1. tayranabir2@gmail.com : Tayran Abir : Tayran Abir
  2. admin@munshiganjerbarta.com : admin :
  3. sayedhasanafran@gmail.com : Sayed Afran : Sayed Afran
  4. hmalamimkhan@gmail.com : al amin : al amin
  5. mdaniksheikh95@gmail.com : Anik Sheikh : Anik Sheikh
  6. asifbadhon43@gmail.com : Asif Badhan : Asif Badhan
  7. jharnacomputercenter@gmail.com : Barshan Mohammod : Barshan Mohammod
  8. muhammadsibgatullah360@gmail.com : muhammad sibgatullah : muhammad sibgatullah
  9. fjony7699@gmail.com : Forhat Jony : Forhat Jony
  10. lemonrep@gmail.com : Naser Lemon : Naser Lemon
  11. sheikhforidpolok4@gmail.com : Sheikh Polok : Sheikh Polok
  12. rhraju88994@gmail.com : Muhammad Raju : Muhammad Raju
  13. mdsejankhan12345@gmail.com : Md Sejan Khan : Md Sejan Khan
মুন্সিগঞ্জ সদরে সূফী দরবেশগনের ইসলামের দাওয়াত প্রদানের অজানা অধ্যায় - দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজদিখানে ভূয়া সনদ দিয়ে  গণশিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা করছেন মসজিদের ইমাম মোঃ হারুনুর রশিদ ‎ আগামী বুধবার  মুন্সীগঞ্জে আসছেন বিশিষ্ট ইসলামি বক্তা মোস্তাক ফয়েজী শ্রীনগরে র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি, চাকরিচ্যুত ২ সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ৭ টংগীবাড়ীতে চেতনা নাশক খাবার খাইয়ে মিশুক ছিনতাইয়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ শ্রীনগরে ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শ্রীনগরে সিরাত পাঠ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সাহিত্যবার্তা: বৈচিত্র্যের এক অনন্য মিলনক্ষেত্র শ্রীনগরে নাতিকে আছাড় দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল হওয়া দাদী গ্রেপ্তার মুন্সিগঞ্জে নির্বাচনি দায়িত্বে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন মুন্সিগঞ্জে পুলিশের ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

মুন্সিগঞ্জ সদরে সূফী দরবেশগনের ইসলামের দাওয়াত প্রদানের অজানা অধ্যায়

দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫
  • ২৬০ বার পঠিত

বর্ষন মোহাম্মদ :
ইসলামের প্রথম যুগে বঙ্গের রাজধানী বিক্রমপুরের বেশ কয়েকজন সূফী দরবেশ ইসলামের দাওয়াত নিয়ে আসেন। সদর উপজেলার মহাকালী ইউনিয়নের বড় কেওয়ার সাতানিখিল গ্রামে একটি শিলালিপি পাওয়া গেছে। তা থেকে প্রমাণ মিলে প্রাচীন বিক্রমপুর তথা বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলায় হিজরী ৪২১ সনে ৯৭৮ খ্রি: সুদূর আরব দেশ থেকে পবিত্র ইসলাম ধর্ম প্রচার করার জন্য মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর আনসার ও মুজাহিদ হিসেবে আওলিয়াগণ বাংলাদেশের এই স্থানে আগমন করেন। আগে এই স্থানটি কালীদাস সাগর ছিল। পরবর্তীতে জঙ্গলাপূর্ণ পতিত ভূমিতে পরিণত হলে ১২ জন আউলিয়া এই স্থানটিকে দ্বীন ইসলাম প্রচারের কেন্দ্র হিসাবে ইমারত, দীঘি ও এবাদতখানা প্রতিষ্ঠিত করেন এবং এখানে তারা ওফাৎ গ্রহণ করেন। ১৯৭৪ সালে কেওয়ার গ্রামের তেতুলতলা নামক মাজারের সংস্কার কাজ চলছিল। ভগ্ন একটি মাজার হাতে এক খন্ড পাথরের আরবী ও ফার্সী ভাষার লিখিত ১২ সূফী দরবেশ বা ইসলাম ধর্ম প্রচারকের নাম পাওয়া যায়। কলেমা তায়্যিবা খচিত ও ৪২১ হিজরী শিলালিপিতে স্পষ্টক্ষরে লেখা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে ১২ জন অলি বা দরবেশের নাম পাথরটিতে উল্লেখ রয়েছে। তৎকালীন শ্রীনাথ গুপ্তের রাজত্বকালে এ অলিরা এখানে এসে ইসলাম প্রচার করেন। অর্থাৎ মুন্সীগঞ্জের কেওয়ার তেতুলতলা গ্রামে এসে তাঁরা বসতী স্থাপন করেন। মাজারের শিলালিপিতে আরো উল্লেখ রয়েছে, আরবের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ইসলাম প্রচারে মুন্সীগঞ্জের কেওয়ার প্রামে এসে তারা বসতী স্থাপন করেন। মাজারের শিলালিপি অনুসারে ১২ জন অলির নাম এইরূপ : শাহ সুলতান হোসাইনী (রহঃ) মদিনাবাসী, সুলতান সাব্বির হোসাইন (রহঃ), কবীর হাসিমি (রহঃ), আল হাসান (রহঃ), শেখ হোসাইন (রহঃ), আবুল হাসেম হোসাইনী (রহঃ), হাফেজ আবু বক্কর সিদ্দিক (রহঃ), হযরত ইয়াছিন (রহঃ), ওবায়েদ ইবনে মুসলিম আসাদী (রহঃ), আব্দুল হালিম (রহঃ), শাহদাৎ হোসাইনী (রহঃ) এবং আবুল কাহার আল বাগদাদী (রহঃ)। এরা মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরে স্বরস্বতী, কেওয়ার, মহাকালী, বজ্রযোগিনী, চম্পাতলা, রাজবাড়ী, শ্রীপুর, কার্তিকপুরে ইসলাম প্রচার করেন। কেওয়ার এলাকার পানির অভাব দূরীকরণে দীঘি খনন করেন। সেই দিঘী এখনো বিদ্যমান। ১৯৭৪ সাল থেকে কেওয়ারে তেতুলতলা মাজার বার আউলিয়ার মাজার হিসাবে মুন্সীগঞ্জ জেলায় পরিচিতি লাভ করেছে। কিভাবে যাওয়া যায়ঃ ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা মুন্সীগঞ্জ। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মহাকালী ইউনিয়নের কেওয়ার গ্রামে বার আউলিয়ার মাজারটি অবস্থিত। সড়কপথে ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জের দূরুত্ব মাত্র ২৩ কিলোমিটার। তবে এই মাজারে আসার জন্য আরো প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আসতে হবে। ঢাকা থেকে সকালে এসে মাজার জিয়ারত করে বিকেলেই ঢাকায় ফিরে আসা যাবে। সড়কপথ পিচঢালা। তবে নৌপথে গেলে সময়ও বাচঁবে এবং যানজট এড়িয়ে নদী পথের সৌন্দর্য গ্রহণ করে স্বাচ্ছন্দের সাথে পৌছানো যাবে। সদর ঘাট থেকে মুন্সীগঞ্জগামী লঞ্চে ২ ঘন্টার মধ্যেই পৌছে যাওয়া যাবে মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ ঘাটে। মুন্সীগঞ্জ শহরের লঞ্চঘাট থেকে থেকে কেওয়ার গ্রামে বার আউলিয়ার মাজারের রিক্সায় ভাড়া ৪৫-৫০ টাকা। গাড়ি নিয়েও যাওয়া যায়।
ইসলামের প্রথম যুগে বঙ্গের রাজধানী বিক্রমপুরের বেশ কয়েকজন সূফী দরবেশ ইসলামের দাওয়াত নিয়ে আসেন। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মহাকালী ইউনিয়নের বড় কেওয়ার সাতানিখিল গ্রামে একটি শিলালিপি পাওয়া গেছে। তা থেকে প্রমাণ মিলে প্রাচীন বিক্রমপুর তথা বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলায় হিজরী ৪২১ সনে ৯৭৮ খ্রি: সুদূর আরব দেশ থেকে পবিত্র ইসলাম ধর্ম প্রচার করার জন্য মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর আনসার ও মুজাহিদ হিসেবে আওলিয়াগণ বাংলাদেশের এই স্থানে আগমন করেন। আগে এই স্থানটি কালীদাস সাগর ছিল। পরবর্তীতে জঙ্গলাপূর্ণ পতিত ভূমিতে পরিণত হলে ১২ জন আউলিয়া এই স্থানটিকে দ্বীন ইসলাম প্রচারের কেন্দ্র হিসাবে ইমারত, দীঘি ও এবাদতখানা প্রতিষ্ঠিত করেন এবং এখানে তারা ওফাৎ গ্রহণ করেন। ১৯৭৪ সালে কেওয়ার গ্রামের তেতুলতলা নামক মাজারের সংস্কার কাজ চলছিল। ভগ্ন একটি মাজার হাতে এক খন্ড পাথরের আরবী ও ফার্সী ভাষার লিখিত ১২ সূফী দরবেশ বা ইসলাম ধর্ম প্রচারকের নাম পাওয়া যায়। কলেমা তায়্যিবা খচিত ও ৪২১ হিজরী শিলালিপিতে স্পষ্টক্ষরে লেখা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে ১২ জন অলি বা দরবেশের নাম পাথরটিতে উল্লেখ রয়েছে। তৎকালীন শ্রীনাথ গুপ্তের রাজত্বকালে এ অলিরা এখানে এসে ইসলাম প্রচার করেন। অর্থাৎ মুন্সীগঞ্জের কেওয়ার তেতুলতলা গ্রামে এসে তাঁরা বসতী স্থাপন করেন। মাজারের শিলালিপিতে আরো উল্লেখ রয়েছে, আরবের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ইসলাম প্রচারে মুন্সীগঞ্জের কেওয়ার প্রামে এসে তারা বসতী স্থাপন করেন। মাজারের শিলালিপি অনুসারে ১২ জন অলির নাম এইরূপ : শাহ সুলতান হোসাইনী (রহঃ) মদিনাবাসী, সুলতান সাব্বির হোসাইন (রহঃ), কবীর হাসিমি (রহঃ), আল হাসান (রহঃ), শেখ হোসাইন (রহঃ), আবুল হাসেম হোসাইনী (রহঃ), হাফেজ আবু বক্কর সিদ্দিক (রহঃ), হযরত ইয়াছিন (রহঃ), ওবায়েদ ইবনে মুসলিম আসাদী (রহঃ), আব্দুল হালিম (রহঃ), শাহদাৎ হোসাইনী (রহঃ) এবং আবুল কাহার আল বাগদাদী (রহঃ)। এরা মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরে স্বরস্বতী, কেওয়ার, মহাকালী, বজ্রযোগিনী, চম্পাতলা, রাজবাড়ী, শ্রীপুর, কার্তিকপুরে ইসলাম প্রচার করেন। কেওয়ার এলাকার পানির অভাব দূরীকরণে দীঘি খনন করেন। সেই দিঘী এখনো বিদ্যমান। ১৯৭৪ সাল থেকে কেওয়ারে তেতুলতলা মাজার বার আউলিয়ার মাজার হিসাবে মুন্সীগঞ্জ জেলায় পরিচিতি লাভ করেছে। কিভাবে যাওয়া যায়ঃ ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা মুন্সীগঞ্জ। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মহাকালী ইউনিয়নের কেওয়ার গ্রামে বার আউলিয়ার মাজারটি অবস্থিত। সড়কপথে ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জের দূরুত্ব মাত্র ২৩ কিলোমিটার। তবে এই মাজারে আসার জন্য আরো প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আসতে হবে। ঢাকা থেকে সকালে এসে মাজার জিয়ারত করে বিকেলেই ঢাকায় ফিরে আসা যাবে। সড়কপথ পিচঢালা। তবে নৌপথে গেলে সময়ও বাচঁবে এবং যানজট এড়িয়ে নদী পথের সৌন্দর্য গ্রহণ করে স্বাচ্ছন্দের সাথে পৌছানো যাবে। সদর ঘাট থেকে মুন্সীগঞ্জগামী লঞ্চে ২ ঘন্টার মধ্যেই পৌছে যাওয়া যাবে মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ ঘাটে। মুন্সীগঞ্জ শহরের লঞ্চঘাট থেকে থেকে কেওয়ার গ্রামে বার আউলিয়ার মাজারের রিক্সায় ভাড়া ৪৫-৫০ টাকা। গাড়ি নিয়েও যাওয়া যায়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর