
আসাদউজ্জামান:
লৌহজং উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের কাটারিভোগ ধানচাষ করে কৃষকের মাথায় হাত দেয়ার অবস্থা হয়েছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লৌহজং উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের পালগাও গ্রামে ধান চাষ করেছেন কৃষাণ-কৃষাণি। শ্রমিক দিয়ে ধান কাটা ও পরিবহন করে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য ও দেখা গেছে।
জানাযায়, আজাহার আলী (৫০) রংপুর জেলার বাসিন্দা লৌহজং উপজেলায় গাঁওদিয়া ইউনিয়নে তার বসবাস প্রায় ২০ বছর যাবত। গাঁওদিয়া ইউনিয়নে পালগাও গ্রামে ৯৮ শতক জমিতে কাটারিভোগ ধানচাষ করেছেন তিনি। এতে জমিতে চাষ,ধান রোপণ, জৈব সার, পানি দেওয়া, কৃষক ও দিনমজুরদের দিয়ে ধান কাটা ও বাড়িতে পৌঁছানো পর্যন্ত খরচ হয়ে যাবে প্রায় এক লক্ষ টাকা। ৯৮ শতক জায়গায় ধান পাবেন ৭০ মন। এতে প্রায় ২০-৩০ হাজার টাকা ভর্তুকি দিতে হবে কৃষক আজহার আলীকে।কিভাবে অতিরিক্ত টাকার ঋণ শোধ করবে এই চিন্তায় কৃষকের মাথায় হাত। পানি সেচ দেওয়ার জন্য তেলের মূল্য ১১০ টাকা, জৈব সার বস্তা ১৫ শত টাকা, ১৪ শত টাকা ও ১৩ শত টাকা। যা গত বছরেরতে বস্তায় একশত টাকা করে বৃদ্ধি দিয়ে জৈব সার প্রয়োগ করতে হয়েছে। এবং গত বছর ৫৯ টাকা লিটার ডিজেল পাওয়া গেছে এখন ডিজেলের মূল্য ১১০ টাকা। এতে লাভ থেকে ক্ষতি সংখ্যা বেড়েছে। সরকারি কোন ধরনের সহযোগিতা যদি পেতাম তাহলে হয়তো কিছুটা উপকৃত হতাম। তাই সরকারের কাছে আবেদন যেন আমাদের সার, বিজ ও তেলের দাম কমিয়ে কৃষকদের বাঁচার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।