
আবু নাসের লিমন
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের পদ্মা নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণের অভিযানে ১৫ জেলের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ সময়ে নদীতে ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে ১৫ জন জেলেকে আটক করা হয় ও তাদের কাছ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ১০ কেজি ইলিশ মাছ আটক করা হয়। আটক জেলেদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। জব্দকৃত কারন্ট জাল গুলো আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয় এবং উদ্ধার করা মাছ গুলো স্হানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন লৌহজং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম।
অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন মুন্সিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ পারভেজ।
দুই দফায় অভিযান পরিচালনার পর যে সকল জেলেদের আটক করা হয় তাদেরকে তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন।
প্রথম দফায় অভিযানে আটক করা জেলেদের ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলো- হাশেম খানের ছেলে মো. শাহাবুদ্দিন, শাহ আলমের ছেলে মো. সবুজ, লাল মিয়ার ছেলে মো. আবদুল খালেক, ইব্রাহিম আকনের ছেলে মোহাম্মদ আল আমিম, শফি ব্যাপারীর দুই ছেলে মোহাম্মদ শরীফ ও মোহাম্মদ নিরব, আব্দুল খালেকের ছেলে মো. শাহাবুদ্দিন ও হাফেজ মাঝির ছেলে মোহাম্মদ সোহাগ।
দ্বিতীয় দফায় অভিযানে ৭ জেলেকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলো- মোতালেবের ছেলে মো. আল আমিন, মোস্তফা সর্দারের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল, আবুল হাসেমের ছেলে মো. দুলাল, জালাল উদ্দিনের ছেলে মো. শিপন, হামেদ মণ্ডলের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর, ইমাম হোসেনের ছেলে শেখ আউয়াল ও মো. সরদারের ছেলে মো. জীবন।
লৌহজং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নেছার উদ্দিন জানান, ইলিশের এই প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণে আমাদের অভযান অব্যাহত থাকবে।