সৈয়দ মেহেদি হাসান :
সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের পূর্ব রাজদিয়া গ্রাম। এই গ্রামেই শত বছরের বেশি সময় ধরে বোনা হয় শীতল পাটি।
আজ শীতল পাটি বিশ্বনন্দিত। কিন্তু শত বছর ধরে এই গ্রামে শীতল পাটি তৈরি হলেও নেই কোনো স্বীকৃতি। এমনকি অন্য সব জায়গার মতো এখানকার পাটিকরদের ভাগ্যের উন্নয়নও হয়নি তেমন একটা। তবে দরিদ্রতা যাতে গ্রাস করতে না পারে সে জন্য প্রতিনিয়ত এই গ্রামের পাটিকরদের চলছে সংগ্রাম।
সারা বছর যেমন-তেমন গেলেও গরমকে ঘিরে এই গ্রামের শীতল পাটির বেশ ভালো কদরই থাকে। যদিও কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি আর পুঁজির অভাবে অনেকেই সরে গেছেন পাটি তৈরির কাজ থেকে।
গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে গ্রামের ১০টির মতো পরিবারের নারীরা সবাই মিলে পাটি বোনার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঘরের বারান্দা আর উঠোন জুড়ে বিরামহীন ভাবে পার্টির সুনিপুণ নির্মাণ কাজ চলছে। তারপরও যেন খুঁজে পাওয়া যায় না পুরনো দিনের গল্পের সেই জৌলুস।
পূর্ব রাজদিয়া গ্রামের কুটির শিল্পের কারিগর অর্চনা দে বলেন একটি শীতল পাটি বুনতে ৩-৫ দিন সময় লাগে। চেষ্টা করি ঘরের কাজকর্ম সারার পর এই পাটি বুনার, কিন্তু বর্তমান সময়ে সকল কিছুর দাম বাড়লেও বাড়েনি এই শীতল পাটির দাম। যদি সরকারি ভাবে আমরা কোনো অনুদান পাই তাহলে আমরা উপকৃত হব এবং স্বচ্ছলভাবে জীবন যাপন করতে পারবো।
সম্পাদক - আশরাফ ইকবাল, নির্বাহী সম্পাদক - বর্ষন মোহাম্মদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা