
মাঠে মাঠে ফসল ভরা
দেখতে যেন মন কাড়া
সবুজ ভূমির দেশ।
নদ-নদী পানিতে ভরা
নীল আকাশে পাখি চড়া
দেখতে লাগে বেশ।
নিঝুম রাতে হাজার তারা
মিটি মিটি জ্বলতে পারা
আনন্দের নেই শেষ।
গাছে গাছে ফল হওয়া
ফুল থেকে ঘ্রাণ লওয়া
লাগছে আহা বেশ!
৪.
সোনার বাংলাদেশ
আগের মতো পাল তোলা নাও
কোথাও দেখা যায় না।
বর্ষা শেষে মজার শালুক,
সবাই খেতে পায় না।
পালকি দিয়ে বিয়ের কথা
এখন ভাবা যায় না।
ঘোড়ার গাড়ি আলু নিতো,
হাল বাইতো ময়না।
এভাবেতো পাটের বহর
নিয়ে যেতো গয়না।
যাত্রা-পালার গল্প শুনার
তরতো আর সয়না।
বায়স্কোপ ওই সাপের খেলা
এ জামানায় হয় না।
সিয়াকাহাইল ঢেকি দিয়ে
চাল-ডাল ভানে না।
রং বেরংয়ের মাটির হাঁড়ি,
কাসা আর তাতের শাড়ি,
এসব কিছু শেষ ।
আমার সোনার বাংলাদেশ।
৫.
ব্যথা
মনের ব্যথা মনে থাকুক
তুমি থেকো সুখে
ওকে এখন বুকে রেখো
আমায় রেখে দুখে।
একদিন তো তুমি আমার
প্রেমেই ছিলে বোকা
তখন তো ঠিক বলেছিলে
দিবেনা তো ধোকা।
রঙচঙা সব নয়
মনের খবর রাখো
কেনো সেদিন ভালোবেসেে
এখন বলো ভাগো।
বন্ধুত্ব
আহা বেশ বেশ বেশ
এতো রাতে ঘুমটা আমার
করে দিলি শেষ।
বন্ধু হলে ঝগড়া কিসে
হাসির কতো রেশ
সবটাই কি শেষ?
জমতো আবার তোরই সাথে
আড্ডাটা জম্পেশ
সবটাই কি শেষ?
ক্ষমা চাইলে এখন কেন
মুখ ফিরিয়ে নেস
সবটাইকি শেষ?
আহা বেশ বেশ বেশ
এতো দিনের শান্তি আমার
করলি কেন শেষ!!!
৭.
ছড়াকার
ছড়া লেখলে ছড়াকার
কবিতা লেখলে কবি,
পড়াশুনা না করলে তুই
কেমনে লেখক হবি!
যেতে হবে আড্ডাতে
পড়তে হবে বই,
রাখতে হবে অনেক কিছু
সংগ্রহাগার কই!
৮.
হবি
সাদা সাদা কাশফুল
সৌন্দর্যে নির্ভুল
ঘ্রাণ নেই বাস নেই
তবুও তো ফুল।
শরতে তোমার সাথে
কারোর নাই তুল
তোমায় নিয়ে লিখে
করি নিকো ভুল।
তুমি শুধু শরতের
আনন্দেরই মূল
দেখে চোখ জুড়ানো
নেই আর ফুল।
তোমায় নিয়ে লিখে
গল্পকার ও কবি
আবার শরত চাই
এটাই আমার হবি।
সম্পাদক - আশরাফ ইকবাল, নির্বাহী সম্পাদক - বর্ষন মোহাম্মদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা