
আশরাফ ইকবাল :
মহাত্মা গান্ধী বলেন, নিজেকে খুঁজে পাওয়ার সর্বোত্তম উপায় হলো অন্যের সেবায় নিজেকে হারিয়ে ফেলা।
মাদার তেরেসা বলেন, আমি এমন কিছু করতে পারি যা আপনি পারেন না, আবার আপনি এমন অনেক কিছু করতে পারেন যা আমি কখনও করতে পারব না। তবে একসাথে মিলে আমরা চাইলে অসাধারণ কিছু করে ফেলতে পারি।
আসুন নিজের ভেতর লুকিয়ে থাকা সুপ্ত মেধা, সুপ্ত প্রতিভাকে খুঁজে বের করি। সামুকের মতো খোলসের ভিতর নিজেকে লুকিয়ে না রেখে সবার সাথে মিশে যাই এতে আমাদের নেটওয়ার্ক বাড়বে। এ নেটওয়ার্ক আমাদের নানাভাবে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।
হিউস্টন কেস ম্যানেজারস এর কাউন্সিলর নিক ব্রায়ান্ট বলেছেন, স্বেচ্ছাসেবী কাজ আপনার ক্যারিয়ারকে আরও দ্রুত এগিয়ে নিতে সাহায্য করতে পারে।
মানুষ দুনিয়াতে একা আসে কিন্তু যে যত বড় নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারবে সে তত বেশি সফল হবে। তাই প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নয় আজই শুরু করতে হবে। এটি আমাদের মানবিক ও নাগরিক দায়িত্ব। ভালো কাজ আজ থেকেই শুরু করি, কারণ মৃত্যুর কোনো লক্ষণ নেই। এজীবনে হারিয়ে যাওয়া নয় বরং স্মরণীয় হয়ে থাকাটাই স্বার্থকতা।
রোজালিন কার্টার বলেন, স্বেচ্ছাসেবক ছাড়া, আমরা হতাম একটি আত্মাহীন জাতি।
মার্কিন টেনিস তারকা আর্থার অ্যাশ বলেন, তুমি যেখানে আছ সেখান থেকেই স্বেচ্ছাসেবা শুরু করো। তোমার যা আছে তাই কাজে লাগাও। তুমি যা পার তাই করো।
তাই আসুন ঝিকুট ফাউন্ডেশন সম্পর্কে জানি। আমাদের স্লোগান পরিবর্তমান পদযাত্রা। এ পরিবর্তন শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজব্যবস্থায়। আমরা এখানে কাজ করলে যাদের সাথে দেখা হবে তারা বিজ্ঞ, অভিজ্ঞ, দক্ষ বা বিভিন্নভাবে প্রতিষ্ঠিত। অথবা আগামীতে প্রতিষ্ঠিত হবে এমন সম্ভাবনাময় ব্যক্তিবর্গ। তাই এমন সুবর্ণ সুযোগ মিস করা ঠিক হবে না।অতএব জেগে উঠার সংকল্প যাদের বুকে তাদের অগ্রযাত্রা রুখবার ক্ষমতা পৃথিবীর কারো নেই। যারাই সর্বদা স্রষ্টার সৃষ্টির কল্যাণে কাজ করে তারা মানুষ নয় বরং মহামানুষ। আসুন মহামানবের প্লাটফর্ম ঝিকুট ফাউন্ডেশনে।
১. ঝিকুট ফাউন্ডেশন আপনাকে কি দেবে
১. ঝিকুট দেশপ্রেমিক, সচ্চরিত্র, নিষ্ঠাবান, রুচিবোধ, ইতিবাচক মানসিকতা, নৈতিকতা, নান্দনিকতা ও সফলতা দিবে।
২. অকল্পনীয় পরিচিতি, জনপ্রিয়তা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা।
৩. অসাধারণ বাগ্মিতা, লেখনি/ কলমের ক্ষমতা ও উপস্থিত বুদ্ধিমত্তা।
৪. উচ্চারণ, উপস্থাপনা, ফটোগ্রাফি, সাংবাদিকতা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিত্ব।
৫. সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ রক্ষার্থে গঠনমূলক সামাজিক কর্মকান্ডের সুযোগ ।
৬. অসুস্থ সংস্কৃতিচর্চা ও অশালীন পরিবেশ থেকে তরুণ সমাজকে ফিরিয়ে রাখতে সুস্থধারার সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশের সুযোগ ।
৭. নির্যাতিত বা অসহায় যে কোন সংগঠক, অনলাইন এক্টিভিস্ট, গণমাধ্যম কর্মী, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও নিরীহ জনগোষ্ঠীর পক্ষে অবস্থান ।
৮. জনবিরোধী তথাকথিত সামাজিক সংগঠনের লেজুড়বৃত্তি, তল্পীবাহক ও কুশিলবের ভূমিকা গ্রহণকারী ভুঁইফোড়দের ব্যাপারে সতর্ক থাকার সুযোগ।
৯. সুন্দর ভবিষ্যতের প্রয়োজনে ছাত্র ও যুবসমাজের সকল কল্যাণে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের একটি নিঃস্বার্থ প্লাটফর্ম ।
১০. ইতিহাস গবেষণা প্রকল্পের অংশীদার হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ।
১১. কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও তথ্য-প্রযুক্তিতে দক্ষতা।
১২. স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও ব্যক্তিত্ব বিকাশ।
১১. সর্বোপরী মানবতাবাদ এবং বিবেকের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সামাজিক কাজ, লেখালেখি ও মুক্ত চিন্তার প্লাটফর্ম ।
অতএব, আর দেরী কেন ? সাহসের এই প্রাঙ্গনে আপনাকে জানাই সাদর আমন্ত্রণ।
২. ঝিকুট ফাউন্ডেশনের মূলমন্ত্র
একতা, শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ।
একতা
১. পরিচিতি, ২. দেখা-সাক্ষাৎ(সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়) , ৩. ঘনিষ্ঠতা, ৪. সংগঠিত হওয়া, ৫. মিটিং / সভা, ৬. গুণীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ, ৭. সামাজিক সংগঠনের সাথে যোগাযোগ ও মতবিনিময়, ৮. সাহিত্য-সংস্কৃতিমনা, মেধাবী, শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের আকৃষ্ট করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো, ৯. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ দিবস পালন (১৬ ডিসেম্বর, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ ইত্যাদি)।
শিক্ষা
১. নৈতিকতা, ২. মেডিটেশন, ৩. ফটোগ্রাফি, ৪. চিত্রাঙ্কন, ৫. সাংবাদিকতা, ৬. উচ্চারণ, ৭. উপস্থাপনা, ৮. আবৃত্তি, ৯. বক্তৃতা, ১০. গান, ১১. অভিনয়, ১২. নাটক, ১৩. চলচ্চিত্র বিষয়ে প্রশিক্ষণ, ১৪.বই পড়া, ১৫. সাহিত্য কর্মশালা, ১৬. পাঠাগার স্থাপন, ১৭.বিতর্ক সভা, রচনা প্রতিযোগিতা, সিম্পোজিয়াম, সেমিনার ইত্যাদি। ১৮. ইংরেজি, কম্পিউটার, ইন্টারনেট, তথ্য-প্রযুক্তি, ব্লগিং ও বয়স্ক শিক্ষা। ১৯. নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন, ২০. গবেষণা প্রকল্প- পুরাতত্ত্ব, কৃতি ব্যক্তিত্ব, স্থাপনা, ঐতিহ্য, মৃতপ্রায় নদনদী, সংস্কৃতি, কুটির শিল্প, তাত শিল্প প্রভৃতি ইতিহাস অনুসন্ধান।
সাহিত্য
১. ম্যাগাজিন, ২. অনলাইন পোর্টাল, ৩. ব্লগ, ৪. দেয়াল পত্রিকা, ৫. সাক্ষাৎকার, ৬. প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখা, ৭. গল্প, কবিতা, ছড়া লিখা,
সংস্কৃতি
১. সংগীতানুষ্ঠান, ২. ক্রিড়ানুষ্ঠান, ৩. সাহিত্য আড্ডা, ৪. মঞ্চ নাটক, ৫. বই মেলা, ৬. বাণিজ্য মেলা, ৭. পিঠা উৎসব, ৮. মুকাভিনয়।
ও সমাজকল্যাণ
১. দুর্ভিক্ষ, বন্যা, মহামারি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে যথাসাধ্য সাহায্য প্রদান, ২. নারী নির্যাতন বন্ধ, এসিড সন্ত্রাস প্রতিরোধ, মাদক বিরোধী, ইভটিজিং রোধ প্রভৃতি কর্মসূচি পালন, ৩. দরিদ্র-অসহায় মেধাবীদের সহায়তা, ৪. মেধাবীদের সংবর্ধনা, সম্মাননা ও ভাতা, ৫. গুণীজন সম্মাননা, ৬. রক্তদান কর্মসূচি।
বিদ্র.: এ সংগঠন সম্পূর্ণ অলাভজনক ও অরাজনৈতিক। কেউ রাজনীতিকরণের চেষ্টা করবেন না। আবার এটা কোন ইসলামী বা অনৈসলামিক সংগঠনও না। তবে আমরা অশ্লীল পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকব। যার ভালো লাগে এসব বিষয় মেনে থাকবেন। রাজনীতির জন্য অনেক দল আছে এখানে না। তেমনি ইসলামের জন্য অনেক দল আছে করতে পারেন। আর আমরা কোন দল, মত বা ব্যক্তির হয়ে কাজ করব না।
৩. স্লোগান : পরিবর্তমান পদযাত্রা।
৪. ঝিকুট ফাউন্ডেশনের ধরন:
ঝিকুট একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, সৎ, দক্ষ, কল্যাণমূখী, অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী, অলাভজনক ও দাতব্য সংগঠন।
৫. ঝিকুট ফাউন্ডেশনের কাঠামো:
কেন্দ্রীয় পরিষদ, স্থায়ী পরিষদ, সাধারণ পরিষদ, উপদেষ্টা পরিষদ, পৃষ্ঠপোষক পরিষদ, শাখা পরিষদ, বিভাগীয় পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ, জেলা (বাংলাদেশের বাহিরের কোনো একটি পরিষদ ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদকে সাংগঠনিক জেলার মর্যাদা দেয়া হবে।) পরিষদ, প্রবাসী পরিষদ, মহাবিদ্যালয় পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ, বিদ্যালয় পরিষদ, স্থায়ী সদস্য ও অস্থায়ী সদস্যের সমন্বয়ে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের কাঠামো গঠিত হবে।
৬. ঝিকুট ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য:
১. শিক্ষা-গবেষণা, স্থাস্থ্য-চিকিৎসা, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, সাহিত্য, শিল্প-সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধি ও সমাজকল্যাণের জন্য প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভূমিকা রাখা।
২. ঝিকুটের উদ্দেশ্য হচ্ছে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায়, দল, মত নির্বিশেষে সকল আগ্রহীদেরকে সচেতন, সক্রিয়, সোচ্চার ও সংগঠিত করা। এবং এটি, এর কোনো সদস্য ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য বা কার্যক্রমের জন্য দায়ী থাকবে না।
৩. ঝিকুট একটি রাজনীতি বিবর্জিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সংগঠন হিসেবে ন্যায়নীতির পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
৪. একদল স্বেচ্ছাসেবীর অটুট বন্ধন; যারা ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে গিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করছে তাদেরকে লালন করা এবং এজাতীয় স্বেচ্ছাসেবী তৈরি করা।
৭. ঝিকুট ফাউন্ডেশন যা করবে না:
১. কোনো সম্প্রদায় বা গোষ্ঠির অনুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কোনো কাজ ঝিকুট করতে পারবে না।
২. ঝিকুট কোনো সদস্য ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করতে পারবে না।
৩. অন্যায়ভাবে কারো স্বার্থ বিরোধী, সুনাম ক্ষুণ্ন ও আদর্শ বিরোধী হয় এমন কোনো কাজ ঝিকুট করতে পারবে না।
৪. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিরোধী কোনো কাজ ঝিকুট করতে পারবে না।
৫. ঝিকুট মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কোনো কাজ করতে পারবে না।
৮. ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সদস্যপদ:
১. সদস্যপদের জন্য যোগ্যতা ও শর্তাদি:
ক. ন্যূনতম ১২ (বারো) বছর বয়সী জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায়, দল, মত নির্বিশেষে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যে কোনো নাগরিক ঝিকুটের আদর্শ-লক্ষ্য-উদ্দেশ্য গ্রহণ করে, ঝিকুটের গঠনতন্ত্র ও কর্মসূচি মেনে চলতে রাজি হলে এবং ঝিকুটের কোনো না কোনো পরিষদে সংগঠিত হয়ে কাজ করতে প্রস্তুত থাকলে তিনি ঝিকুটের সদস্যপদ লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
খ. ঝিকুটের সদস্যপদ প্রার্থীকে সদস্যপদ পাওয়ার জন্য ঝিকুটের অফিস কর্তৃক নির্ধারিত ছাপানো ফরমে অথবা অনলাইনে (ঝিকুটের ওয়েবসাইটে) আবেদন করতে পারবেন।
গ. আবেদন ফরমের সাথে সদস্যপদ প্রার্থীকে যে কোনো Extra Cariculum Activities এর প্রমাণপত্র (অনলাইনে করলে স্ক্যান কপি) সন্নিবেশ করতে হবে।
ঘ. যে কোনো সামাজিক সংগঠন ঝিকুটের সদস্যপদের (সহযোগী সংগঠনের মর্যাদা পাবে) জন্য আবেদন করতে পারবে।
ঙ. ঝিকুটের কোনো সদস্য মৃত্যুবরণ করলে তার স্থলে উত্তরাধিকার সূত্রে উক্ত পরিবারের যে কোনো একজন সদস্যপদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
চ. প্রাথমিক সদস্য হতে আগ্রহী হলে অভিভাবকের সম্মতি থাকতে হবে ।
২. সদস্যপদ লাভের অযোগ্যতা:
ক. সমাজ বিরোধী কার্যকলাপের সাথে যুক্ত ব্যক্তি।
খ. মানসিক ভারসাম্যহীন ও মস্তিষ্ক বিকৃত ব্যক্তি।
গ. চারিত্রিক অবক্ষয়ের জন্য সমাজে ধিকৃত ব্যক্তি।
ঘ. বাংলাদেশের দন্ডবিধির (ফৌজদারি মামলা) ধারায় দোষীসাব্যস্ত, সাজাপ্রাপ্ত ও দন্ডিত হানছে এমন
ব্যক্তি ।
ঙ. কোনো রাজনৈতিক দলের সক্রিয় দায়িত্বশীল বা নেতা।
চ. সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ব্যক্তি ।
ছ. দেশদ্রোহী কর্মকান্ডে লিপ্ত ব্যক্তি।
৩. সদস্যপদের শ্রেণি বিভাগ:
ঝিকুটে ২ (দুই) শ্রেণির সদস্য থাকবে। যথা:-
ক. স্থায়ী (Stable Member):
১. সাধারণ সদস্য (General Member): প্রাথমিক সদস্য হিসেবে ২ (দুই) বছর কাজ করে থাকলে
তাকে সাধারণ সদস্যপদ দেয়া যেতে পারে।
২. জীবন সদস্য (Life Member): জ্ঞানী-গুণী, বুদ্ধিজীবী এবং নৃত্য, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, গবেষণা, শিক্ষা, চিকিৎসা, সঙ্গীত, সমাজ সেবা ও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রেখেছেন তিনি জীবন সদস্য পদ পেতে পারেন।
৩. প্রবাসী সদস্য (Expatriate Member): যারা স্থায়ী সদস্যপদ লাভের যোগ্য অথচ চাকুরি উপলক্ষে যাদের বিদেশে (বাংলাদেশের বাহিরে) অবস্থান করতে হচ্ছে তারা প্রবাসী সদস্য হয়ে থাকতে পারবেন।
৪. স্থায়ী পরিষদ সদস্য (Standing Committee Member): প্রতিষ্ঠাতা ও অপর ৪ (চার) জন বিশেষ অবদান রাখা সদস্য।
খ. অস্থায়ী (Transient Member):
১. নির্বাহী পরিষদ সদস্য (Executive Member): ঝিকুটের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত অথবা কো-অপশনের মাধ্যমে মনোনীত হয়েছেন তারাই নির্বাহী পরিষদের সদস্য।
২. উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য (Advisory Member): উপদেষ্টা পরিষদে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারাই উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।
৩. গষ্ঠপোষক পরিষদ সদস্য (Petron Member): পৃষ্ঠপোষক পরিষদে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারাই পৃষ্ঠপোষক পরিষদের সদস্য।
৪. প্রাথমিক সদস্য (Primary Member): সদস্য হওয়ার প্রথম ২ (দুই) বছর প্রাথমিক সদস্য হিসেবে থাকবে।
৫. দাতা সদস্য (Donor Member): ঝিকুটের প্রয়োজনে সমগ্র বাংলাদেশ ও বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে আর্থিক অনুদান নিয়ে দাতা সদস্য করতে পারবে।
৬. অতিথি সদস্য (Guest Member): কোনো জেলা বা উপজেলার বিশিষ্ট আগন্তুককে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে ১ (এক) মাস কিংবা নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারও বেশি সময়ের জন্য ঝিকুটের সামাজিক সুযোগ-সুবিধা দিতে পারবে। তবে নির্বাহী পরিষদের বিশেষ আহুত সভায় এই অধিকারের প্রয়োগ যে কোনো সময় বাতিল সাপেক্ষ।
৭. সম্মানিত সদস্য (Honarable Member): প্রবীণ ও প্রথিতযশা যে কাউকে এ সংগঠনের সম্মানিত সদস্যপদ ও সনদপত্র প্রদান করা যাবে।
৮. উপ-পরিষদ সদস্য (Deputy Council Member): বিভিন্ন উপ-পরিষদে যারা সদস্য আছেন।
৯. সদস্যদের প্রদেয় চাঁদা:
১. সদস্যপদ লাভকালে অনুপ্রবেশ ফি হিসেবে প্রাথমিক সদস্যপদ প্রার্থী এককালীন ২০০/- (দুইশত) টাকা, সাধারণ সদস্যপদ প্রার্থী ছাত্র ৫০০/- (পাঁচ শত) টাকা, সাধারণ সদস্যপদ প্রার্থী (প্রবাসী, ব্যবসায়ী ও চাকুরিজীবী) ১০০০/- (এক হাজার) টাকা ও জীবন সদস্যপদ প্রার্থী ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা পরিশোধ করতে হবে।
২. মাসিক ফি:
ক. প্রাথমিক সদস্য ১০/- টাকা। খ. সাধারণ সদস্য (ছাত্র) ১৫/- টাকা। গ. সাধারণ সদস্য (প্রবাসী, ব্যবসায়ী ও চাকুরিজীবী) ৫০/- টাকা।
৩. সদস্যপদ নবায়ন ফি (প্রাথমিক ও সাধারণ সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য) ৩০০/- (তিন শত) টাকা।
৪. সদস্যগণ স্বেচ্ছায় নির্ধারিত চাঁদার অধিক নিয়মিত অতিরিক্ত চাঁদা হিসেবে প্রদান করতে পারবেন।
৫. সদস্যদের অনুপ্রবেশ ফি, চাঁদা বা অনুদানের অর্থ কোনো কারণেই ফেরত যোগ্য নয় । কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত ডেলিগেট ফি নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করতে হবে।
৬. অধিবেশনে যোগদান করতে হলে নির্বাচিত এবং কো-অপ্ট করা সম্মেলনের সদস্যদের প্রত্যেককে কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত ডেলিগেট ফি নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করতে হবে।
১০. সদস্যদের অধিকার ও সুবিধাদি:
১. সাধারণ, জীবন, প্রবাসী, উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক সদস্যদের ভোটাধিকার থাকবে।
২. সাধারণ সদস্যদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার থাকবে।
৩. জীবন, সাধারণ, উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক পরিষদের সদস্যরা নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন পাবেন।
৪. প্রাথমিক, জীবন ও সাধারণ সদস্যদের ১ (এক) বছরের জন্য একটি পরিচয়পত্র (JID Card)
প্রদান করা হবে।
৫. যে কোনো সদস্য সাধারণ সভায় উপস্থিত থেকে ঝিকুটের আয়-ব্যয়ের হিসাব ও বার্ষিক কার্যবিবরণীর উপর গঠনমূলক আলোচনা বা সমালোচনা করতে পারবেন।
৬. প্রাথমিক, সাধারণ ও জীবন সদস্যদের মধ্যে যিনি সর্বোচ্চ সদস্য সংগ্রহ, সর্বোচ্চ অর্থ প্রদান অথবা সর্বোচ্চ সফল কার্যক্রম পরিচালনা করবেন তাকে Best Organizer পদক, সনদ ও সম্মাননা স্মারক দেয়া হবে।
৭. প্রাথমিক, সাধারণ ও জীবন সদস্যগণ উপ-পরিষদে মনোনয়ন পাবেন।
৮. বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ।
আরও পড়ুন ১. ঝিকুট ফাউন্ডেশনের কর্মসূচি
যেসব কর্মসূচি পালিত হয়েছে ও চলমান রয়েছে
১. ফসলি জমি রক্ষায় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন।
২. সাহিত্য সমাজে সমকালীন বাস্তবতা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
৩. সাব সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপিএ ফ্লাইট লে. জামাল উদ্দিন চৌধুরীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত
৪. ঝিকুটপত্র ম্যাগাজিন। ঝিকুটপত্রের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন
৫. ঝিকুটপত্র অনলাইন পোর্টাল। যা দিয়ে মেধাবী মানুষ ও সংগঠকদের লেখা ও পাঠ অভ্যাস তৈরি।
৬. সংগঠন ও সংগঠকদের মাঝে দূরত্ব কমিয়ে আনার লক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দাওয়াতি কার্যক্রম।
৭. ঝিকুট ফাউন্ডেশন শিক্ষাবৃত্তি https://www.jhikutpatra.com/2023/11/11/result
৮. সংগঠক, লেখক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গুণীজনদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ অব্যাহত আছে।
৯. ঝিকুট ফাউন্ডেশন শিক্ষা সেমিনার।