
মুহাম্মাদ ইয়ামিন:
৫-ই আগস্ট ছাত্র-জনতা নেতৃত্বে দেশে একটি গণ অভ্যুত্থান হয়। সেই অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের উপর চেপে বসা এক জগ্বদল ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতন হয়। তখন শেখ হাসিনা ছাত্র জনতার প্রচণ্ড চাপে পরে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে চলে যায়। তার সাথে সাথে আওয়ামীলীগদের বড় বড় নেতা কর্মীরা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়। কেউ ভারতে পালায়, কেউ মালয়েশিয়াতে, কেউ আবার ইউরোপে। অভ্যুথানে প্রায় দুইহাজার ছাত্র জনতা শহীদ হয়। অসংখ্য ছাত্র ও আন্দোলনে অংশগ্রহণ করা সাধারন মানুষ আহত হয়। বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসে ড. মোহাম্মাদ ইউনূস। এই ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে সারা দেশে জুলাই ও আগস্টে ব্যাপক দেয়াল লিখন হয়। কলেজের দেয়ালে, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে ও সরকারী স্থাপনার দেয়ালসহ নানা জায়গায়। শেখরনগর রায় বাহাদুর শ্রীনাথ ইন্সটিটিউশন স্কুলের দেয়াল এর ব্যতিক্রম ছিল না। এ স্কুলের দেয়ালটিতেও অভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্লোগান, উক্তি, শ্লোক দিয়ে ভরে দেওয়া হয়। শেখরনগরেরে ছাত্র জনতা দেয়াল লিখনের এ কাজটি করেন। তারা দেয়ালে দেয়ালে লিখিন নাটক কম করো পিও, দিনে আটক রাতে নাটক, স্বৈরাচার নিপাত যাক,
দেয়াল লিখনটি সম্পর্কে জানতে চাইলে মোহাম্মাদ সাইদ বলেন, সারা দেশের প্রায় অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেয়ালে জুলাই আগস্ট অভ্যুথানের শ্লোক, স্লোগান, উক্তি অংকন করা হয়েছে। তার প্রভাব আমাদের শেখরনগরেও পরেছে। আমাদের কিছু ভাইয়েরা এ উদ্যোগটি গ্রহণ করে। শুনেছি দেয়ালটি অঙ্কনের জন্য আমাদের এলাকার কৃতি সন্তান ও সকলের পছন্দের মানুষ শেখ মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ভাই ছাত্র জনতার পাশে থেকে সহো্যােগিতা করেছেন। দেয়ালের লিখাগুলো গণঅভ্যুথানে অনেক ফেমাস হয়েছে যা আমরা ফেসবুকে অসংখ্যবার বিভিন্ন পেজে শেয়ার হতে দেখেছি।
রায় বাহাদুর শ্রীনাথ ইনস্টিটিউট স্কুলের যে দেয়ালে অংকন করা হয়েছে সে দেয়ালটি স্কুল মাঠের পশ্চিমে অবস্থিত ও দেয়ালটি উত্তর-দক্ষিণে সোজাসাপটা। জুলাই-আগস্টের ঘটনা প্রবাহ নিয়ে অংকনটা করা হয়েছে পরিষদ রাস্তার পাশের দিকটার দেয়ালে যা রাস্তায় চলাচল করা যে কোন ব্যস্তি দেয়াল লিখন সহজেই দেখতে