
মিলন হাওলাদার :
মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার বৌলতলী ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামের সন্তান লিটল রানা। ২০০৪ সালে জন্ম নেওয়া এই তরুণ ফুটবলার ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও অদম্য আগ্রহ নিয়ে বেড়ে উঠেছেন। স্থানীয় ফুটবলে নিজের দক্ষতা, নেতৃত্ব ও পরিশ্রমের মাধ্যমে ইতোমধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।লিটল রানার বাবা মতি শেখ এবং মা নাছিমা বেগম। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলকে ভালোবেসে মাঠে ছুটে চলা রানার পথচলা ছিল নানা প্রতিকূলতায় ভরা। তবে সেই প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে চলেছেন তিনি।রানার ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিজানের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি রানার ছিল আলাদা টান। বৌলতলী ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় একজন দক্ষ ও পরিচিত ফুটবলার হিসেবে রয়েছে তাঁর সুনাম।২০১৯ সালে নিজের নেতৃত্বে ইউনিয়ন কাপের শিরোপা বৌলতলী ইউনিয়নের ঘরে তুলে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন লিটল রানা। তাঁর নেতৃত্ব, মাঠের কৌশল ও দলের প্রতি দায়িত্বশীলতায় সেবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে বৌলতলী ইউনিয়ন।শুধু খেলোয়াড় হিসেবে নয়, কোচ হিসেবেও নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন রানা। চলতি বছর বৌলতলী ইউনিয়নকে চ্যাম্পিয়ন করার পেছনেও কোচ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।বন্ধু মিজানের ভাষ্য, “ফুটবল রানার কাছে শুধু একটি খেলা নয়; এটি তাঁর ভালোবাসা, আবেগ ও স্বপ্ন।” মাঠে তাঁর নেতৃত্ব, কঠোর পরিশ্রম ও ফুটবলের প্রতি নিবেদনই তাঁকে এলাকার মানুষের কাছে পরিচিত ও প্রিয় করে তুলেছে।স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তাই তিনি শুধু লিটল রানা নন—‘অপরাজেয় লিটল রানা’ নামেই যেন তাঁর আলাদা পরিচয় তৈরি হয়েছে।তরুণ এই ফুটবলারের স্বপ্ন আরও বড় পরিসরে ফুটবল খেলা এবং নিজের প্রতিভাকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরা। স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা, সঠিক সুযোগ ও সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে মুন্সিগঞ্জের ফুটবলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন লিটল রানা।