
নিজস্ব প্রতিবেদক :
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার স্যার জগদীশচন্দ্র বসু ইনস্টিটিউশন ও কলেজ থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি বই চোরাই ভাবে একটি পিকআপ ভ্যানে বিক্রি করার সময়ে। ছাত্রদের হাতে আটক হয় বই ভর্তি পিকআপ ভ্যান, পরবর্তীতে অবস্থা অনুরূপ না দেখে পিকআপটি ঘুরিয়ে কলেজের ভিতরে এনে বইগুলো পিক আপ থেকে নামানোর চেষ্টা করা হয়।
এই সময় ঘটনাস্থলে সাংবাদিক উপস্থিত হলে অবস্থা বুঝে সটকে পড়েন জড়িত শিক্ষকরা ।
বই আটককৃত ছাত্ররা জানান, কলেজ থেকে ত্রিরপাল মোড়ানো একটি পিকআপ বের হলে তাদের সন্দেহ হয় স্কুল থেকে কি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
পক্ষান্তরে তারা পিকআপ থামিয়ে ত্রিরপাল খুলতেই ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে বিগত বছরের নতুন সব বই। পরবর্তীতে সাংবাদিক উপস্থিত হলে শিক্ষকরা সটকে পড়েন ।
জেলা শিক্ষা অফিসার মো: ইসমাইল হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ হলে তিনি জানান সরকারি বই তাদের বিক্রি করার কোন এখতিয়ার নেই এটি আইনগত ভাবে অবৈধ। এবং এ বিষয়ে তারা পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
কিছুক্ষণের মধ্যেই উপজেলা অফিস থেকে একাডেমিক সুপারভাইজার প্রদীপ পাল কে সেখানে পাঠানো হয়। তিনি ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে জানান এগুলো আইনগতভাবে স্কুল থেকে বিক্রি করার কোন নিয়ম নেই। অবৈধভাবে এই বই বিক্রি হইতেছি। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত সবার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
অন্যদিকে প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে বিক্রির কথা জানালেও প্রধান শিক্ষক স্বীকার করছেন না বই বিক্রির কথা। তবে প্রধান শিক্ষকের সামনেই অপর দুই শিক্ষক জানান প্রদান শিক্ষকের সম্মতিতেই বিক্রি হচ্ছিল এই বই। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় প্রধান শিক্ষকের তত্ত্বাবধানেই বিক্রি হচ্ছিল এই বই।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিনউদ্দিন এর সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি জানান ঘটনাটি তিনি জেনেছেন তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে তবে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি তিনি।