
মোরসালিন রহমান:
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ঘোষিত জাতীয় লকডাউনের প্রভাবে ঢাকা—মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহন কম। বৃহস্পতিবার সকালে নিমতলা এলাকায় যানবাহন কমে গিয়ে জনজীবন প্রায় স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। সাধারণ দিনের তুলনায় বাজারে ক্রেতা-দর্শক কম দেখা যায়। মহাসড়কে চলাচল নগণ্য এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
মহা সড়কে যানবাহন না থাকলে ও সার্ভিস লেন গুলোতে চলাচল করছে কিছু সংক্ষক সিএনজি অটোরিকশা।
এক পথচারী বললেন, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য যে সিদ্ধান্তগুলো নেয় তার ফলে আমাদের সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হয়। হরতাল-অবরোধ-গুম খুন—এসব কোনো দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি হতে পারে না।
অন্য এক পথচারী আহাদ হোসেন বলেন, এটি একটি গণতান্ত্রিক দেশ এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের দুর্ভোগ বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। লকডাউন ঘোষণায় আজ আমাদের আয় বন্ধ, কিন্তু ব্যয় বন্ধ হয় নাই। সাধারণ মানুষ কী করবে? নিজের স্বার্থ হাসিল করতে সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলা দেয়া উচিত নয়।
এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানান, ক্রেতার অভাব ও ভয়ভীতির কারণে রোজকার বিক্রি প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে। ফলে জীবিকার তেমন কোনো আয় হচ্ছে না।
সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ আবু বক্কর জানান, নাশকতা ঠেকাতে আমরা সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়েনসহ টহল বাড়িয়েছি।