
প্রেস রিলিজ
মুন্সিগঞ্জ জেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের একটি বড় আতঙ্কের নাম চাঁদাবাজি। ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক, ঠিকাদার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও নানা অজুহাতে চাঁদার চাপে পড়ছেন—এমন অভিযোগ নতুন নয়। এই অবৈধ চাঁদাবাজি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই করছে না, বরং সমাজে ভয়, অনিশ্চয়তা ও আইনহীনতার পরিবেশ তৈরি করছে।
এই বাস্তবতায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জ–৩ (মুন্সিগঞ্জ–গজারিয়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন ঘোষণা দিয়েছেন, “চাঁদাবাজ মুক্ত মুন্সিগঞ্জ গড়াই হবে আমার অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার।”
মো. মহিউদ্দিন বলেন,
“যেখানে চাঁদাবাজি চলে, সেখানে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ে, সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে পারে না।”
চাঁদাবাজির প্রভাব
স্থানীয়দের মতে, চাঁদাবাজির কারণে— ছোট ও মাঝারি ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে। পরিবহন ও নির্মাণ খাতে ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছেসাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে
মো. মহিউদ্দিনের প্রস্তাবিত উদ্যোগ
চাঁদাবাজি নির্মূলে মো. মহিউদ্দিন যে রূপরেখা তুলে ধরেছেন—চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি। ভুক্তভোগীদের জন্য নিরাপদ ও গোপন অভিযোগ ব্যবস্থা। পুলিশ, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে নিয়মিত নজরদারি। ব্যবসায়ী সংগঠন ও নাগরিক সমাজকে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করা। রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
তিনি আরও বলেন, প্রয়াত জননেতা আব্দুল হাই যেভাবে ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির কথা বলতেন, সেই আদর্শ অনুসরণ করেই তিনি মুন্সিগঞ্জকে একটি নিরাপদ ও শান্ত জনপদে পরিণত করতে চান।
মানুষের প্রত্যাশা
মুন্সিগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা স্পষ্ট— চাঁদাবাজ নয়, চলবে আইন।
ভয় নয়, থাকবে নিরাপত্তা। মানুষ এমন নেতৃত্ব চায়, যে সাহসের সঙ্গে কথা বলে এবং অপরাধের বিরুদ্ধে আপসহীন থাকে।
মো. মহিউদ্দিনের ভাষায়, “চাঁদাবাজ মুক্ত মুন্সিগঞ্জ মানেই কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং শান্তিপূর্ণ জনজীবনের নতুন দিগন্ত।”
সাব এডিট/ সাইদ হাসান আফরান