1. tayranabir2@gmail.com : Tayran Abir : Tayran Abir
  2. admin@munshiganjerbarta.com : admin :
  3. sayedhasanafran@gmail.com : Sayed Afran : Sayed Afran
  4. hmalamimkhan@gmail.com : al amin : al amin
  5. mdaniksheikh95@gmail.com : Anik Sheikh : Anik Sheikh
  6. asifbadhon43@gmail.com : Asif Badhan : Asif Badhan
  7. jharnacomputercenter@gmail.com : Barshan Mohammod : Barshan Mohammod
  8. muhammadsibgatullah360@gmail.com : muhammad sibgatullah : muhammad sibgatullah
  9. fjony7699@gmail.com : Forhat Jony : Forhat Jony
  10. lemonrep@gmail.com : Naser Lemon : Naser Lemon
  11. sheikhforidpolok4@gmail.com : Sheikh Polok : Sheikh Polok
  12. rhraju88994@gmail.com : Muhammad Raju : Muhammad Raju
  13. mdsejankhan12345@gmail.com : Md Sejan Khan : Md Sejan Khan
বদলির জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি সময়ের দাবি - দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজদিখানে ভূয়া সনদ দিয়ে  গণশিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা করছেন মসজিদের ইমাম মোঃ হারুনুর রশিদ ‎ আগামী বুধবার  মুন্সীগঞ্জে আসছেন বিশিষ্ট ইসলামি বক্তা মোস্তাক ফয়েজী শ্রীনগরে র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি, চাকরিচ্যুত ২ সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ৭ টংগীবাড়ীতে চেতনা নাশক খাবার খাইয়ে মিশুক ছিনতাইয়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ শ্রীনগরে ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শ্রীনগরে সিরাত পাঠ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সাহিত্যবার্তা: বৈচিত্র্যের এক অনন্য মিলনক্ষেত্র শ্রীনগরে নাতিকে আছাড় দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল হওয়া দাদী গ্রেপ্তার মুন্সিগঞ্জে নির্বাচনি দায়িত্বে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন মুন্সিগঞ্জে পুলিশের ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

বদলির জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি সময়ের দাবি

দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪০৯ বার পঠিত

সাধন সরকার

এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রতায়ন কর্তৃপক্ষ) থেকে স্কুল, মাদ্রাসা, কারিগরি ও কলেজ পর্যায়ে সুপারিশপ্রাপ্ত হাজার হাজার শিক্ষক বদলি কাতরতায় বেদনাভরা জীবন অতিবাহিত করছেন।

৩০০-৪০০ কিলোমিটার দূরে নিয়োগ পেয়েছেন বহু শিক্ষক। পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকার কারণে অনেক শিক্ষক মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। আবার স্বল্প বেতনে দূরবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থান করে দুই পরিবার চালানো অনেকের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করে যারা আশায় বুক বেঁধেছিলেন, দূরবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুপারিশ পাওয়ার পর তাদের আশা এককথায় হতাশায় রূপ নিয়েছে। সববর্তী স্থানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে চাকরির খবর শুনে অনেকে পরিবার-পরিজনদের মতের বিরুদ্ধে গিয়েও চাকরিতে যোগদান করেছিলেন। বিশ্বাস ছিল, এনটিআরসিএ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কাঙ্ক্ষিত বদলির সুরাহা মিলবে। কিন্তু বদলির প্রত্যাশায় দিন, মাস ও বছর চলে যায়। বদলি বন্ধ থালায় অনেকে চাকরি ছেয়ে চলে যাচ্ছেন। অনেকে ভিতবে ভিতবে মরে যাচ্ছেন। বদলি চালু না থাকায় অনেকে আবার জীবনযুদ্ধে টিকতে না পেরে আত্মহননের দিকে ঝুঁকছেন। বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ার খবর থেকে জানা যায়, বদলির সুযোগ না পাওয়ায় কক্সবালারের মুহাম্মদিয়া রিয়াজুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসার তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত সহকারী শিক্ষক খাইরুল ইসলাম ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি স্ট্রোক করে মায়া যান।তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক খাইরুল ইসলামের বাড়ি ছিল দিনাজপুরে। তিনি নিয়োগ পেয়েছিলেন প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে কক্সবাজারের এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি বদলি নীতিমালা প্রকাশিত হলেও সফটওয়্যার প্রস্তুতসহ নানা জটিলতায় বদলি চালু করা যায়নি। সমস্যাটা মূলত এনটিআরসিএ থেকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের।

৩০০-৪০০ কিলোমিটার দূরে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করার কোনো অর্থ হয় ন্যা সুপারিশ প্রক্রিয়ার বদল আনতে হবে নতুবা প্রতিটি গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের বদলির সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের আবেদনের মাধ্যমে বদলির সুযোগ ছিল। অতঃপর এই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। দেশের দূরদূরান্তে নিয়োগ পাওয়ায় ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের বদলির বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএ থেকে সবুজ সংকেত যে ছিল না- এটা বলা যাবে না। তাই আর কালক্ষেপণ না করে এনটিআরসিএ থেকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বদলির প্রক্রিয়া চালু করা সময়ের দাবি। আসন্ন ‘বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিতে’ এমপিও নীতিমালার ৭ নং ধারা (ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের মাধ্যমে বদলির সুযোগ) আবার ফিরিয়ে এনে বদলির ব্যবস্থা করার জন্য এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাই। সেটা সম্ভব না হলে আলাদা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের দ্রুত বদলির ব্যবস্থা করা হোক। অনেক সময় দেখা যায় নানাবিধ শর্ত আরোপ করে বদলি প্রক্রিয়াকে জটিল করে তোলা হয়। বদলি হতে হবে শর্তহীন। তবে ঢাকরি জীবনে শুধুমাত্র একাধিকবার (দুইবার তিনবার। বদলির বিষয়ে শর্ত দেওয়া যেতে পারে। মনে রাখতে হবে, চাকরিজীবনে বদলি একটা অধিকার। পরিবার-পরিজন ও স্বামী-স্ত্রী উভয়ের চাকরিসূত্রে যেকোন স্থানে যেকারো বদলির প্রয়োজন হতে পারে। তাই সবার স্বার্থে দেশের যেকোন স্থানে বদলির সুযোগ রাখতে হবে। বলে রাখা প্রয়োজন, ইনডেক্সধারী যেসব শিক্ষক ইতিমধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে বদলি হয়েছে তাদের আরও পরের দিকে বদলির সুযোগ বিবেচনা করা যেতে পারে। কেননা তারা ইতিমধ্যে বদলির সুযোগ পেয়েছেন। ইনডেক্সধারী যেসব শিক্ষক (তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি থেকে) এখনো একবারও বদলির সুযোগ পাননি তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বদলির বিবেচনা করতে হবে। ইনডেক্সধারী বদলিপ্রত্যাশি শিক্ষকের সংখ্যা খুব বেশি নয়া- একথা যেমন সতা, তার চেয়ে বেশি সত্য এনটিআরসিএ’র সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো সময় বদলি হারিতা চালু করা যেতে পারে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ চাকরিতে নতুন নিয়োগ প্রতিস্তা শুরু করার পূর্বে বদলি দেওয়া হয়। বদলি প্রক্রিয়া শেষ করে অতঃপর নতুনভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাই নতুন গণবিজ্ঞপ্তির আগে বদলির জন্য আলাদা গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হোক। শিক্ষকদের দুর্দশাগ্রস্ত জীবন মানায় না।

শুধু শিক্ষক নিয়োগ দিলে শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে না। শিক্ষকের জীবনমানের উন্নয়ন না হলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না। ধারা শিক্ষার জন্য কাজ করবেন, শিক্ষাকে যারা এগিয়ে নিয়ে যাবেন তারা যদি কাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন, তাহলে শিক্ষার মূল লক্ষ্য বাস্তবায়ন ও শিক্ষার গুণগত পরিবর্তন সম্ভব নয়। শিক্ষাকে বাঁচাতে হলে শিক্ষককে বাঁচাতে হবে। শিক্ষকের দাবি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে হবে। বদলির আশ্বাস যেন তালবাহানার সংস্কৃতি ও শুভঙ্করের ফাঁকি না হয়। আসন্ন ‘বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি’ অথবা আলাদা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইনডেরধারী সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বদলির যৌক্তিক দাবিটি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে এনটিআরসিএ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

লেখক। শিক্ষক, লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়,

Sadonsarker2005@gmail.com

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর