
টেংগারচরে গণশুনানিতে উঠে এলো বৈষম্যের নানা অভিযোগ।
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ৩ নং টেংগারচর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা, অভিযোগ ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে সরব হন স্থানীয় জনগণ।
মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এই গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসান ফরাজি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল আলম।
যদিও ইউনিয়নের সব ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণের উপস্থিতি প্রত্যাশিত ছিল, তবুও অংশগ্রহণ ছিল অনেকটাই সীমিত। অভিযোগ উঠেছে, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে গণশুনানির ব্যাপারে স্থানীয়দের যথাযথভাবে অবগত করা হয়নি।
গণশুনানিতে সাবেক ইউপি সদস্য বরকত উল্লাহ অভিযোগ করেন, একটি প্রকল্পে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও মাত্র তিন লাখ টাকার সামান্য কাজ করে বাকি অর্থের কোনো সদুত্তর নেই। এছাড়াও, কাবিখা, টিআর ও টিসিবি প্রকল্প বাস্তবায়নে এখনও অনিয়ম ও বৈষম্য চলমান রয়েছে বলে দাবি করেন উত্তর শাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক নেতা রিফাত সরকার।
অনুষ্ঠানে সাধারণ নাগরিক ও ইউপি সদস্যরা রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অবকাঠামো উন্নয়ন বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন। বিশেষভাবে টেংগারচর ব্রিজের রাস্তা এবং টেংগারচর গ্রামের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জামানের বাড়ি থেকে ফকিরবাড়ি পর্যন্ত ড্রেন নির্মাণের প্রকল্পের দাবি জোরালোভাবে তোলা হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফায়সাল আরাফাত বিন সিদ্দিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা মুনসুর আলম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রিগান মোল্লাহ,গজারিয়া থানার ওসি তদন্ত শহিদুল ইসলাম,কৃষক দলের সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রিফাত, গজারিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নজরুল শেখ, সাংবাদিক আলমগীর হোসেন,খায়রুল ইসলাম হৃদয়, আমজাদ হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণ।
গণশুনানিতে উপস্থিত জনসাধারণ বলেন, এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও প্রকৃত উপকার পেতে হলে আরও স্বচ্ছতা ও জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে।