
আল আমিনঃ
গজারিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ও ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কে অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার কোথাও এখন আর পায়ে চালিত রিকশা নেই। প্রায় হাজারের ওপর ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলছে সেখানে। দ্রুত গতি,অনভিজ্ঞ ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক অটোরিকশা চালকদের কারণে হরহামেশাই ঘটছে দুর্ঘটনা।
এছাড়াও উপজেলাজুড়ে চলা অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত এই দ্রুত গতির অটোরিকাশায় প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা, আহত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
বিষয়টি নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথা নেই। অথচ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই ইচ্ছামতো অবৈধ ব্যাটারি চালিত এই অটোরিকশা নামাচ্ছে মালিকপক্ষ। পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো ধরনের বাধা না থাকায় অনেকেই এতে উৎসাহিত হচ্ছে। জানা যায়, ২০১৫ সালে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা অবৈধ ঘোষণা করা হয়। ব্যাটারি চালিত রিকশায় অতিরিক্ত ঝুঁকি থাকায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকেও দেওয়া হয়নি অনুমোদন।
বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাধারণত দ্রুতগতির গাড়িগুলো যে কাঠামোতে তৈরি করা হয়, একটি হালকা রিকশার মধ্যে শুধু মোটর লাগিয়ে দিলেই সেটি এত গতিতে চলার যোগ্যতা অর্জন করে না। যার জন্য দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে। চালকরা জানে না যে, কত জোরে চালালে দুর্ঘটনা ঘটবে না। অথবা রিকশাটি কত জোরে চলার ক্ষমতা রাখে। দেখা যায়, গতিসম্পন্ন মোটর লাগানো থাকলেও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রেক কিন্তু সাধারণ রিকশার মতোই। তাই জোরে এসে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার কারণে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।