
সাইদ হাসান আফরান
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ভাঙারি ব্যবসায়ীর কর্মচারীকে মারধর করে নগদ এক লাখ টাকা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সবুজ মিয়াকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে গজারিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো. নাজমুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গজারিয়ার জামালদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নাজমুল ইসলামের ‘মায়ের দোয়া’ নামে একটি ভাঙারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ড্রেজারের বিভিন্ন মালামাল কেনার জন্য সবুজ মিয়ার সঙ্গে তার এক লাখ ২০ হাজার টাকার চুক্তি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবসায়ী তার কর্মচারী মো. মমিনের মাধ্যমে নগদ এক লাখ টাকা ও একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পাঠান।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৩ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে সবুজ মিয়ার কথামতো মমিন গজারিয়ার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের তেতৈতলা এলাকায় আব্দুল মোনেম কোম্পানির সংলগ্ন বালুর মাঠে যান। সেখানে সবুজ মিয়া ও তার সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জন মমিনকে কোনো মালামাল না দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা নগদ এক লাখ টাকা, প্রায় ৬০ হাজার টাকা মূল্যের অটোরিকশা ও দেড় হাজার টাকা মূল্যের একটি বাটন মোবাইল ফোন নিয়ে তারা চলে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মমিনের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে খবর পেয়ে নাজমুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত মমিনকে উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
এ ঘটনায় অভিযোগকারী নাজমুল ইসলাম গজারিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।