
গজারিয়ায় সরকারি খাল দখল, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে নির্মাণ কাজ বন্ধ হলেও উচ্ছেদ চায় এলাকাবাসী
মো. রাসেল সরকার
গজারিয়ায় প্রবাহমান সরকারি খাল ও জমি প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় অবৈধ ভাবে দখল করে স্থায়ী দোকান নির্মাণের কাজ শুরু হলে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়। তবে বারবার একই স্থানে দখল চেষ্টায় উচ্ছেদের দাবি জানান এলাকাবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের উত্তর ফুলদী দুলাল মার্কেট সংলগ্ন ব্রীজের পাশে সরকারী খালের জমি দখল করে একাধিক দোকান নির্মাণ ও একটি দোকান নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সর্ব প্রথম আয়াত আলীর ছেলে দুলাল মিয়া খাল দখল করে পাঁকা দোকান নির্মাণ করে। পর্যায়ক্রমে শহিদুল্লার ছেলে মোস্তফা মিয়া স্থায়ী দোকান নির্মাণ করে এখন আবার ইদ্রিস মিয়ার ছেলে সুরুজ মিয়া স্থায়ী ভাবে দোকান নির্মাণের জন্য পায়তারা করছে। এদিকে এই নির্মাণ কাজ শুরু হ ওয়ার পর থেকে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিলে স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্মককর্তাদের হস্তক্ষেপে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দখলদাররা।
সরকারি জমি রক্ষায় প্রশাসনিক নজরদারি ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে স্থানীয় একাধিক গ্রামবাসী দাবির নির্মাণ কাজ বন্ধ না করে নির্মাণ করা স্থাপনা উচ্ছেদের।
আব্দুর রহমান নামে এক গ্রামবাসী বলেন, প্রবাহমান খাল দখল কোনোভাবে প্রশ্রয় দেওয়া উচিত না। চক্রটা ক্রমশ খাল দখল করে ফেলছে, তাই দৃশ্যমান আইন প্রয়োগের মাধ্যমে স্থাপনা উচ্ছেদ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।
বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব কাজী রিয়াজ জানান, স্থানীয় পানশারচর গ্রামের সুরুজ মিয়া ও মোস্তফা মিয়া যে ভাবে দোকান নির্মাণ করছে তাতে সরকারী খাল দখল হচ্ছে। বর্ষায় প্রবাহমান পানি বাধাগ্রস্ত হবে, আমরা চাই নির্মাণ করা স্থাপনা উচ্ছেদের।
মোস্তফা মিয়া বলেন, এখানে আমরা জায়গা পাবো। সরকার কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। যদি আমরা সরকারিভাবে জায়গা পাই তাহলে কাজ করবো না হলে কাজ বন্ধ থাকবে।
এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, খালের উপর কোন স্থাপনা নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না, সার্ভেয়ার খালের জায়গা মেপে চিহ্নিত করে দিয়েছে। তাঁরা যদি আবার নির্মাণ কাজ শুরু করে আমরা তা উচ্ছেদ করে দিব।