শ্রীনগরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাইভেট হসপিটালের এজেন্টদের দৌরাত্ম্য
শ্রীনগরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা। চিকিৎসা সেবা দেওয়ার পরিবর্তে নানা হাসপাতালে নিয়োজিত এজেন্টদের দৌরাত্ম্যে পরিবেশ অস্বস্তিকর হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
হসপিটালে আশা রোগীরা সঠিক সেবা পাওয়ায় দিন দিন অসংখ্য রোগী এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসেন। আবার বিরক্ত বোধ ও করেন
কারন হাসপাতালের গেট থেকে শুরু করে ওয়ার্ডের ভেতর পর্যন্ত কিছু তথাকথিত দালাল বা এজেন্ট ভিজিটিং কার্ড ও উন্নত সেবার নাম করে স্টিকার বানিয়ে হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। সেখানে থাকা রোগীদের নানা বাহানায় রোগীদের প্রাইভেট ক্লিনিক,ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা বিশেষ চিকিৎসকের কাছে পাঠাতে উৎসাহিত করে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা জায় বিভিন্ন হসপিটালের নারী ও পুরুষ এজেন্টরা রোগিদের বিভিন্ন ভাবে প্রাইভেট হসপিটালে নেয়ার চেস্টা করছেন ওয়ার্ডের ও একই চিত্র।
সেবা নিতে আসা রোগীদের অনেকে অভিযোগ করেন, সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর আস্থা হারিয়ে তারা বাধ্য হচ্ছেন বেশি খরচে প্রাইভেট সেবায় যেতে।এক রোগীর স্বজন বলেন, “ডাক্তার ঠিকভাবে কিছু বোঝার আগেই একজন এসে বলেন, বাইরে ভালো আলট্রাসনো করান,সরকারি হাসপাতালে মেশিন তেমন ভালো না রিপোর্ট অনেক সময় অস্পষ্ট আসে, তাড়াতাড়ি রিপোর্ট পাবেন। আমরাও ভেবে উঠতে পারিনি তখন।
১৭জুন মঙ্গলবার বেলা ১১টার সময় গাইনি বিভাগ থেকে এক রোগী বের হয়ে আসার সময় প্রাইভেট হাসপাতালের এজেন্ট জোরপূর্বক তার প্রেসক্রিপশন দেখতে চায়।রোগী বলেন, আমার ব্যক্তিগত সমস্যা আছে আমি আপনাকে কাগজ দেখাবো কেন।হরহামেশাই ঘটছে এমন ঘটনা।
হাসপাতালের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা চেষ্টা করি এদের ঠেকাতে,একদিকে ঔষুধ কোম্পানির লোক অন্যদিকে হাসপাতালের এজেন্ট।এদের ঠেকাতে হাসপাতালে সিকিউরিটির প্রয়োজন।বিভিন্ন পরিচয়ে এখানে প্রবেশ করে। কিছু ক্ষেত্রে লোকবল স্বল্পতার কারণে প্রতিরোধ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন,হাসপাতালে এদের কারনে আমিও ভোগান্তির শিকার।এজেন্টদের দৌরাত্ম্য বন্ধে নিরাপত্তা জোরদার সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক - আশরাফ ইকবাল, নির্বাহী সম্পাদক - বর্ষন মোহাম্মদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা