মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ট্রেইলার ট্রাকের ধাক্কা শারাফাত রহমান(৬) এক শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে,ফেঁপে,ফুঁসে, এক থমথমে আকার বিরাজ করে আসছিন গত দুই দিন ধরে হোসেন্দি ইউনিয়নের জামালদি এলাকায় মানুষের মাঝে।
আজ শনিবার সকাল ১১ টায় নিহত শিশু শিক্ষার্থী শারাফাত এর মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ ও আসামি সঠিক বিচার, ইউনিয়নের জামালদি স্টান্ড থেকে হোসেন্দি বাজার পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার,ড্রেনেজ ব্যবস্থা,সকাল ৬টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত কোম্পানির ভাবি কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে কিংবা বাহির হতে পারবেনা,রাস্তাটি সংস্কার করতে হবে কোম্পানি গুলোর। এ ৫ দফা দাবি নিয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল,মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেন হোসেন্দি ইউনিয়নের সর্বস্তরের ব্যানাবে।সেখানে প্রতিনিধিত্ব করেন ছাত্র সমাজ,এ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দৃশ্যমান ছিল।
তারা এ ৫টি দাবি নিয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের জামালদি স্টান্ড থেকে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইট পর্যন্ত গিয়ে মহা সড়ক অবরোধ করলে মূহুর্তেই ঢাকাগামী রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়।পরে পুলিশ প্রশাসন এসে তাদের কে মহাসড়ক থেকে সড়িয়ে দেয়।
মহাসড়ক থেকে নেমে গিয়ে জামালদি স্টান্ডের তিন রাস্তার মোড়ে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ সভা করেন।এ সময় বক্তারা বলেন তাদের ৫ টি দাবি আগামী ৭ দিনের মধ্যে না মানা হলে,কঠোর থেকে কঠোর অবস্থানে যাবার হুশিয়ারী দেন।
প্রসঙ্গ,গেল ৭ আগষ্ট সকাল আনুমানিক সাড়ে ১১ টায় উপজেলার হোসেন্দি ইউনিয়নের জামালদি এলাকায় সামুদা কেমিক্যাল কোম্পানির মালামাল দিয়ে যাবার পথে একটি ট্রেইলার ট্রাক গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দেওয়ালে ধাক্কা দিলে দেওয়াল ধসে এক শিশু শিক্ষার্থী নিহত হয়,অপর আরেক শিক্ষার্থী গুরুত্বর আহত হয়ে এখনও চিকিৎসা নিচ্ছে।এ বিষয়ে সামুদা কেমিক্যাল কোম্পানি কোনো প্রকাশ কর্নপাত করছে না।সামুদা ছাড়াও হোসেন্দি ইউনিয়নে অন্তত ১০ টি কোম্পানি রয়েছে।কোনোটির ট্রেডলাইসেন্স নেই,কোনোটির ছাড়পত্র নেই,কোনো টির পরিবেশ পত্র নেই ইত্যাদি।
উক্ত মানববন্ধন হোসেন্দি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকের ব্যানারে হলেও ছাত্র সমাজের,সুজন,সাইফুল,ফয়সাল,জিতু,হিমেল,এদেরভূমিকা ছিল দৃশ্যমান।