1. tayranabir2@gmail.com : Tayran Abir : Tayran Abir
  2. admin@munshiganjerbarta.com : admin :
  3. sayedhasanafran@gmail.com : Sayed Afran : Sayed Afran
  4. hmalamimkhan@gmail.com : al amin : al amin
  5. mdaniksheikh95@gmail.com : Anik Sheikh : Anik Sheikh
  6. asifbadhon43@gmail.com : Asif Badhan : Asif Badhan
  7. jharnacomputercenter@gmail.com : Barshan Mohammod : Barshan Mohammod
  8. muhammadsibgatullah360@gmail.com : muhammad sibgatullah : muhammad sibgatullah
  9. fjony7699@gmail.com : Forhat Jony : Forhat Jony
  10. lemonrep@gmail.com : Naser Lemon : Naser Lemon
  11. sheikhforidpolok4@gmail.com : Sheikh Polok : Sheikh Polok
  12. rhraju88994@gmail.com : Muhammad Raju : Muhammad Raju
  13. mdsejankhan12345@gmail.com : Md Sejan Khan : Md Sejan Khan
দুশ্চিন্তায় লৌহজংয়ের আলু চাষীরা - দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজদিখানে ভূয়া সনদ দিয়ে  গণশিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা করছেন মসজিদের ইমাম মোঃ হারুনুর রশিদ ‎ আগামী বুধবার  মুন্সীগঞ্জে আসছেন বিশিষ্ট ইসলামি বক্তা মোস্তাক ফয়েজী শ্রীনগরে র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি, চাকরিচ্যুত ২ সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ৭ টংগীবাড়ীতে চেতনা নাশক খাবার খাইয়ে মিশুক ছিনতাইয়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ শ্রীনগরে ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শ্রীনগরে সিরাত পাঠ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সাহিত্যবার্তা: বৈচিত্র্যের এক অনন্য মিলনক্ষেত্র শ্রীনগরে নাতিকে আছাড় দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল হওয়া দাদী গ্রেপ্তার মুন্সিগঞ্জে নির্বাচনি দায়িত্বে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন মুন্সিগঞ্জে পুলিশের ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

দুশ্চিন্তায় লৌহজংয়ের আলু চাষীরা

দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৮০ বার পঠিত
দুশ্চিন্তায় লৌহজংয়ের আলু চাষীরা

দুশ্চিন্তায় লৌহজংয়ের আলু চাষীরা
স্টাফ রিপোর্টার
বৃহত্তম আলু উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে পরিচিত লৌহজং উপজেলার দিগন্তজোড়া মাঠ এখন সবুজ আলু গাছে ছেয়ে গেছে, কৃষক-কৃষাণীরা দিনরাত পরিশ্রম করে ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন এবং এ অঞ্চলের প্রধান অর্থকরী ফসল আলু ঘিরেই ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন তারা, তবে ফলন ভালো হওয়ার জোর সম্ভাবনা থাকলেও কৃষকদের মুখে হাসি নেই, কারণ বাজার দরের অনিশ্চয়তা; গত মৌসুমে আলুর দাম ধস নামায় অধিকাংশ কৃষক লোকসানে পড়ে পুঁজি হারিয়েছেন এবং সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আশায় এবারও চড়া দামে সার, বীজ ও অন্যান্য উপকরণ কিনে চাষাবাদ করছেন। বর্তমানে আলু ক্ষেতে চলছে নিবিড় পরিচর্যা, কোথাও পানি সেচ, কোথাও আগাছা পরিষ্কার, আবার কোথাও রোগবালাই দমনে নিয়মিত ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে, উত্তরবঙ্গের রংপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারী ও ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নারী-পুরুষ শ্রমিকরা এ কর্মযজ্ঞে অংশ নিচ্ছেন এবং চলতি মাসের শেষের দিকে আলু উত্তোলন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩ হাজার ১০৯ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে; কৃষকদের হিসাবে প্রতি কানি (১৪০ শতাংশ) জমিতে আলু চাষে খরচ পড়েছে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যার মধ্যে জমির ভাড়া ৭০ হাজার, বীজ আলু ৪৫ হাজার, সার ৩০ হাজার, জমি চাষ ১৫ হাজার, রোপণ শ্রমিক ৩০ হাজার, উত্তোলন ব্যয় ২০ হাজার এবং সেচ, কীটনাশক ও নিড়ানি ৩০ হাজার টাকা, এই হিসাবে প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ দাঁড়াচ্ছে ১৫ টাকা ৬২ পয়সা এবং এক কানি জমি থেকে গড়ে ৪০০ মণ বা প্রায় ১৬ মেট্রিক টন (১৬ হাজার কেজি) আলু উৎপাদনের আশা করছেন কৃষকরা। বর্তমানে বাজারে নতুন আলু পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ১০ টাকা কেজি দরে, ফলে উৎপাদন খরচ ওঠানো নিয়েই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন প্রান্তিক ও বর্গাচাষিরা, অনেকেই ব্যাংক ঋণ নিয়ে চাষ করেছেন; হাড়িদিয়া গ্রামের কৃষক কার্তিক দাস জানান, গত বছর ১৫ একর জমিতে আলু আবাদ করে উৎপাদন ও সংরক্ষণ মিলিয়ে কেজিপ্রতি খরচ হয়েছিল ২৬ টাকা, অথচ বিক্রি করতে হয়েছে মাত্র ৮ টাকায়, ভয়াবহ লোকসানের পরও চলতি মৌসুমে ১০ একর জমিতে চাষ করেছেন তিনি এবং বাজারমূল্য নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তায় আছেন; কৃষক জসীম শেখ বলেন, কারেন্ট পোকার আক্রমণে অনেক জমিতে গাছ পচে যাচ্ছে এবং ওষুধ প্রয়োগ করেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছে না। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে আলু চাষিদের রক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, যেমন সরকারিভাবে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে আলু ক্রয়ের ব্যবস্থা, উদ্বৃত্ত আলু রপ্তানির সুযোগ বৃদ্ধি, কোল্ড স্টোরেজে নজরদারি জোরদার এবং পাইকারি বাজারে কৃত্রিম সংকট রোধে কঠোর মনিটরিং; উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হাসান উদ দৌলা জানান, বর্তমানে রোদের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকায় গাছের লালচে ভাব কমে আসছে এবং প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে এ বছর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে, এখন দেখার বিষয় বাজার মূল্য কৃষকদের মুখে হাসি ফেরাতে পারে কি না।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর