
মো. খায়রুল ইসলাম হৃদয় :
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার মেঘনা নদীতে রাতে এবং ভোরবেলা দুই দফা ডাকাতির চেষ্টায় ৩নৌ- ডাকাত আটক করে।ককটেল বিস্ফোরণে একজনের হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হবার খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার (১৬আগষ্ট) রাত আনুমানিক ৩ঘটিকায় উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের ভাটি বলাকী এলাকাল বলগেট ডাকাতির উদ্দেশ্যে রাতে প্রথম দফায় এবং সকাল আনুমানিক ৭ঘটিকায় দ্বিতীয় দফায় দেশীয় অস্ত্র ও ককটেলসহ ডাকাত দল হামলা চালায়।
এ সময় স্থানীয়রা গ্রামবাসী ধাওয়া দিলে ডাকাতরা ককটেল বিস্ফোরণের চেষ্টা করে দুই গ্রামবাসীকে আহত করে। গ্রামবাসীকে প্রতিহত করতে ক্রমাবর্ষ
ককটেল ফুঁটাতে গিয়ে ডাকাত দলের এক ডাকাত সদস্যের হাতে ককটেল বিস্ফোরিত হয়, এতে ঐ ডাকাতের হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বলে জানা যায়। পরে এলাকাবাসী তিন ডাকাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।এর মধ্যে হাতে ককটেল বিস্ফোরিত হয়ে কব্জি বিচ্ছিন্ন হওয়া ডাকাত নারায়নগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ভাটি বলাকির মোঃ সুজন খাঁন সজল জানান,আমরা নদী বেষ্টিত ভাটি বলাকী গ্রামের মানুষ সব সময় ডাকাতি প্রতিরোধে প্রস্তুত থাকে,রাতে ও সকালে গ্রামবাসী সম্মিলিত ভাবে ডাকাতদের মোকাবিলা করি।এ সময় হাতে ককটেল বিস্ফোরিত হওয়া ডাকাতের অবস্থা আশংকাজনক ছিল,দুইজন গ্রামবাসী ডাকাতদের হামলায় গুরুতর আহত হন,যাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ হয়েছে।
আহত গ্রামবাসী হলেন মো: আলম(৩৭)পিতা:এছাক বেপারী ও সোহাগ ক১৬)পিতা:রাসেল বেপারী গ্রাম: ভাটি বলাকী, উপজেলা:গজারিয়া জেলা: মুন্সীগঞ্জ।
মেঘনা নদী মুন্সীগঞ্জ,নারায়গঞ্জ সহ আরো কয়েকটি জেলার সঙ্গে সংযুক্ত।যদিও ডাকাত দল মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দি ইউনিয়নের ভাটি বলাকিতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে দুই দফা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।হামলার সময় গ্রামবাসী ট্রলার নিয়ে নদীতে চতুর্দিক থেকে ডাকাতদের কোনঠাসা করার চেষ্টা করলে ডাকাত দল পাল্টা গ্রামবাসীর দিকে আক্রমণ করতে থাকে।একপর্যায়ে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া অংশের মেঘনা নদী থেকে সোনারগাঁও উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় চলে যায় ডাকাত দল।সেখান থেকে স্থানীয়রা ৩ ডাকাত কে আটক করে সোনারগাঁও নৌ পুলিশের হাতে তুলি দেয়।
বিষয় টা নিয়ে নারায়নগঞ্জ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ সালেহ আহমেদ পাঠান জানান,আমরা তিন নৌ ডাকাত মুমূর্ষু অবস্থায় আটক করে না:গঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে আসি, চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যান, অপর দুই জনের অবস্থাও আশংকাজনক,মুমূর্ষু থাকায় তাঁরা কথা বলতে পারছে না,তাই এখনো নাম ঠিকানা পাওয়া যায় নাই।তবে পুলিশের বিশেষ শাখার পিবিআই দল আসার খবর পাওয়া গেছে।যেহেতু ডাকাতরা কথা বলার অবস্থায় নেই সেজন্য হাতের ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে তাদের পরিচয় সনাক্তের চেষ্টা করবে।