
আবু নাসের লিমন
বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সিনহা বলেছেন, আমি চেয়েছিলাম এই ব্রিজটি আরও দশ বছর আগে নির্মাণ করার। বেতকা ব্রীজের সঙ্গে এই ব্রীজটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তা সম্ভব হয়নি। এখন আবার কাজ শুরু হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আপনাদের সহযোগিতায় দ্রুত সময়ের মধ্যে এই ব্রিজের কাজ সম্পন্ন হবে।
শুক্রবার বিকেল পাঁচ টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের মোল্লার বাজার এলাকায় নির্মাণাধীন সেতুর কাজ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মমিন আলী, সিরাজদীখান উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস ধীরেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফরহাদ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আলী আনসার মোল্লা, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন দোলন, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মোজাম্মেল হোসেন মুন্না, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন মোল্লা এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ঢালি মোহাম্মদ ওয়াহিদ প্রমুখ।
পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম মজুমদার বলেন, জমি অধিগ্রহণের কিছু সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ ছিল। এখন সেই সমস্যাগুলোর সমাধান হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, দ্রুত সময়ের মধ্যেই ব্রিজের কাজ শেষ হবে। আগামী জুন মাসের মধ্যেই মানুষ এই সেতু দিয়ে চলাচল করতে পারবে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৬ জুলাই সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২০২০ সালের ৫ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিন দফা সময় বাড়িয়েও প্রায় পৌনে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেছে, এখনো কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি।
২৫২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ মিটার প্রস্থের এই সেতুটি ৩৩ কোটি ২৭ লাখ ৪২ হাজার টাকা ব্যয়ে ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সুরমা এন্টারপ্রাইজ নির্মাণ করছে। এতে ৮টি পিলারের ওপর ৭টি স্প্যান বসানো হয়েছে।
সেতুটি নির্মাণ হলে মুন্সীগঞ্জ জেলা সদর, টঙ্গীবাড়ি ও লৌহজং উপজেলার মানুষ বেতকা হয়ে ঢাকার পোস্তগোলা পর্যন্ত মাত্র ২৭ কিলোমিটার পথ ৩০ মিনিটে অতিক্রম করতে পারবে। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়ে বা মোক্তারপুর হয়ে ঢাকায় যেতে সময় লাগে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা।