1. tayranabir2@gmail.com : Tayran Abir : Tayran Abir
  2. admin@munshiganjerbarta.com : admin :
  3. sayedhasanafran@gmail.com : Sayed Afran : Sayed Afran
  4. hmalamimkhan@gmail.com : al amin : al amin
  5. mdaniksheikh95@gmail.com : Anik Sheikh : Anik Sheikh
  6. asifbadhon43@gmail.com : Asif Badhan : Asif Badhan
  7. jharnacomputercenter@gmail.com : Barshan Mohammod : Barshan Mohammod
  8. fjony7699@gmail.com : Forhat Jony : Forhat Jony
  9. lemonrep@gmail.com : Naser Lemon : Naser Lemon
  10. sheikhforidpolok4@gmail.com : Sheikh Polok : Sheikh Polok
  11. rhraju88994@gmail.com : Muhammad Raju : Muhammad Raju
  12. mdsejankhan12345@gmail.com : Md Sejan Khan : Md Sejan Khan
মুন্সিগঞ্জে এনসিপির ভবিষ্যৎ এখনো নির্মাণাধীন - দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা পুলিশের পরিদর্শক মোফাজ্জল হোসেনের বিদায় সংবর্ধনা লৌহজংয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত লৌহজংয়ের বেজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি বরাদ্দের সুষম বণ্টনের দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন  সিরাজদিখানে গণসংযোগে আসছেন নাহিদ ইসলাম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা কবি ও সংগঠক বাপ্পি সাহা : সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক নিবেদিত মুখ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না : মুন্সীগঞ্জ জেলা আমির আ জ ম রহুল কুদ্দুস সিরাজদিখানের কৃতি সন্তান রমজান আহমেদের অনন্য অর্জন, দ্বিতীয়বারের মতো সম্পন্ন করলেন ৫০ কিলোমিটার আল্ট্রা রান লৌহজংয়ে আগ্নিকান্ডে তিনটি বসতঘর ভস্মীভূত  মুন্সিগঞ্জে ৮৫ বছরের বৃদ্ধা দাদীর হেলিকপ্টারে চড়ার সখ পুরন করলো প্রবাসী নাতি  মুন্সিগঞ্জে সততার অনন্য ও উজ্জল দৃষ্টান্ত স্হাপন করলো চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী সমুদ্র সাহা 

মুন্সিগঞ্জে এনসিপির ভবিষ্যৎ এখনো নির্মাণাধীন

দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৩৮ বার পঠিত

আগামী ১৮ জুলাই জেলায় পদযাত্রা
বর্ষন মোহাম্মদ:
মুন্সিগঞ্জে এনসিপির ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে এই জেলায় দলটির সংগঠন কতটা শক্তিশালী এই বিষয়ের ওপর। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া যাত্রাকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির পুনর্গঠনের সূচনা হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমনিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি একে কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং “একটি ঐতিহাসিক অভিযাত্রা” বলে উল্লেখ করেন।যদি দলটি স্থানীয়ভাবে ইউনিয়ন/ওয়ার্ড/উপজেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলে, তাহলে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
জুলাই গণুঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া মানুষের কথা শুনতে জুলাইজুড়ে দেশের সব জেলায় পদযাত্রা করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’। নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা জুলাই পদযাত্রা বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করেছি। এই কমিটি পুরো পদযাত্রা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম কমিটির আহ্বায়ক এবং যুগ্ম আহ্বায়ক অনিক রায়কে সদস্যসচিব করা হয়েছে। কোন রুটে, কোন জেলায় পদযাত্রা হবে, তার বিস্তারিত আমরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জানিয়ে দেব।’ এদিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা এনসিপি সমন্বয়ক মো: মাজেদুল ইসলাম জানিয়েছেন মুন্সিগঞ্জে ১৮ জুলাই জেলা পদযাত্রা করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সকল প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে , এনসিপির যদি মুন্সিগঞ্জে যোগ্য, পরিচ্ছন্ন ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব থাকে, এবং তারা নিয়মিত জনসংযোগ, সমস্যা নিরসনে পদক্ষেপ, কিংবা তরুণদের সম্পৃক্ত করে—তবে গণআস্থা বাড়বে এবং ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবে।
জেলা উপজেলার বিভিন্ন পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের মতে, এনসিপি যদি নীতি-নৈতিকতার ভিত্তিতে জনসম্পৃক্ত রাজনীতি গড়ে তোলে, তবে তারা ভবিষ্যতে একটি বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।
একাধিক শিক্ষক বলেন,“তরুণ নেতৃত্ব, দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতি এবং জনসংলাপকে গুরুত্ব দিলে এনসিপি মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারবে।”
সাংবাদিকের মতে,“বর্তমান রাজনৈতিক কাঠামোয় সাধারণ মানুষের অনেকখানি অনীহা তৈরি হয়েছে। এনসিপির মতো নতুন দল যদি গণমানুষের কথা বলে, তাহলে তারা একটা জায়গা করে নিতে পারে।” একজন সাংস্কৃতিক সংগঠক বলেন,“রাজনীতিতে মূল্যবোধের সংকট তৈরি হয়েছে। এনসিপির উচিত হবে এই জায়গাটিকে মূল শক্তি হিসেবে ব্যবহার করা।”
তবে সুশীল সমাজের অনেকে এটাও বলছেন যে,“শুধু নাম বা দল গঠনের মাধ্যমে নয়, মাঠপর্যায়ে সংগঠন বিস্তার, তরুণদের সম্পৃক্ততা এবং কার্যকর জনসেবা ছাড়া রাজনীতিতে টিকে থাকা কঠিন।” বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের মতে: ‘বিকল্প রাজনীতির সম্ভাবনা এনসিপির মধ্যে আছে’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের মতে, বাংলাদেশে রাজনীতি আজ দুই-তিনটি বড় দলের গণ্ডিতে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে। সেই জায়গায় এনসিপির মতো একটি নতুন দল যদি বৈষম্যহীন সমাজ, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অধিকার এবং যুব নেতৃত্ব নিয়ে রাজনীতির মাঠে নামে, তাহলে তরুণ সমাজ তা স্বাগত জানাবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন,
“আমরা এমন একটি রাজনীতি চাই, যেখানে ছাত্রদের মত প্রকাশের অধিকার থাকবে, যেখানে রাজনীতির অর্থ হবে মানুষের অধিকার আদায়।”
আরেকজন কলেজছাত্র বলেন,“আমরা চাই না রাজনীতি মানেই ক্ষমতার লড়াই হোক। এনসিপির উচিত হবে শোষণবিরোধী, ধর্মনিরপেক্ষ ও বৈষম্যহীন রাজনৈতিক বার্তা তুলে ধরা।”
বৈষম্যবিরোধী এক ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধি বলেন,“যদি এনসিপি শিক্ষানীতি, যুব কর্মসংস্থান ও মানবিক রাষ্ট্রের পক্ষ নেয় ু তাহলে তারা ছাত্রদের মাঝে আশা জাগাতে পারবে।”
তবে তারা সতর্ক করে বলেন,“সত্যিকারের বিকল্প হতে হলে এনসিপিকে মাঠে থাকতে হবে, আন্দোলনের পাশে থাকতে হবে, এবং তরুণদের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু নির্বাচনের সময় সক্রিয় হয়ে ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব নয়।”
এনসিপি নিয়ে সিরাজদিখানের মানুষের ভাবনা: ‘পরিবর্তনের আশায়, অপেক্ষায় আছি’। জাতীয়তাবাদী নাগরিক দল (ঘঈচ – ঘধঃরড়হধষরংঃ ঈরঃরুবহ চধৎঃু)ুকে ঘিরে সিরাজদিখান উপজেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে কৌতূহল, কিছুটা আশাবাদ, আবার কিছুটা সংশয়ও। জনপ্রিয় দুই বড় দলের প্রতি মানুষের আস্থাহীনতার সুযোগে এনসিপির মতো বিকল্পধর্মী রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নিয়ে মানুষের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় চায়ের দোকানে বসে একজন তরুণ বলেন,“ভোটের সময় সবাই আসে, পরে আর দেখা যায় না। এনসিপি যদি সত্যি মাঠে নামে, মানুষের পাশে দাঁড়ায় ু তাহলে তারা এগোতে পারবে।”
একজন বয়স্ক শিক্ষক বলেন,“নতুন দল আসা ভালো, কিন্তু তাদের চিনতে সময় লাগে। অনেকেই এখনো জানেই না এনসিপি কী।”
একজন নারী উদ্যোক্তা জানান,“আমরা চাই এমন নেতৃত্ব, যারা আমাদের ছোট ব্যবসা, নারীর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের মতো বিষয় নিয়ে কথা বলবে। এনসিপি সেই জায়গায় কিছু করতে পারলে ভালো হবে।”
সিরাজদিখানে অনেক মানুষ মনে করছেন, বর্তমান রাজনৈতিক কাঠামোতে সাধারণ মানুষের দাবিদাওয়া উপেক্ষিত। এনসিপি যদি সত্যিকারের জনসংলাপ তৈরি করতে পারে, তাহলে তারা সাধারণ মানুষের আশা হয়ে উঠতে পারে।
এনসিপি আদৌ কি জয়ী হতে পারবে?
রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য ইসলামী দলগুলোর সাথে ঘঈচ (ঘধঃরড়হধষরংঃ ঈরঃরুবহ চধৎঃু) আদৌ কোনো উল্লেখযোগ্য জয় পাবে কি না—তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তবে অধিকাংশেরই মত, “জোট করলেই জয় নয়, জনগণের আস্থা অর্জনই মূল চাবিকাঠি।”

বিশ্লেষকরা যা বলছেন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একজন অধ্যাপক বলেন,“এনসিপি একটি নবীন দল, তাদের সাংগঠনিক ভিত্তি এখনো অনেক দুর্বল। শুধু বড় দলের ছায়ায় এসে বিজয়ের আশা করা বাস্তবসম্মত নয়।”
একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন,“বিএনপি এবং জামায়াতের অনেক ক্ষেত্রে গণআস্থা কমে গেছে। এনসিপি যদি তাদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়, তাহলে নতুন দল হিসেবে নিজেদের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ক্ষতি হতে পারে।”
অপর এক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক বলেন,“তবে যদি কৌশলগত সমন্বয় হয়, এবং এনসিপি নিজেদের স্বকীয়তা বজায় রেখে চলতে পারে, তাহলে তারা তরুণ ভোটারদের মাঝে জায়গা করে নিতে পারে।”জোটে সুযোগ, আবার ঝুঁকিও
বিশেষজ্ঞদের মতে,জোটে গেলে স্থানীয় পর্যায়ে ভোট ভাগাভাগি কমবে তবে পুরাতন নেতাদের ইমেজের কারণে এনসিপি তাদের “ভিন্নধারার দল” পরিচয় হারাতে পারে
ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে:এনসিপি কতটা স্বতন্ত্র অবস্থান বজায় রাখতে পারে, তাদের নেতৃত্ব কতটা তরুণ, গ্রহণযোগ্য ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয়, এবং তারা জনগণের বাস্তব সমস্যাগুলো নিয়ে কতটা আন্তরিকভাবে কাজ করে জয় পাওয়ার জন্য শুধু জোট নয়, প্রয়োজন বিশ্বাসযোগ্যতা, মাঠের সংগঠন ও জনগণের আস্থা।
বিএনপি বা জামায়াতের সাথে অবস্থান নিলে কিছু আসন পেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এনসিপির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে তারা কতটা ‘ভিন্ন ও জনগণের দল’ হয়ে উঠতে পারে তার উপর।
জেলা এনসিপি নেতারা জানান, “আমরা কারও ছায়ায় নয়, জনগণের পাশে আছি।”
দীর্ঘদিন ধরে আপনারা একই চক্রে বন্দী রাজনীতি দেখে আসছেন — যেখানে আছে শুধু প্রতিশ্রুতি, আর বাস্তবে থাকে দুর্নীতি, দখল, বৈষম্য।আজ সময় এসেছে নতুন পথের, নতুন নেতৃত্বের।কারো জামাতা, কারো ছত্রচ্ছায়ায়, কিংবা পুরাতন চালের ভাত নয় —আমরা এসেছি জনগণের স্বার্থে, জনগণের শক্তিতে।আমরা বিএনপি-আ.লীগ, কিংবা জামায়াতের ছায়া নয়,আমরা চাই স্বাধীন রাজনীতি, স্বচ্ছ নেতৃত্ব এবং জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, “মাত্র এক বছর আগে তরুণরা একটি বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়ে এক স্বৈরশাসককে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল। সেই তরুণরাই এখন তৃণমূল ঘুরে নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলছে। কিছুদিন আগেও এদের কেউ কেউ বিতর্কিত ছিল, কেউ কেউ নিষ্প্রভ। কিন্তু এই যাত্রা তাদের নতুনভাবে উজ্জীবিত করেছে।”

তবে এনসিপির এ অভিযাত্রা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে তিনি স্বীকার করেন—“প্রশ্ন থেকেই যায়— তারা কি বিএনপি বা জামায়াতের মতো বড় দলগুলোর বিকল্প হয়ে উঠতে পারবে? প্রবীণদের অবস্থান কী? তারা কি ইতোমধ্যে কোনো দলকে বেছে নিয়েছেন, নাকি এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় আছেন?”
পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, শহর ও গ্রাম পেরিয়ে এনসিপির বহর যতই এগোচ্ছে, ততই তরুণদের উপস্থিতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। “হাজার হাজার ছেলে-মেয়ে এতে অংশ নিচ্ছে, তাদের লক্ষ্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী, প্রত্যাশা আকাশছোঁয়া।”
প্রসঙ্গত, “টেকনাফ-তেঁতুলিয়া অভিযাত্রা” নামে এনসিপির চলমান দেশব্যাপী রাজনৈতিক সফর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রেস সচিবের এমন পর্যবেক্ষণ এই অভিযাত্রার গুরুত্ব ও সম্ভাবনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর