1. tayranabir2@gmail.com : Tayran Abir : Tayran Abir
  2. admin@munshiganjerbarta.com : admin :
  3. sayedhasanafran@gmail.com : Sayed Afran : Sayed Afran
  4. hmalamimkhan@gmail.com : al amin : al amin
  5. mdaniksheikh95@gmail.com : Anik Sheikh : Anik Sheikh
  6. asifbadhon43@gmail.com : Asif Badhan : Asif Badhan
  7. jharnacomputercenter@gmail.com : Barshan Mohammod : Barshan Mohammod
  8. fjony7699@gmail.com : Forhat Jony : Forhat Jony
  9. lemonrep@gmail.com : Naser Lemon : Naser Lemon
  10. sheikhforidpolok4@gmail.com : Sheikh Polok : Sheikh Polok
  11. rhraju88994@gmail.com : Muhammad Raju : Muhammad Raju
  12. mdsejankhan12345@gmail.com : Md Sejan Khan : Md Sejan Khan
সম্পূর্ণ হাতে তৈরি ভিন্ন মাত্রার কাঠের ঘর - দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা পুলিশের পরিদর্শক মোফাজ্জল হোসেনের বিদায় সংবর্ধনা লৌহজংয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত লৌহজংয়ের বেজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি বরাদ্দের সুষম বণ্টনের দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন  সিরাজদিখানে গণসংযোগে আসছেন নাহিদ ইসলাম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা কবি ও সংগঠক বাপ্পি সাহা : সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক নিবেদিত মুখ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না : মুন্সীগঞ্জ জেলা আমির আ জ ম রহুল কুদ্দুস সিরাজদিখানের কৃতি সন্তান রমজান আহমেদের অনন্য অর্জন, দ্বিতীয়বারের মতো সম্পন্ন করলেন ৫০ কিলোমিটার আল্ট্রা রান লৌহজংয়ে আগ্নিকান্ডে তিনটি বসতঘর ভস্মীভূত  মুন্সিগঞ্জে ৮৫ বছরের বৃদ্ধা দাদীর হেলিকপ্টারে চড়ার সখ পুরন করলো প্রবাসী নাতি  মুন্সিগঞ্জে সততার অনন্য ও উজ্জল দৃষ্টান্ত স্হাপন করলো চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী সমুদ্র সাহা 

সম্পূর্ণ হাতে তৈরি ভিন্ন মাত্রার কাঠের ঘর

দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ মে, ২০২৫
  • ৬৫৮ বার পঠিত

বর্ষন মোহাম্মদ:
মুন্সিগঞ্জে কাঠ ও টিনের তৈরি ঘরের চাহিদা অন্যতম। এ জেলার অধিকাংশ মানুষ কাঠ ও টিনের তৈরি ঘরে বসবাস করে থাকেন। জেলায় প্রতিটি এলাকায় নকশা খচিত ঘর মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। কাঠ ও টিনের তৈরি ঘরের প্রতি বিশেষ দুর্বলতা তা যে কেউ এই জেলায় ভ্রমণ করলে বুঝতে পারবে। এলাকার ধনী, গরিব নির্বিশেষে প্রায় সবার বাড়িতেই দেখা মিলবে এই ঘরের। বিভিন্ন কাঠ, টিনের মান ও ঘরের পরিমাপ অনুযায়ী নিপুণ হাতের কারুকাজ খচিত পরম যত্নে বানানো কাঠের জানালা, দরজা, মেঝে ও ছাদ বিশিষ্ট একেকটি ঘরের মূল্য পড়বে দেড় থেকে বিশ লাখ টাকা। মাওয়া ঘাট থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার পুবে লৌহজং উপজেলা। দেশের কিছু কিছু জায়গায় এমন ঘর নির্মাণ হলেও লৌহজংয়ের কারিগররা সুনাম কুড়িয়ে অক্ষুন্ন রেখে চলেছেন প্রায় পঞ্চাশ বছর ধরে। দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন বাড়ি নজর কাড়লেও এর সিংহভাগ তৈরি হয় লৌহজংয়ে। এই ঘরগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য- জানালা, দরজা, দেয়াল কাঠামো, মেঝে কিংবা ছাদ- ঘরের প্রত্যেকটি অংশ আসবাবপত্রের মতো আলাদা আলাদা খুলে দেশের যেকোনো প্রান্তে বহন করে নেওয়া যায় খুব সহজে। জানা গেছে, জেলায় প্রায় ১৫ লাখ মানুষের বসবাস। তারা যে কতটা শৌখিন- তা টিন-কাঠের তৈরি দৃষ্টিনন্দন ঘরগুলো দেখলেই বোঝা যায়। কয়েক বছর ধরে মুন্সিগঞ্জ সদর, টঙ্গীবাড়ী, সিরাজদিখান ও লৌহজং উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণ করা হচ্ছে নতুন নতুন দোচালা, তিনচালা, চৌচালা ও সাতচালা ঘর। এর মধ্যে শুধুমাত্র লৌহজং উপজেলাতেই প্রতি মাসে ১০০-১৫০টি নতুন ঘর নির্মিত হয়ে থাকে। নকশা, কাঠের ধরন ও আকার ভেদে ঘরের দাম ২ লাখ থেকে ৩০ লাখ পর্যন্ত হয়ে থাকে। ঘরগুলো তৈরি করার জন্য মিস্ত্রিরা আসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে। অনেকে মিস্ত্রি ঘর তৈরিতে সুবিধার জন্য ৪-৫ বছর ধরে মুন্সীগঞ্জেই বসবাস করছে। প্রকারভেদে ঘরগুলো তৈরিতে তাদের মজুরি হয় ৩৫-৬০ হাজার টাকা। চূড়াইনের কাঠমিস্ত্রি রাজা ও দুলাল জানান, ঘর তৈরিতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার ফলে আগের থেকে এখন আমাদের ঘর তৈরিতে কষ্ট কম হয়। এখানে প্রতিদিন কাঠমিস্ত্রি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা পান আবার কেউ কেউ মাস হিসেবে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা বেতনভুক্ত। টিন ও কাঠের দৃষ্টিনন্দন ২৩ বন্দরের (২৩/১৩ ফুট) ও বারান্দাসহ একটি ঘর তৈরি করতে ২০ জন মিস্ত্রির দুই থেকে তিনদিন সময় লাগে। স্থানীয়রা জানান, কাঠ ও টিনের তৈরি ঘর দেখতে সুন্দর ও টেকসই হওয়ায় এই এলাকায় এর কদর বেশি। টিন ও কাঠের তৈরি একতলা বা দুইতলা বিশিষ্ট এ ঘরগুলো কেউ সৌখিন আবার অনেকেই কিনছেন তাদের সামর্থ্য বুঝে। তৈরি এ ঘরগুলো দেখতে অনেক সুন্দর ও কারুকার্য খচিত। ঘরের এক একটি অংশ আলাদা আলাদা করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া যায়। এছাড়া কারিগরদের নিপুণ শৈল্পিক হাতের ছোঁয়ায় ঘরগুলো তৈরি হয়ে থাকে। নদী ভাঙন প্রবণ এলাকার অনেক মানুষ এ ঘরগুলো কিনে থাকেন।। ভাঙনের শিকার হলে সহজেই সরিয়ে নেওয়া যায় এই ঘর। তা ছাড়া বিপদ-আপদে ঘর বিক্রি করে নগদ অর্থও পাওয়া যায় তাই এই অঞ্চলে এই ঘরের চাহিদা আকাশ ছোঁয়া।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর