
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় উপদেষ্টা হলেন ১০ জন
স্টাফ রিপোর্টার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে নিরঙ্কুশ বিজয় পাওয়ার পর সরকার গঠন করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানুএর নেতৃত্বে ২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী শপথগ্রহণ করেন। নতুন মন্ত্রিপরিষদে প্রথমবারের সংসদ সদস্য (এমপি) অনেকে মন্ত্রিপরিষদে স্থান পেয়েছেন। তবে নতুন মন্ত্রিপরিষদ থেকে বাদ পড়েছেন জাতীয়তাবাদী দলের একাধিক জ্যেষ্ঠ ও ত্যাগী নেতা।
এ তালিকায় রয়েছেন—দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, আমানউল্লাহ আমান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
এদের মধ্যে শামসুজ্জামান দুদু, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী ব্যতীত বাকিরা পূর্বে বিএনপি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী সরকার পতন ও অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১৮ মাস পর নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত হলো এই সরকার। এসময় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নেতারাও।
এদিকে,মন্ত্রিসভার বাইরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় ১০ জনকে উপদেষ্টার দায়িত্ব দিয়েছেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় উপদেষ্টা হয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল ইসলাম, নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম সম্পাদক ও টেলিভিশন আলোচক জাহেদ উর রহমান, বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখাপাত্র ড. মাহদী আমিন, বিএনপি রিসার্চ অ্যান্ড মনিটরিং সেলের প্রধান রেহান আসিফ আসাদ।