
মো. খায়রুল ইসলাম হৃদয় : মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় মর্টার শেল ধ্বংসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকতে চায় বিএনপি।তারই প্রেক্ষিতে সোমবার(১২ মে)বিকেলে গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও আশরাফুল আলম এর কার্যালয়ে গজারিয়া উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক সৈয়দ সিদ্দিক উল্লাহ ফরিদ সহ জেলা উপজেলার বিএনপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত হয়ে উক্ত বিষয়ে প্রস্তাব করেন। নেতাকর্মীরা জানায়,জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব মহিউদ্দিন আহমেদের নির্দেশে তারা উপজেলা বিএনপি ঘটনার পরের দিন সরজমিনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খুঁজখবর নিয়েছেন।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মহিউদ্দিন আহমেদের পক্ষ থেকে ২ লাখ টাকা ইউএনও’র মাধ্যমে মর্টার শেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে মধ্যে বিতরণ জন্য এসেছেন। গজারিয়া উপজেলা আহ্বায়ক সৈয়দ সিদ্দিক উল্লাহ ফরিদ আরো বলেন,আমরা উপজেলা বিএনপি থেকেও চেষ্টা করবো তাদের পাশে দাড়াতে। নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম জানায়,ঘটনার পরদিন তারা ক্ষতিগ্রস্ত কতটি পরিবার, ক্ষয়,ক্ষতির পরিমান জানার জন্য ইউপি সচিব সহ ৪জন স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এবং উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়ে ৭ সদস্য একটি কমিটি করা হয়।তারা গত ১০ মে আমার কাছে প্রতিবেদন জমা দেন।তাদের তালিকায় বড় ছোট সহ ৬৬ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার রয়েছে।সকলে জানেন সরকারি সহায়তা ক্ষতিগস্তের জন্য সামান্য পরিমাণের হয়।আপনারা এগিয়ে এসেছেন এতে অন্ততঃ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো একটু ভালো থাকতে পারে,তাদের পাশে দাড়াতে পারবেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন যুবদলের ঢাকা বিভাগের সাবেক সহ সভাপতি মজিবুর রহমান,গজারিয়া উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক মুকবুল আহম্মেদ রতন, যুগ্ম-আহব্বায়ক গজারিয়া উপজেলা বিএনপি আহসান উল্লাহ, যুগ্ম-আহব্বায়ক মাহবুবুল আলম খান গজারিয়া উপজেলা বিএনপি, সভাপতি, হোসেন্দী ইউনিয়ন বিএনপি,বোরহান ভুইয়া, যুগ্ম-আহব্বায়ক গজারিয়া উপজেলা বিএনপি,মোতাহার হোসেন জাহাঙ্গীর সাবেক কমিশনার,আমিনুল ইসলাম জসীম সাবেক সভাপতি,মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদল, গজারিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব নাদিম মাহমুদ অপু প্রমূখ। প্রসঙ্গ,গেল (২৯ এপ্রিল)মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের আড়ালিয়া গ্রামে উদ্ধার হওয়া মর্টার শেলটি ধ্বংস করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা। ওই গ্রামে মসজিদ সংলগ্ন হানিফার জমিতে মর্টারশেলটি বিস্ফোরণ ঘটান তারা। এ সময় বিকট শব্দে কেঁপে উঠে আশপাশের গ্রাম। সে সময় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটা বেশি ছিল প্রায় তিনশো মিটার দূরের দোকানের প্রায় সব কিছু উড়ে যায়। শুধু তাই নয় আশপাশের অন্তত ৫০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মসজিদ ও বিল্ডিং-এ ফাটল ধরেছে। তীব্র শব্দে মারা গেছে গোয়ালে থাকা গরু বাছুর।