
তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী শব্দটির চিরাচরিত সংজ্ঞাকেই আমূল বদলে দিয়েছেন। বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশের সরকার প্রধান হয়েও তিনি প্রটোকলের প্রাচীর ভেঙে বিলাসিতা বিসর্জনের সাধারন মানুষের মতো পথে নেমেছেন। তিনি রাষ্ট্রীয় কোনো বিলাসবহুল গাড়ি বা চালক গ্রহণ করেননি। নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করছেন এবং সেই গাড়ির জ্বালানি খরচও নিজের পকেট থেকে মেটাচ্ছেন যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনন্য উদাহরন। আগে যেখানে ১৩-১৪ টি গাড়ির বহর শহর স্তব্ধ করে দিত, সেখানে তিনি মাত্র ৩-৪টি ছোট বহর নিয়ে পথ চলছেন।
যাতায়াতের সময় রাস্তা বন্ধ রাখা বা পুলিশের সারিবদ্ধ পাহারা তিনি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছেন। তাঁর সাফ কথা “দলমত ধর্ম দর্শন যার যার, রাষ্ট্র সবার।”
সচিবালয়ে সময়মতো অফিসে করছেন যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এমনকি অফিস পৌছে সকলের খোঁজ খবর নিচ্ছেন। আমরা ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি প্রধানমন্ত্রী মানে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁয়ের অফিসে কার্যক্রম। সেখান থেকে তিনি বের হয়ে কৌশলে সকলকে জবাবদিহীতার আওতায় আনছেন।
অফিসে আসার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনি ইশতেহার নিয়ে মন্ত্রীপরিষদের সাথে সিরিয়াস মিটিং করছেন তা বাস্তবায়ন করার জন্য। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড দৃশ্যমান করবেন ঈদের আগে। এমনকি শনিবারও অফিস করবেন সচিবালয়ে। তিনি কাজের প্রতি খুব দায়িত্ববান এটি একটি জ্বলন্ত উদাহরন।
বিএনপি সরকারের মন্ত্রীসভা আমাদের সকলের চিন্তার বাইরে অনেক ভালো হয়েছে। যেখানে ৪১ জন তরুন ও মেধাবী অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৬ মাস পর মন্ত্রীসভার সদস্যদের পারফম্যান্স মূল্যায়ন করে সংযোজন বিয়োজন করে জবাবদিহীতা নিশ্চিত করবেন যা সাধারন জনগন স্বাগত জানিয়েছেন। যে নেতা নিজের আরাম-আয়েশ বিসর্জন দিয়ে সাধারণ মানুষের মতো যানজটে আটকে থেকে অফিস করেন, যিনি রাষ্ট্রের একটি টাকা বাঁচানোর জন্য নিজের পকেটের পয়সায় গাড়ির তেল কেনেন তিনি কেবল একজন প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি একটি জাতির আস্থার শেষ আশ্রয়স্থল।
বিশ্ব গণমাধ্যম এখন অবাক বিস্ময়ে বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে আছে। তারেক রহমান কেবল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি হয়ে উঠছেন বিশ্বজুড়ে মডেল অব সিম্পল লিভিং অ্যান্ড হাই থিংকিং -এর জীবন্ত উদাহরণ। বাংলাদেশ আজ জাগছে, কারণ তার নেতা আজ জাগছে। এটি কেবল পরিবর্তন নয়, এটি একটি নতুন ভোরের সূচনা।