1. tayranabir2@gmail.com : Tayran Abir : Tayran Abir
  2. admin@munshiganjerbarta.com : admin :
  3. sayedhasanafran@gmail.com : Sayed Afran : Sayed Afran
  4. hmalamimkhan@gmail.com : al amin : al amin
  5. mdaniksheikh95@gmail.com : Anik Sheikh : Anik Sheikh
  6. asifbadhon43@gmail.com : Asif Badhan : Asif Badhan
  7. jharnacomputercenter@gmail.com : Barshan Mohammod : Barshan Mohammod
  8. muhammadsibgatullah360@gmail.com : muhammad sibgatullah : muhammad sibgatullah
  9. fjony7699@gmail.com : Forhat Jony : Forhat Jony
  10. lemonrep@gmail.com : Naser Lemon : Naser Lemon
  11. sheikhforidpolok4@gmail.com : Sheikh Polok : Sheikh Polok
  12. rhraju88994@gmail.com : Muhammad Raju : Muhammad Raju
  13. mdsejankhan12345@gmail.com : Md Sejan Khan : Md Sejan Khan
ভেষজ বিজ্ঞানী সৈয়দ টিপু সুলতান - দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজদিখানে ভূয়া সনদ দিয়ে  গণশিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা করছেন মসজিদের ইমাম মোঃ হারুনুর রশিদ ‎ আগামী বুধবার  মুন্সীগঞ্জে আসছেন বিশিষ্ট ইসলামি বক্তা মোস্তাক ফয়েজী শ্রীনগরে র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি, চাকরিচ্যুত ২ সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ৭ টংগীবাড়ীতে চেতনা নাশক খাবার খাইয়ে মিশুক ছিনতাইয়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ শ্রীনগরে ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শ্রীনগরে সিরাত পাঠ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সাহিত্যবার্তা: বৈচিত্র্যের এক অনন্য মিলনক্ষেত্র শ্রীনগরে নাতিকে আছাড় দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল হওয়া দাদী গ্রেপ্তার মুন্সিগঞ্জে নির্বাচনি দায়িত্বে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন মুন্সিগঞ্জে পুলিশের ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

ভেষজ বিজ্ঞানী সৈয়দ টিপু সুলতান

দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ জুন, ২০২৫
  • ৪৬৮ বার পঠিত

আশরাফ ইকবাল:
বাংলাদেশকে মরুকরণের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য যিনি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সেমিনারে অংশ নিয়ে টিপাইমুখ বাঁধের বিরুপ প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা তুলে ধরছেন তিনি হলেন সৈয়দ টিপু সুলতান। ক্যান্সারের যন্ত্রণা লাঘব করার জন্য সারা বাংলাদেশে একমাত্র মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কুসুমপুর গ্রামের তানিয়া বাগানে প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেন্টারের প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। এই মহা মানব ইছামতি, ধলেশ্বরী, পদ্মা বিধৌত ঐতিহ্যবাহী বিক্রমপুরের কুসুমপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৫২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সৈয়দ মোজাম্মেল হোসেন তৎকালীন ভারতে মুসলিমলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসীতে মাষ্টার্স করে যুক্তরাষ্ট্রে R.Ph ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে চাকুরীর পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক সেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে লেখালেখি চর্চা অব্যাহত রাখেন। আমেরিকায় বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলাদেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্যে ১৯৯০ সালে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কালচারাল সেন্টার (Bangladesh Cultural Center) প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও FOBANA (Fedaration Of Bangladeshi Association in North Amerika)র দ্বিতীয় সম্মেলনের সদস্য সচিব, বাংলাদেশ সোসাইটি নিউইয়র্কের নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দু’বার দায়িত্ব পালন করেন। Dhaka University Alumnae Association এরও নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। দেশের বাহিরে প্রথম আর্ট গ্যালারী Bangladeshi America Art Gallery’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। প্রতি বছর তিনি পরিবেশ সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য ফেলোশীপ প্রদান করেন। বাংলাদেশের নদ-নদী ও পরিবেশের বেহাল অবস্তা তুলে ধরার জন্য তিনিই সর্বপ্রথম প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে একটি সেল গঠন করছেন। বিগত ৩০ বছর যাবত মুন্সিগঞ্জ জেলা ভিত্তিক মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বই ও বৃত্তি প্রদান করে আসছেন। দেশে বিভিন্ন শিক্ষাবৃত্তি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করাসহ স্থানীয় সিরাজদিখান উপজেলার কুসুমপুর জাগরণী সংসদের ভবন, জাগরণী ডায়াবেটিক সেন্টার, জাগরণী পাঠাগার, মাদরাসা, স্কুল, কলেজসহ সিরাজদিখান উপজেলা ও মুন্সিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তাঁর প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- ১. স্মৃতি, রহস্য, অন্বেষণা দেশে-প্রবাসে, ২. স্মৃতি, রহস্য, অন্বেষণা দেশে-প্রবাসে-২, ৩. আমাজান অরণ্য ও নদী রহস্যঘেরা এক সবুজ পৃথিবী, ৪. কুয়াশার উষ্ণতা (কাব্য), ৫. চাঁদে বাসর (কাব্য), ৬. লংমার্চ কানসার্ট থেকে চিলমারী বন্দর, ৭. A movement in pursuit of resolving water & environmental problem in South Asia, এবং 8. The First Bangladeshi American Art Gallery abroad। এছাড়া তিনি নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন সাপ্তাহিক ও সাহিত্য পত্রিকায় কবিতা, প্রবন্ধ, গবেষণামূলক নিবন্ধ লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন ও সম্মেলনের সাথে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

মানবিক সংগঠন Humanity Without Border’ এর প্রধান উপদেষ্টা ও ICAB (International Council for Advancement of Bangladesh) এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইসূতে সম্পৃক্ত থাকাসহ আর্সেনিক বিষয়ে সচেতনতা, ঠোঁটকাটা চিকিৎসা প্রকল্প, চক্ষু শিবিরসহ সেবামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশকে মরুকরণের হাত থেকে রক্ষা করার প্রয়াসে ২০০৫ সালের ৪মার্চ, কুড়িগ্রামের চিলমারী বন্দরে ঐতিহাসিক লংমার্চ সংগঠিত ও পরিচালনা করেন। তিনি নদী ও পানির ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রবাস থেকে সংগঠিত আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির চেয়াম্যান। তার এই কাজকে সম্প্রসারিত করার জন্য চীন, নেপাল, ভারত, ফ্রান্সসহ অর্ধশতাধিক দেশ পরিভ্রমণ করেন। ২০১২ সালের মার্চ মাসের ৫ তারিখে টিপাইমুখ বাঁধ ও ভারত কর্তৃক আন্তঃনদী প্রকল্প বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে বিশ্বব্যাংক ও ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে বিশ্ব ব্যাংক, ভারতীয় দূতাবাস, আইএফএম ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। একই ইসুতে প্রবাসীদের তরফ থেকে তিনি বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল সামসুল হকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এছাড়া তিনি এ বিষয়টি জাতি সংঘ, বিশ্ব ব্যাংক, হোয়াইট হাউজকে অনেক পূর্বেই অবহিত করেন। বাংলাদেশের প্রায় ৮ কোটি মানুষকে আর্সেনিকে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষার্থে প্রায় ২ যুগ ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য যে, মরা নদী অঞ্চলে এর প্রকোপ অধিক। যেমন হুগলি অববাহিকা ও পদ্মা অববাহিকায় বর্তমানে ব্যাপক আর্সেনিক বিষক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তেমনি বরাক নদীর উপর ড্যাম/ব্যারেজ তৈরি হলে মেঘনা অববাহিকায় ও আর্সেনিক দূষণ দেখা দিবে। যুগ যুগ ধরে জমাকৃত পলিমাটিতে পলিবাহিত ‘আর্সেনোপাইরাইট রয়েছে। যতদিন পানি নীচে থাকে ততদিন নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে। পানি শুকিয়ে গেলে অথবা পানির স্তর নীচে নামলে এই খনিজ পদার্থটি বাতাসের অক্সিজেনের সাথে মিশে পানিতে দ্রবনীয় আর্সেনিকের বিষাক্ত যৌগিক পদার্থ তৈরী করে। ধীরে ধীরে এই বিষাক্ত পদার্থের ভূগর্ভের পানিতে পরিবর্তন ঘটে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নীচে না নামলেও স্বাভাবিক পূনর্ভরণ প্রক্রিয়া চলমান থাকলে এই দূষণ ঘটতে পারে না। একদিকে মরণ বাঁধ ফারাক্কা, অন্যদিকে তিস্তার উপরে গজলডোবা, ব্রক্ষ্মপুত্রের উপর আন্তঃনদী সংযোগ পরিকল্পনা আর ‘মরার উপর খারার ঘাঁ’ টিপাইমুখ বাঁধ যদি হয় তবে দেশের ৮০ ভাগ জনগণই আর্সেনিকে আক্রান্ত হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। তাঁর রচনা ও প্রযোজনা এবং মমতাজের গাওয়া একটি ভিডিওচিত্রে আর্সেনিকের হাত থেকে রক্ষার উপায় অত্যন্ত গঠন মূলক ও নান্দনিকভাবে তুলে ধরেন। ভিডিওচিত্রটি দেখার জন্য যে কোনো সার্চ ইঞ্জিন (Google, Yahoo, Youtuibe etc) থেকে টাইপ করুন Arsenic song or Sayed Tipu Sultan|
Links:- www.farakkacommittee.com, www.touchingsoulsintl.org, www.baartgallery.com

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর