
মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন পয়ন্টে নিরাপত্তার দ্বায়িত্বে রয়েছে পুলিশের ৫ শতাধিক সদস্য, পদ্মা সেতুতে ৪৮ ঘন্টায় টোল আদায় ৯ কোটি টাকা
আবু নাসের খান লিমন ।।
ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে গ্রামে ফিরছে দক্ষিণ বঙ্গের লাক্ষাধিক মানুষ। এতে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে যানবাহনের চাপ বাড়লেও যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। টানা সাত দিনের লম্বা ছুটির তৃতীয় দিনেও তেমন যানযট নেই। তবে গাড়িভাড়া বেশি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী ও মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম (পিপিএম) পদ্মা সেতু টোল প্লাজা এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল থেকে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজা ও এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের কিছুটা বাড়তি চাপ থাকলেও কোনো ধরনের যানজট ছাড়াই দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার যাত্রীরা স্বস্তিতে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন। গত ৪৮ ঘণ্টায় সেতুর উভয় প্রান্ত দিয়ে ৮০ হাজার ৪০২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে প্রায় ৯ কোটি টাকা টোল আদায় হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন শেখ।
সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন শেখ বলেন, এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের চাপ থাকলেও তেমন যানজট সৃষ্টি হয়নি। বড় যানবাহনের জন্য ৭টি এবং মোটরসাইকেলের জন্য ৩টি পৃথক টোল কাউন্টার চালু থাকায় দ্রুততম সময়ে টোল আদায় সম্পন্ন হচ্ছে। এছাড়াও পুরো সেতু এলাকা ১৮১টি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে, যার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম (পিপিএম) বলেন, পুলিশের ৫ শতাধিক সদস্য ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে।
যাত্রী হয়রানি রোধে এবং মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি থাকায় এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি। নির্বিঘ্নে ঈদ যাত্রা সম্পন্ন করতে পেরে সাধারণ যাত্রীরাও খুশিতে মহাসড়ক পার হয়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।
সম্পাদক - আশরাফ ইকবাল, নির্বাহী সম্পাদক - বর্ষন মোহাম্মদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা