1. tayranabir2@gmail.com : Tayran Abir : Tayran Abir
  2. admin@munshiganjerbarta.com : admin :
  3. sayedhasanafran@gmail.com : Sayed Afran : Sayed Afran
  4. hmalamimkhan@gmail.com : al amin : al amin
  5. mdaniksheikh95@gmail.com : Anik Sheikh : Anik Sheikh
  6. asifbadhon43@gmail.com : Asif Badhan : Asif Badhan
  7. jharnacomputercenter@gmail.com : Barshan Mohammod : Barshan Mohammod
  8. muhammadsibgatullah360@gmail.com : muhammad sibgatullah : muhammad sibgatullah
  9. fjony7699@gmail.com : Forhat Jony : Forhat Jony
  10. lemonrep@gmail.com : Naser Lemon : Naser Lemon
  11. sheikhforidpolok4@gmail.com : Sheikh Polok : Sheikh Polok
  12. rhraju88994@gmail.com : Muhammad Raju : Muhammad Raju
  13. mdsejankhan12345@gmail.com : Md Sejan Khan : Md Sejan Khan
গজারিয়ায় ৫৭ শিক্ষার্থীর স্কুলে উপস্থিত মাত্র ৩, শিক্ষক উপস্থিতও মাত্র ৩ - দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজদিখানে ভূয়া সনদ দিয়ে  গণশিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা করছেন মসজিদের ইমাম মোঃ হারুনুর রশিদ ‎ আগামী বুধবার  মুন্সীগঞ্জে আসছেন বিশিষ্ট ইসলামি বক্তা মোস্তাক ফয়েজী শ্রীনগরে র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি, চাকরিচ্যুত ২ সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ৭ টংগীবাড়ীতে চেতনা নাশক খাবার খাইয়ে মিশুক ছিনতাইয়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ শ্রীনগরে ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শ্রীনগরে সিরাত পাঠ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সাহিত্যবার্তা: বৈচিত্র্যের এক অনন্য মিলনক্ষেত্র শ্রীনগরে নাতিকে আছাড় দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল হওয়া দাদী গ্রেপ্তার মুন্সিগঞ্জে নির্বাচনি দায়িত্বে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন মুন্সিগঞ্জে পুলিশের ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

গজারিয়ায় ৫৭ শিক্ষার্থীর স্কুলে উপস্থিত মাত্র ৩, শিক্ষক উপস্থিতও মাত্র ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১২০ বার পঠিত

গজারিয়ায় ৫৭ শিক্ষার্থীর স্কুলে উপস্থিত মাত্র ৩

শিক্ষক সংকটে ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম, অপরিচ্ছন্ন শ্রেণিকক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ৫৪ নম্বর মল্লিকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সংকটসহ নানা সমস্যায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। বিদ্যালয়ের নথিতে শিক্ষার্থী রয়েছে ৫৭ জন। তবে সরেজমিনে গিয়ে পাওয়া গেছে মাত্র তিনজন শিক্ষার্থীকে।

গত সোমবার সকাল ৯টা থেকে পৌনে ১২টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অবস্থান করে এ চিত্র দেখা যায়। এ সময় বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষগুলোও ছিল অপরিচ্ছন্ন ও আবর্জনায় পূর্ণ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টিতে অনুমোদিত সাতটি শিক্ষক পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র তিনজন। প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় সহকারী শিক্ষক সবুজ চন্দ্র দাস ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।

বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনে মোট চারটি কক্ষ রয়েছে। এর মধ্যে একটি স্টোররুম, একটি অফিস এবং বাকি দুটি শ্রেণিকক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সরেজমিনে শ্রেণিকক্ষ দুটিতে নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ইমামপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মল্লিকেরচর গ্রামে সহস্রাধিক ভোটার ও দুই হাজারের বেশি মানুষের বসবাস। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযোগী আনুমানিক শতাধিক শিশু নদী পাড়ি দিয়ে পাশের চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছে।

অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট, দায়িত্বে অবহেলা ও নানা অব্যবস্থাপনার কারণে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়টি ছেড়ে নদী পার হয়ে অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল কাদের আল মারুফ বলেন, “তিন শিক্ষকের দায়িত্বে অবহেলা ও শিক্ষার্থীদের প্রতি অমনোযোগিতার বিষয়টি জানিয়ে আমরা গ্রামবাসীর গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেছি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করা হবে।”

সরেজমিনে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সবুজ চন্দ্র দাসকে বিদ্যালয়ে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে তিনি জানান, হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় ছুটিতে রয়েছেন। বিদ্যালয়ে মাত্র তিনজন শিক্ষার্থী উপস্থিতি এবং শ্রেণিকক্ষ অপরিচ্ছন্ন থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

বিদ্যালয়ে ফেরদৌস মিয়া নামে একজন নৈশপ্রহরী কাম দপ্তরি থাকলেও তাকে শাস্তিমূলক বদলি হিসেবে অন্য বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় একাধিক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষক সংকট ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে সন্তানদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে গ্রামের অধিকাংশ শিশু নদী পার হয়ে অন্য স্কুলে যেতে বাধ্য হচ্ছে। পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে অনেকে অনাগ্রহী বলেও জানান।

অন্যদিকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দাবি, তারা “ভিলেজ পলিটিক্সের” শিকার। শিক্ষক সবুজ চন্দ্র দাস ও সামছুননাহার নতুন শিক্ষক নিয়োগ সাপেক্ষে অন্যত্র বদলির অনুমতি নিয়ে রেখেছেন। অপর শিক্ষক রেশমী আক্তার আগামী অক্টোবর মাসে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।

সার্বিক বিষয়ে গজারিয়া উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আকবর বলেন, “শ্রেণিকক্ষ নোংরা রাখাসহ বিভিন্ন কারণে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সবুজ চন্দ্র দাসকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম পুনরুদ্ধারে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় কাজ করছে।”  সাব-এডিট/সাইদ হাসান আফরান

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর