
গজারিয়া(মুন্সিগঞ্জ)প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় টাইফয়েড টিকা প্রদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশের মতো মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলাতেও টাইফয়েড প্রতিরোধী টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধানে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. শারমিন আহম্মেদ তিথি।
রবিবার সকালে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের গুয়াগাছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে টাইফয়েড প্রতিরোধী টিকা (Typbar-TCV) প্রদান করা হয়। বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী এই টিকার আওতায় আসে।
এ সময় টিএইচও ডা.শারমিন আহম্মেদ তিথি বলেন,সারা দেশের নেয় গজারিয়াতেও টাইফয়েড টিকা প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ধাপে ধাপে উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে এই টিকা প্রদান করা হবে। ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী সব শিশু-কিশোর-কিশোরীকে এ টিকার আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও জানান,এই ক্যাম্পেইন ১২ আক্টোবর থেকে ২৬ আক্টোবর পর্যন্ত স্কুল বা সমমান পর্যায়ে মোট ৩২২৫৯ জন শিশু কে এবং ১নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১৮৩৯৪ জন মোট ৫০,৬৫৭শিশুকে টাইফয়েডের টিকা প্রদান করা হবে। টিকা গ্রহণের জন্য অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া চালু করে হয়েছে। অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করে টিকা নিতে আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয়ভাবে টাইফয়েড টিকা প্রদান কর্মসূচি বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।গজারিয়া উপজেলায় এই উদ্যোগের বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে শিশু-কিশোরদের টাইফয়েড সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত হচ্ছে, যা দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
দেশে টাইফয়েড সংক্রমণ ও মৃত্যুহার কমানো।শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি।
দূষিত পানি ও খাবারজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ করা।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এই টিকাকে নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি, যারা জাতীয় পর্যায়ে টাইফয়েড টিকা প্রদান কর্মসূচি চালু করেছে।