
অনিক শেখ:
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আড়িয়ল ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ড ও ২ নং ওয়ার্ডে পশ্চিম আড়িয়ল, দাসপাড়া, সানবাড়ি, বিলেরপাড় গ্রামগুলো অবস্থিত। এই গ্রামে যাওয়ার সড়ক মাত্র একটি। এই সড়ক দিয়ে পাশের কয়েকটি গ্রামেও যাওয়া যায়। প্রায় ৩/৪ হাজার মানুষের চলাচলের পথ এটি। গ্রামগুলো থেকে মাত্র এক/দুই কিলোমিটার দুরে প্রাইমারি স্কুল, উচ্চ বিদ্যালয় সহ একাধিক মাদ্রাসা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা শীত মৌসুমে পায়ে হেটে যেতে পারলেও কাদা আর ভাঙ্গনের কারনে গ্রীষ্ম, বর্ষা মৌসুমে এই পথে চলাচল করতে পারেনা। এছাড়াও গ্রামগুলোতে একাধিক মুরগির খামার রয়েছে। যেখানে প্রায় ১০,০০০ মুরগী পালন করা হয়। এজন্য এই গ্রামে পিকাপ, ট্রাক প্রবেশ জরুরী হলেও তা প্রবেশ করতে পারছেনা। গ্রামের মানুষের সহযোগিতায় পুরোনো বিল্ডিং এর ভাঙ্গা ইট সুরকি ফেলে কোনও রকমে এই খানাখন্দ সড়কেই যাতায়াত করতে হচ্ছে হাজার হাজার পথচারির। পশ্চিম আড়িয়ল মৃত ফরিদ উদ্দিন শেখ এর বাড়ি হইতে সানবাড়ি হয়ে বিলেরপাড় হাসেম বেপারী বাড়ি পর্যন্ত আনুমানিক মাত্র ২.৫ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার হলে ভাগ্য বদলে যাবে চারটি গ্রামের।
রাস্তা গর্ত ও ভেঙ্গে যাওয়ায় বর্তমানে কোনো গাড়ি গ্রামটিতে প্রবেশ করতে চায় না। কেও অসুস্থ্য হলে খাটিয়াতে করে আনা নেয়া ছারা গ্রামের অধিবাসীদের ভোগান্তি ক্রমশই বেড়েই যাচ্ছে। এছাড়াও প্রাইমারি স্কুলের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়। তারা অনেক কষ্ট করে হেঁটে হেঁটে স্কুলে যায়। তাই রাস্তাটি সংস্কার করা প্রয়োজন। এই বিষয়ে সানবাড়ির বাসিন্দা ময়েজ খলিফা বলেন আমরা গ্রামবাসি মিলে সড়কটির নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলাম এক যুগেরও বেশি আগে। সরকার থেকে ২/১বার সংস্কার কাজ হলেও সেগুলো তেমন কোনও কাজে আসেনি।
আড়িয়ল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো.জামাল হোসেন বলেন সড়কটি সংস্কার না হওয়ার কারনে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে আমি এই ব্যপারে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নিতে আলোচনা করবো।