
মো. খায়রুল ইসলাম হৃদয়:
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বসতঘর আগুনে পুড়ে যায় । তবে ভুক্তভোগী ঘর মালিকের দাবি পরিকল্পিতভাবে ঘরে আগুন দিয়ে পুড়ে ফেলা হয়েছে। এতে সাড়ে তিন লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ঘড়ের মালিক
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত প্রায় একটার দিকে উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়ন এর টেংগারচর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
ঘটনার বিষয়ে স্হানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, বসতঘরটির মালিক মৃত আব্দুল বাসেত সরকারের ছেলে টেংগারচর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান হোসেনের। ব্যবসার সাথে জড়িত বিধায় সে তার পরিবার নিয়ে ঢাকাতে বসবাস করেন এবং সময় পেলে তিন গ্রামে বেড়াতে আসলে এই ঘরে থাকতেন বলে জানাযায় ।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত প্রায় একটার দিকে ঘরটি থেকে ধুঁয়ার গন্ধ আসতে থাকলে ঘরটি থেকে একটু দুরে দোকানে থাকা অন্ত নামে এক যুবক দেখতে পায় ঘরে আগুন জ্বলছে।পরে আশেপাশের লোকজনকে খবর দিলে তারা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পূর্বেই ঘরের অনেকাংশ পুড়ে যায়।
বিষয়টি সম্পর্কে ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান হোসেন বলেন, ‘ স্থানীয় আলী আহমদের বোনের কাছ থেকে আমি জমিটি ক্রয় করি। জমিটি তিনি কিনতে চেয়েছিল কিন্তু কিনতে না পারায় আলী আহমদ ও তার ছেলেরা আমার উপর ক্ষুদ্ধ ছিল। জমিটি ফিরে পেতে তারা কোর্টে অগ্রবর্তী ক্রয় মামলাও করেছিলো। তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দেওয়া শুরু করে। জায়গাতে বালু ভরাট এবং ঘর তোলার সময়ও বাধা দিয়েছিলো। বতমানেে আমরা কেউ বাড়িতে থাকিনা, আমার ধারনা তারাই আগুন দিয়ে আমার ঘর পুড়ে ফেলেছে। আমার প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে আমি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করব’।
আলী আহমদের ছেলে আমির হোসেন জানান,এমন কিছু আমরা কেউ করিনি।
তবে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বললে জানতে পারি বাড়িটিতে কেউ না থাকায় অনেকেই এ ঘরে আশা যাওয়া করতো সিগারেট,বিড়ি খেতো।
বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, ‘ বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।