সাইদ হাসান আফরান
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নয়—সঠিক যত্ন, পরিচর্যা ও সুযোগ-সুবিধা পেলে তারা সক্ষমভাবে সমাজ, পরিবার ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মানবিক সহায়তা, সুদৃষ্টি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি অনুসরণ করলে তারাও অন্য সবার মতো স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার ও অবদান রাখার অধিকার রাখে। এ উপলব্ধি থেকেই জাতিসংঘ ১৯৯২ সালে প্রতিবছর ৩ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে, যা বিশ্বের পাশাপাশি বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে।
এ বছরও সারাবিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশে ব্যাপক উৎসাহ ও অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয় ৩৪তম আন্তর্জাতিক ও ২৭তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল—
“প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ি, সামাজিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করি।”
দিবসটি উপলক্ষে আমডা বাংলাদেশ এবং ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ডিএসএসবি) যৌথভাবে ঢাকার বনশ্রী ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় আমডা বাংলাদেশ কমপ্লেক্সে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
অনুষ্ঠানে আমডা বাংলাদেশ ও ডিএসএসবি’র কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিবর্গ এবং তাদের পরিবার উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, সমাজের ইতিবাচক মনোভাব, মানবিক রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি হলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও জাতীয় অগ্রগতির অংশীদার হতে পারে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসাহ, আনন্দ ও সচেতনতা ছড়িয়ে দেয় এবং সমাজে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় নতুন অঙ্গীকারের বার্তা পৌঁছে দেয়।