রমজান মাহমুদ:
তালের রস হল হল গ্রীষ্মকালে তাল গাছের ফল থেকে আহরিত এক প্রকার মিষ্টি জাতীয় রস। এ রসে ভিটামিন এ, বি, সি এবং জিংক, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও আয়রন জাতীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এছাড়াও এতে রয়েছে উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। গরমের সময় এটি বাংলার একটি জনপ্রিয় এবং সুপরিচিত খাবার। এই তালের রস ব্যবহার করে অনেক জনপ্রিয় বাঙালি খাবার তৈরি করা হয় যেমন তালের মিছরি, পিঠা, পায়েস, খির এবং তালের বড়া। তবে পুরুষ তাল গাছ হতে নারী তালগাছে বেশি রস পাওয়া যায়। তাই গাছিদের রস আহরণে নারী গাছের প্রতি ঝোঁক থাকে বেশি। বিক্রমপুর অঞ্চলে খুব বেশি তাল গাছ দেখা যায় না। তবে কিছু কিছু স্থানে তালগাছ দেখা গেলেও রস আহরণ না করে সেখান থেকে তাল ফল আহরিত হয়। তালের শাস ও পাকা তাল হতে তৈরি পিঠা খুব সুস্বাদু।
এক সময় তালের রস সম্পর্কে নেগেটিভ ধারণা ছিল। এটি নাকি নেশা হয়। বিশেষ করে বিভিন্ন সিনেমার দৃশ্যে তালের রস খেয়ে মাতলামোর দৃশ্য চোখে পরতো। তাই কখনো তালের রস খাওয়ার ইচ্ছে জাগেনি। ইউসুফ স্যার তালগাছ হতে টাটকা রস খাইয়ে এর সম্পর্কে নেগেটিভ ধারণা পাল্টে দিলেন। এখন থেকে এ রস খাবো আয়েশ করে যেমনটি খেজুর রসের সময় উপভোগ করি।
খারশুর এলাকার এ স্থানটিতে টাটকা তালের রস বিক্রি হয় যা খুব সুস্বাদু। তবে তালের রস বেশি সময় থাকলে তা তাড়িতে পরিণত হয়। কেউ টাটকা তালের রস খেতে চাইলে ঢাকা-নবাবগঞ্জ রাস্তার পাশে খারশুর এলাকায় যেতে পারেন। এখানে লিটার প্রতি ১২০ টাকা ধরে রস বিক্রি হচ্ছে।
সম্পাদক - আশরাফ ইকবাল, নির্বাহী সম্পাদক - বর্ষন মোহাম্মদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা