মিলন হাওলাদার :
একজন অসহায় রোগীর জন্য রক্ত দিতে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান সিরাজদিখান যুব ব্লাড ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবীরা। রক্ত দেওয়ার প্রক্রিয়ায় হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক থেকে বাইরে থেকে প্রয়োজনীয় রক্তের সেট সংগ্রহের কথা জানানো হলে সংগঠনের এক স্বেচ্ছাসেবক সেট কিনতে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে যান।অভিযোগ রয়েছে, বিক্রমপুর মেডিসিন কর্ণার নামের একটি ফার্মেসিতে রক্তের সেটের দাম ৪৫০ টাকা দাবি করা হয়। পরে একই ধরনের সেট অন্য একটি ফার্মেসি থেকে ২৩০ টাকা দিয়ে কেনা হয় বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে একই পণ্যের দামে বড় ধরনের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।রোগীর স্বজন নওশিন তালুকদার বলেন, “মানুষ যখন অসহায় অবস্থায় রোগী নিয়ে হাসপাতালে আসে, তখন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম এভাবে বেশি দাবি করা হলে সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়ে। আমি যদি অন্য দোকানে কম দামে সেটটি না পেতাম, তাহলে হয়তো ৪৫০ টাকা দিয়েই কিনতে হতো।সংশ্লিষ্টদের দাবি, বাজারে যেখানে একই ধরনের রক্তের সেট তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ৪৫০ টাকা দাবি করার বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে হাসপাতালকেন্দ্রিক জরুরি মুহূর্তে রোগী ও স্বজনদের কাছ থেকে কোনো পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।তবে বিক্রমপুর মেডিসিন কর্ণারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।ঘটনাটি নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরদারি এবং একই পণ্যের বাজারমূল্য যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন রোগীর স্বজন ও স্বেচ্ছাসেবীরা।
সম্পাদক - আশরাফ ইকবাল, নির্বাহী সম্পাদক - বর্ষন মোহাম্মদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা