প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬, ৩:৫০ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ৮:৪১ পি.এম
বিএনপি নেতা মনিরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

বিএনপি নেতা মনিরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
মুরসালিন রহমান
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ধর্মীয় লেবাসকে কাজে লাগিয়ে অনৈতিক কার্যক্রম ও এলাকায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে মাওলানা মনির হোসেনের বিরুদ্ধে।
সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের দানিয়াপাড়া গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে মাওলানা মনির হোসেন। ধর্মীয় পরিচয় ও লেবাসকে পুঁজি করে তিনি এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অন্যায় কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকেন এবং প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় নিজের প্রভাব ধরে রাখতে মনির বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দিয়ে হয়রানি করেন। এতে ভয়ে অনেকেই তার বিরুদ্ধে কথা বলতে চান না।
মাওলানা মনির হোসেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রোকন সদস্য ছিলেন। তবে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অন্যায় ও জুলুমের অভিযোগসহ সাংগঠনিক নিয়মকানুন না মানার কারণে তাকে দলীয়ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে বেপরোয়া হয়ে গেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান, গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিরাজদিখান উপজেলা মোড় থেকে একটি বাসে ওঠেন তিনি। কিছুক্ষণ পর মাওলানা মনির হোসেনও একই বাসে ওঠেন এবং তার পাশের সিটে বসেন।
বাসটি কিছুদূর যাওয়ার পর থেকেই মনির হোসেন বিভিন্নভাবে তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্ত হওয়ার জন্য বলেন। পুরো পথজুড়ে তিনি বিভিন্ন অপ্রাসঙ্গিক ও কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা বলতে থাকেন ।
তিনি আরও জানান, তার গন্তব্যে পৌঁছানোর পর বাস থেকে নামলে মাওলানা মনির হোসেনও তার সঙ্গে সঙ্গে বাস থেকে নামেন। পরে তাকে একটি রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। তিনি এতে রাজি না হলে মনির তাকে তার বোরকার দোকানে যাওয়ার প্রস্তাব দেন এবং সেখানে তাকে বোরকা উপহার দেওয়ার কথা বলেন।
ওই নারী পরিস্থিতি অস্বস্তিকর মনে হওয়ায় তিনি মনির হোসেনকে তার পিছু নেওয়া বন্ধ না করলে আশপাশের লোকজনকে ডেকে জড়ো করার কথা জানান। এরপর তিনি সেখান থেকে চলে যান।
এ বিষয়ে মাওলানা মনির হোসেন বলেন, ঘটনাটি সঠিক নয়। মেয়েটি আমার গ্রামের এবং আমার নির্বাচনি এলাকার। আমার নির্বাচনি এলাকার একজন হিসেবে আমি তার বাসভাড়া দিয়ে দিই। পাশাপাশি তাকে কিছু খাবারও কিনে দিই।
সম্পাদক - আশরাফ ইকবাল, নির্বাহী সম্পাদক - বর্ষন মোহাম্মদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা