1. tayranabir2@gmail.com : Tayran Abir : Tayran Abir
  2. admin@munshiganjerbarta.com : admin :
  3. sayedhasanafran@gmail.com : Sayed Afran : Sayed Afran
  4. hmalamimkhan@gmail.com : al amin : al amin
  5. mdaniksheikh95@gmail.com : Anik Sheikh : Anik Sheikh
  6. asifbadhon43@gmail.com : Asif Badhan : Asif Badhan
  7. jharnacomputercenter@gmail.com : Barshan Mohammod : Barshan Mohammod
  8. muhammadsibgatullah360@gmail.com : muhammad sibgatullah : muhammad sibgatullah
  9. fjony7699@gmail.com : Forhat Jony : Forhat Jony
  10. lemonrep@gmail.com : Naser Lemon : Naser Lemon
  11. sheikhforidpolok4@gmail.com : Sheikh Polok : Sheikh Polok
  12. rhraju88994@gmail.com : Muhammad Raju : Muhammad Raju
  13. mdsejankhan12345@gmail.com : Md Sejan Khan : Md Sejan Khan
ভোটের আগে ভাঙছে পুরোনো ছক - দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজদিখানে ভূয়া সনদ দিয়ে  গণশিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা করছেন মসজিদের ইমাম মোঃ হারুনুর রশিদ ‎ আগামী বুধবার  মুন্সীগঞ্জে আসছেন বিশিষ্ট ইসলামি বক্তা মোস্তাক ফয়েজী শ্রীনগরে র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি, চাকরিচ্যুত ২ সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ৭ টংগীবাড়ীতে চেতনা নাশক খাবার খাইয়ে মিশুক ছিনতাইয়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ শ্রীনগরে ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শ্রীনগরে সিরাত পাঠ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সাহিত্যবার্তা: বৈচিত্র্যের এক অনন্য মিলনক্ষেত্র শ্রীনগরে নাতিকে আছাড় দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল হওয়া দাদী গ্রেপ্তার মুন্সিগঞ্জে নির্বাচনি দায়িত্বে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন মুন্সিগঞ্জে পুলিশের ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

ভোটের আগে ভাঙছে পুরোনো ছক

দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২২৪ বার পঠিত
election munshiganj

দল নয়, এবার কেন্দ্রে ব্যক্তি, ইস্যু ও শেষ মুহূর্তের হিসাব
আব্দুস সালাম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জে রাজনীতির চেনা দৃশ্য বদলাতে শুরু করেছে। আগের মতো শুধু দলীয় স্লোগান বা কেন্দ্রীয় নির্দেশনা নয়, এবারের নির্বাচনে মাঠে প্রভাব ফেলছে প্রার্থী, ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা এবং স্থানীয় ইস্যু। ফলে জেলার তিনটি আসনেই ভোটের সমীকরণ অনিশ্চিত ও বহুমাত্রিক হয়ে উঠেছে।

সকালের চায়ের আড্ডা থেকে রাতের অনলাইন আলোচনায় একটি প্রশ্নই ঘুরে ফিরে আসছে শেষ পর্যন্ত কাকে বিশ্বাস করবেন ভোটাররা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেক ভোটারই এবার দলীয় আনুগত্যের বাইরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবছেন। যিনি এলাকায় থাকেন, ফোন ধরেন, সমস্যা শুনেন তাঁর দিকেই ঝুঁকছেন ভোটারদের বড় একটি অংশ।

মুন্সীগঞ্জে জাতীয় সংসদের তিনটি আসনের মধ্যে দীর্ঘদিন রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ছিল বিএনপি। তবে এবারের মাঠ ভিন্ন। স্বতন্ত্র প্রার্থী, দলের ভেতরের অসন্তোষ এবং স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সক্রিয়তায় বিএনপির একক আধিপত্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

বিএনপি নির্বাচনী মাঠে সংগঠন চাঙা করার চেষ্টা চালালেও দলটির ভেতরেই একাধিক সমীকরণ কাজ করছে। কোথাও নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব, কোথাও বিদ্রোহী মনোভাব, আবার কোথাও স্থানীয়ভাবে শক্তিশালী স্বতন্ত্র প্রার্থীর কারণে প্রচলিত ভোট ব্যাংক ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।

অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এবার আর নীরব নন। অনেকেই নিজ নিজ এলাকায় সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবকে রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ব্যবসায়িক পরিচিতি, স্থানীয় উন্নয়ন উদ্যোগে সম্পৃক্ততা এবং ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তারা ভোটারদের কাছে পৌঁছাচ্ছেন। ফলে কয়েকটি আসনে ভোটের লড়াই দুই নয়, তিন কিংবা চার ভাগে ভাগ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে ভোটারদের প্রত্যাশায়। স্থানীয় সমস্যা এখন আর গৌণ নয়, বরং সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে। নদীভাঙন, সড়কের বেহাল অবস্থা, কৃষিপণ্যের দাম, হাসপাতালের সেবা, মাদক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি এসব প্রশ্নের বাস্তব সমাধান কে দিতে পারবেন, সেটিই জানতে চান ভোটাররা।

বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা। তারা উন্নয়ন বলতে শুধু অবকাঠামো নয়, কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় এই ভোটাররা প্রার্থীদের বক্তব্য, অতীত ভূমিকা এবং ব্যক্তিগত আচরণ খুঁটিয়ে দেখছেন।

ডিজিটাল প্রচারণা এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পোস্টার বা মাইকিংয়ের পাশাপাশি ফেসবুক লাইভ, ছোট ভিডিও, গ্রাফিক বার্তা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। তবে একই সঙ্গে ভুয়া তথ্য ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগও বাড়ছে, যা প্রশাসনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে শক্ত সংগঠনের পাশাপাশি স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের সক্রিয়তা ভোটের হিসাব জটিল করেছে। মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে উন্নয়ন ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। আর মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে ইউনিয়নভিত্তিক প্রভাব ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতি আগের চেয়ে বেশি দৃশ্যমান।

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে মুন্সীগঞ্জে এবারের লড়াই কোনো একক দলের একচেটিয়া নয়। এটি বিশ্বাস, সক্ষমতা ও শেষ মুহূর্তের কৌশলের প্রতিযোগিতা। শেষ দশ দিনে কারা মাঠে থাকতে পারবেন, কারা ভোটারদের আস্থা ধরে রাখতে পারবেন, সেটিই নির্ধারণ করবে ফলাফল।

মুন্সীগঞ্জের এই নির্বাচন তাই শুধু আসন ভাগের হিসাব নয়; এটি স্থানীয় রাজনীতির নতুন ধারা ও ভোটার মানসিকতার পরিবর্তনের একটি বড় পরীক্ষা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর