1. tayranabir2@gmail.com : Tayran Abir : Tayran Abir
  2. admin@munshiganjerbarta.com : admin :
  3. sayedhasanafran@gmail.com : Sayed Afran : Sayed Afran
  4. hmalamimkhan@gmail.com : al amin : al amin
  5. mdaniksheikh95@gmail.com : Anik Sheikh : Anik Sheikh
  6. asifbadhon43@gmail.com : Asif Badhan : Asif Badhan
  7. jharnacomputercenter@gmail.com : Barshan Mohammod : Barshan Mohammod
  8. muhammadsibgatullah360@gmail.com : muhammad sibgatullah : muhammad sibgatullah
  9. fjony7699@gmail.com : Forhat Jony : Forhat Jony
  10. lemonrep@gmail.com : Naser Lemon : Naser Lemon
  11. sheikhforidpolok4@gmail.com : Sheikh Polok : Sheikh Polok
  12. rhraju88994@gmail.com : Muhammad Raju : Muhammad Raju
  13. mdsejankhan12345@gmail.com : Md Sejan Khan : Md Sejan Khan
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে সিসিএস এর পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  - দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজদিখানে ভূয়া সনদ দিয়ে  গণশিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা করছেন মসজিদের ইমাম মোঃ হারুনুর রশিদ ‎ আগামী বুধবার  মুন্সীগঞ্জে আসছেন বিশিষ্ট ইসলামি বক্তা মোস্তাক ফয়েজী শ্রীনগরে র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি, চাকরিচ্যুত ২ সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ৭ টংগীবাড়ীতে চেতনা নাশক খাবার খাইয়ে মিশুক ছিনতাইয়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ শ্রীনগরে ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শ্রীনগরে সিরাত পাঠ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সাহিত্যবার্তা: বৈচিত্র্যের এক অনন্য মিলনক্ষেত্র শ্রীনগরে নাতিকে আছাড় দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল হওয়া দাদী গ্রেপ্তার মুন্সিগঞ্জে নির্বাচনি দায়িত্বে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন মুন্সিগঞ্জে পুলিশের ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে সিসিএস এর পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত 

দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫
  • ৪৪৯ বার পঠিত
আবু নাসের লিমন :
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস) এর পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকায় মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার সিসিএস এর আয়োজনে শ্রীনগর থানা কমপ্লেক্সের গোল ঘরে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
সিসিএস শ্রীনগর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক মো. সাইদ এর পরিচালনায় উক্ত মতবিনিময় সভার প্রধান অতিথি ছিলেন সিসিএস মুন্সিগঞ্জ জেলার কো-অর্ডিনেটর ইমরান হুসাইন বাদল।
সিসিএস সম্পর্কে ইমরান হুসাইন বাদল বলেন, কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস) জনসাধারণের কল্যানকর মহান উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত হয়েছে।
দেশে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন পণ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার হচ্ছে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। এর মধ্যে ফরমালিন, ক্রোমিয়াম, ক্যাডমিয়াম, মেলামাইন ও কার্বাইডসহ বিষাক্ত রাসায়নিক অন্যতম। ফলে মানুষের লিভার, কিডনি, পাকস্থলী, ফুসফুসসহ নানা অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে; যা ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন।
মারণব্যাধি ক্যানসারসহ জটিল রোগ বাসা বাঁধছে মানবদেহে। যাকে অনেকেই ‘নীরব গণহত্যা’ বা ‘নীরব মহামারি’ হিসেবে চিহ্নত করেছে। এই মহামারি থেকে ভোক্তাকে সুরক্ষা দিতে বিশ্বজুড়ে যেমন ভোক্তার অধিকার রয়েছে, তেমনি বাংলাদেশেও রয়েছে এই সংগঠনের কার্যক্রম। দেশে ২০০৯ সালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯’ পাস হয় এবং ‘জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠিত হয়। আমরা মনে করি সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি ও জনমত গঠন করা প্রয়োজন।
এই মহান উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ২০১৩ সালে সিনিয়র সাংবাদিক পলাশ মাহমুদের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি’ (সিসিএস)। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে প্রায় ১৫০০০ স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে দেশের ৬১টি জেলায়, ৩৪৫টি থানায় ও ৪২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাজ করে যাচ্ছে। সিসিএস ‘জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর'(ডিএনসিআরপি)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে  বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
সিসিএসের নির্বাহী ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পলাশ মাহমুদ। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জনাব আহসান হাবীব। এছাড়াও  ৯ সদস্যের একটি নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সংগঠনটি পরিচালিত হয়। এর বাইরেও একটি উপদেষ্টা পরিষদ রয়েছে।সিসিএস এর নিজস্ব কোনো তহবিল নেই। প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত কোনো সরকারি, বেসরকারি বা আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে প্রচলিত অনুদান বা ডোনেশন গ্রহণ করেনি। মূলত, সংগঠনটি স্বেচ্ছাসেবী প্রকৃতির হওয়ায় ডোনেশন বা তহবিলনির্ভর কার্যক্রম করার প্রয়োজন হয়নি। ভোক্তাদের স্বার্থে বা সংগঠনের কোনো কার্যক্রমে অর্থের প্রয়োজন হলে উদ্যোক্তা, সদস্য বা সুধীজনদের থেকে সহায়তা নেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানি বা উদ্যোক্তাদের থেকে স্পন্সর নেওয়া হয়।
২০১৮ সালে ৫২টি ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করে সিসিএস। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ৫২টি ভেজাল পণ্য নিষিদ্ধ করেন এবং বাজার থেকে প্রত্যাহারের আদেশ দেন, যা দেশজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। এক সঙ্গে এই রিটের ফলে বড় বড় কোম্পানি তাদের কোয়ালিটি কন্ট্রোল উন্নত করে। ফলে ভোক্তাসাধারণ দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত হয়েছে।
ভোক্তার স্বার্থ সুরক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য সিসিএস ২০২২ সালে চারজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘ভোক্তা স্বার্থে অসামান্য অবদানের জন্য বিশেষ সম্মাননা’ ও ১০ সাংবাদিককে ‘ভোক্তা অধিকার সাংবাদিকতা পুরস্কার-২০২২’ প্রদান করেন। সম্মানাপ্রাপ্তরা হলেন- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের প্রধান এএইচএম শফিকুজ্জামান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহবুব কবীর মিলন, পিরোজপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহিউদ্দীন মহারাজ ও অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার। এ ছাড়া টেলিভিশন থেকে চারজম, পত্রিকা থেকে তিনজন ও অনলাইন থেকে তিনজন সাংবাদিককে ‘ভোক্তা অধিকার সাংবাদিকতা পুরস্কার ২০২২’ প্রদান করা হয়।
দেশে প্রথম ‘ভোক্তা অধিকার সম্মেলন-২০২২’ আয়োজন করা হয়। ২৪ মার্চ ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান ও পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারসহ অন্যরা। সম্মেলনে দেশের ৪৭টি জেলা ও ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৩০০ ভোক্তা সংগঠক অংশগ্রহণ করেন।
ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখায় ‘কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)’-এর প্রতিষ্ঠাতা পলাশ মাহমুদকে দিল্লিতে ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ বা ‘আন্তজাতিক যুব সম্মাননা-২০১৯’ প্রদান করা হয়। ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ কনফারেন্স অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড সিরিমনি-২০১৮’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশ্বের ১০ গুরুত্বপূর্ণ তরুণকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
করোনার মধ্যে স্বেচ্ছাসেবা কার্যক্রমের জন্য ‘শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে ‘কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)’-এর স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্ম ‘করোনায় স্বেচ্ছাসেবী’ বা ‘সিসিএস স্বেচ্ছাসেবী’। ৮৯টি দেশের প্রায় ৪০ লাখ প্রতিযোগীর মধ্যে ১৮২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ২০২১ সালে ‘ঢাকা ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল ২০২০’-এর অধীনে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর নামে ‘শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২০’-এর আয়োজন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বঙ্গভবন থেকে যোগ দেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বর ১৬১২১। ভোক্তা অধিকার সম্পর্কিত যে কোনো বিষয়ে দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে ওই নম্বরে ফোন করলেই ২৪ ঘণ্টা সেবা পাওয়া যায়। ২০১৮ সালে ৫২ পণ্য নিয়ে হাইকোর্টে সিসিএস রিট করলে ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে পরবর্তী সময়ে হটলাইনটি চালু করা হয়।
২০২১ সালে ই-কমার্স গ্রাহকদের সুরক্ষায় বড়সড় ভূমিকা রাখে সিসিএস। একটি এমএফএস গেটওয়েতে ১৮ হাজার গ্রাহকের আটকে যাওয়া কয়েকশ কোটি টাকা ছাড় করাতে সিসিএস সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। শেষ পর্যন্ত সব গ্রাহক টাকা ফেরত পায় এবং অন্যান্য গেটওয়েতে আটকে থাকা গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে ১ হাজার ৬৮ ভোক্তার পক্ষে রিট পিটিশন করে সিসিএস।
সিসিএস ‘কনজ্যুমার ওয়াচ’ নামে একটি মাসিক ম্যাগাজিন প্রকাশ করে। ম্যাগাজিনটি প্রায় ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ৫০টির বেশি জেলায় বণ্টন করা হয়। ‘কনজ্যুমার ওয়াচ’ সিসিএসের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পরীক্ষায় দেখা যায়, দেশে বেশির ভাগ কীটনাশকে মাত্রাতিরিক্ত হেভিমেটাল রয়েছে। দেশে কীটনাশক আমদানির ক্ষেত্রে ল্যাবরেটরিতে মান পরীক্ষার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর কীটনাশক আমদানিতে ল্যাব টেস্ট বাধ্যতামূলক করার দাবিতে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করেছে সিসিএস।
এ পর্যন্ত ৮টির বেশি সেমিনার আয়োজন করেছে সিসিএস। এসব সেমিনারে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও কর্মকর্তাসহ র‍্যাব কর্মকর্তারা, বিভিন্ন পণ্য উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সুপারশপের প্রতিনিধিসহ নানা অংশীজন উপস্থিত থাকেন।
সিসিএসের যুব সংগঠন সিওয়াইবি বর্তমানে প্রায় ৪২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার শিক্ষার্থীকে ভোক্তা অধিকারের ওপর প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গণবিশ্ববিদ্যালয়সহ ২০০ থেকে ১৮০০ জন পর্যন্ত শিক্ষার্থী নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সিসিএসের পক্ষ থেকে প্রতি বছর ‘বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস’ পালন ও ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়। একযোগে সারা দেশে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জেলা ও থানায় ভোক্তা অধিকার বিষয়ক লিফলেট বিতরণসহ নানান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
কোনো ভোক্তা যদি অধিকার লঙ্ঘনের শিকার হন এবং তিনি সিসিএসকে অবহিত করেন, সিসিএস তার অধিকার বুঝে পেতে ও প্রতিকার পেতে সযোগিতা করে। এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ ভোক্তাকে সরাসরি সহযোগিতা করেছে সিসিএস। এ ছাড়াও ডিজিটাল মাধ্যমে শত শত ভোক্তাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় সিসিএস এ পর্যন্ত ছোট আকারে কয়েকটি রিসার্চ করেছে। এর মধ্যে আলোচিত ছিল-‘বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ডাইনিং-ক্যানটিনে খাদ্যের মান ও নিরাপত্তা’ এবং ‘সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি ও প্রতিকার।’ পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির গবেষণার ফলাফল ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।
সিসিএস বিভিন্ন সময়ে স্বল্প পরিসরে কিছু পণ্য ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করিয়ে থাকে। ২০১৮ সালে গুণাগুণ পরীক্ষার জন্য আটটি ব্র্যান্ডের লবণের ল্যাব টেস্ট করা হয়। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ডের লবণ নিম্নমানের বলে পরীক্ষায় ধরা পড়ে।
ভোক্তাদের সচেতন করতে সিসিএস বেশির ভাগ সময় ডিজিটাল প্রচারণা চালিয়ে থাকে। এ জন্য নির্বাহী পরিচালকের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ, সিসিএসের অফিসিয়াল ভেরিফায়েড পেজ, সিওয়াইবি ও সিসিএস স্বেচ্ছাসেবীর অফিসিয়াল পেজ, সিসিএসের অফিসিয়াল গ্রুপ ও সিসিএস স্বেচ্ছাসেবীর অফিসিয়াল গ্রুপসহ বিভিন্ন গ্রুপে ও পেজে ডিজিটাল প্রচারণা চালানো হয়।
করোনা ভাইরাস মহামারি শুরু হলে সিসিএস প্রায় ১২ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর বিশাল দল গড়ে তোলে। ৩৩৫টি থানায়, ৬১টি জেলায় ও ৪২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবা পরিচালিত হয়। এ সময় প্রায় ২০ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থীকে নগদ অর্থসহায়তা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২০০ শিক্ষার্থীকে তিন মাস ১ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়।
এসময় মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর, সিরাজদিখান ও লৌহজং উপজেলার সিসিএস এর  স্বেচ্ছাসেবক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা নির্ধারণে সদস্যদের মতামত গ্রহণ করা হয়।
কনশাস কনজ্যুমার সোসাইটি (সিসিএস) সদস্যরা আশা প্রকাশ করেন, মুন্সীগঞ্জ জেলায় ভোক্তা অধিকার রক্ষায় সিসিএস অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। সভা শেষে সিসিএস এর সদস্যরা জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য শ্রীনগর থানার পাশের একটি বেকারীসহ কয়েকটি দোকান পরিদর্শন করেন।
উপস্থিত ছিলেন মো. ওমর, মো. সাইদ, অ্যাড. মো. জুয়েল হোসেন, মো. শাকিল হোসেন, মো. সাকিব হোসেন, আরিফ খান রাতুল, আস্রাফুল আলম (আহাদ), মো. আস্রাফুল আলম, মাসুূদ রানা, মো. ফয়সাল, মো. হাফিজুর রহমান ফাহাদ, সালাউদ্দিন শাহিন, মো. মেহেদী হাসান, মো. মিথিল হাসান, মাওলানা হাফিজুর রহমান, মাসুম শান্ত, ইয়াসিন আরাফাত প্রমুখ।##
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর