আসাদউজ্জামান:
লৌহজং উপজেলার বৌলতলী ইউনিয়নে মাদ্রাসায় পড়ুয়া ১২ বছরের ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
বুধবার (২১ই মে) আনুমানিক সকাল ৯ ঘটিকায় লৌহজং থানাধীন বৌলতলী ইউনিয়নের পয়সা কারামতিয়া আলিম মাদ্রাসায় যাওয়ার সময় রাস্তা থেকে একটি প্রাইভেট কারে করে আসা আনুমানিক ৫-৬ জন লোক ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে চোখ ও হাত বেধে অপহরণের চেষ্টা চালায়।শিক্ষার্থীর চিৎকার চেঁচামেচিতে ঘাস কাটাতে আশা এক (কৃষক) ব্যক্তি ছুটে আসেন অপহরণকারীরা দ্রুত প্রাইভেট কারে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ঘাস কাটতে আসা ব্যক্তি শিক্ষার্থীর চোখ ও হাতের বাঁধন খুলে দেয় আর বাবার নাম জিজ্ঞেস করেন। নাম বললে তিনি কিছু পথ এগিয়ে দিয়ে বলেন এবার চলে যাও আমার কাজ আছে।
জানাযায়, লৌহজং উপজেলার বৌলতলী ইউনিয়নের মাইজগাও ৪নং ওয়ার্ড মৃত মো. শাহ আলম তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। দুই ভাই বোনের পর শায়লা আক্তার সুরাইয়া (১২) পয়সা কারামতিয়া আলিম মাদ্রাসায় (এবতেদায়ী) পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী, সকালে ৯টা মাদ্রাসায় যাওয়ার সময় প্রাইভেট কারে আসা একটি চক্র শায়লা আক্তার সুমাইয়াকে চোখ ও হাত বেঁধে মুখ চাপা দিয়ে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে। চিৎকার ও চেঁচামেচি শুনে জমিতে থাকা এক কৃষক তাকে উদ্ধার করে মুখের ও হাতের বাধন খুলে তাকে কিছু দূরে এগিয়ে দিয়ে যায় ও সে বলে আমার কাজ আছে তুমি বাসায় চলে যাও। কিন্তু কৃষকের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থী শায়লা আক্তার সুরাইয়া বলেন, আমি পয়সা কারামতিয়া আলিম মাদ্রাসায় ৫ম শ্রেণীতে পরি। সকাল ৯ টায় যাওয়ার সময় গাড়ি না পাওয়ায় আমার দেরী হয়ে যায়। আমি দেখতে পাইনি এসেই চোখ বাঁধছে হাত বাঁধছে চিল্লাচিল্লি করছে দেখে মুখ ধরে রাখছে ও পা বাঁধছে গাড়িতে তোলার সময় আমার চেঁচামেচিতে এক জন তাদের উদ্দেশ্য করে গালমন্দ করে দাঁড়াতে বললে আমাকে ফেলে দিয়ে গাড়ি নিয়ে চলে যায়। ঐ লোকটায় আমাকে বাধন খুলে দেয় রশি ফেলে দিয়ে আমাকে এগিয়ে দিয়ে আমার বাবার নাম জিজ্ঞেস করে আমি বলি শাহ্ আলম হাওলাদার শুনে বলে আচ্ছা তুমি এখন চলে যাও আমি এখন ঘাস কাটতে যাব। আমি মাদ্রাসায় যাওয়ার পর শিক্ষকদের জানানো হলে তারা শায়লা আক্তার সুমাইয়া বাসায় ফোন দিয়ে বিষয়টি অবগত করুন। পরিবারের লোকজন দ্রুত মাদ্রাসা আসেন।
পয়সা কারামতিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আমিমূল এহসান বলেন, ঘটনা জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করি তিনি লৌহজং থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলেন। এ বিষয়ে লৌহজং থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
লৌহজং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওসমান গনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সম্পাদক - আশরাফ ইকবাল, নির্বাহী সম্পাদক - বর্ষন মোহাম্মদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা