
বর্ষন মোহাম্মদ:
টঙ্গীবাড়ীতে বাঁশ বিক্রির হাট বসেছে। উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের ইছামতি নদীরপাড়ে বালিগাঁও বাঁশ পট্রিতে এ বাঁশ বিক্রির হাট বসে। এই বাঁশের হাঁটে সপ্তাহের ৭ দিনই বাঁশ কেনা-বেচা চলে। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে বাঁশ কেনার জন্য এ হাঁটে আসে সাধারণ মানুষ। মাখলা , তেলুয়া , বড়বাসা, পরাগসহ বিভিন্ন জাতের বাঁশ রয়েছে এই হাটে। তবে বাঁশ বিক্রির পাশাপাশি বাঁশের বেড়া, চায়না প্লাষ্টিক নেট, প্লাষ্টিক দড়ি সহ বিভিন্ন জিনিস পাইকারি বিক্রি হয় এই হাঁটে। মূলত মাটি ভড়াটে বাধ দেয়ার জন্য এসকল মালামাল বিক্রি হয়। নৌ পথে ময়মনসিংহ থেকে এসকল বাঁশ এনে বিক্রি করে বাঁশ বিক্রেতারা।
গতকাল রবিবার বালিগাঁও বাঁশ পট্টি গিয়ে দেখা যায়, ৩০ থেকে ৩৫ ফুট প্রতিটি বাঁশ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা। বেড়া বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকা থেকে ১২শ টাকা।বাঁশ ক্রয় করতে আশা হুমায়ুন কবির জানান, সামনে আলু রোপণ করমু তাই একটা ছাপড়া ঘর তুলতে হইবো। অহন বাঁশ কিইনা বাড়িতে জামু। বাঁশের দাম আগের চেয়ে অনেক বেশি। বাঁশের ঘোড়া কিনলাম ২৫০ টাকা করে।
বাঁশ বিক্রেতা রমজান আলী জানান, ২০ বছর ধরে এই বাঁশ ব্যবসা করে আসছি। আমি পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করি। বাঁশ কেনার সময় ছোট-বড় বাঁশ একদামে কিনতে হয়। আমরা এখানে এনে গড় করে বিক্রি করি। নৌপথে বাঁশ আনতে খরচ বেশি। আবার ডিজেলের দাম বাড়াইছে সরকার। তাই বাঁশের দাম আগের চেয়ে একটু বেশি। উপজেলায় এই বাঁশের হাটের বেশ পরিচিতি ও সুনাম রয়েছে।
আরেক বিক্রেতা মো. সুলতান জানান, ময়মনসিংহ থেকে নৌপথে আমরা এসকল বাঁশ এনে বিক্রি করি। আমাদের এখানে বিভিন্ন সাইজ ও জাতের বাঁশ বিক্রি করে থাকি, সাইজ আকারে বাঁশের দাম নির্ধারণ করা হয়। বড় সাইজের বাঁশের মূল্য ৩০০থেকে ৪৫০টাকা প্রতি পিছ। এছাড়াও মাঝারি আকারের বাঁশ ও বাঁশের ঘোড়া ও বেড়া বিক্রি করে থাকি। আমাদের এখানে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা ছাড়াও জেল সদর ও পাশ্ববর্তী বিভিন্ন উপজেলা থেকে ক্রেতারা বাঁশ কিনতে আসে।