রাষ্ট্রীয়ভাবে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ৯টায় সিরাজদিখান মার্কাজ মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক গুরুত্বপূর্ণ “ইমাম ও সুধী সম্মেলন”।
অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ, সিরাজদিখান উপজেলা শাখা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুল কাদির, সহ-সভাপতি, খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ, সিরাজদিখান থানা শাখা।
প্রধান অতিথি ছিলেন মুফতি শোয়াইব ইব্রাহিম, আমির, খতমে নবুওয়ত মুভমেন্ট।
কেন্দ্রীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
মাওলানা আলী আকবর কাসেমী, সদস্য, আমীরে খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ
মাওলানা ফেয়ারয়ুজ্জামান আজহারী, সম্পাদক, খতমে নবুওয়ত পরিষদ
মাওলানা উবায়দুল্লাহ কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব, খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মুফতি আবু শাহাদাৎ খান ও মুফতি মাহমুদ জহির কাসেমী।
বক্তারা বলেন, কাদিয়ানীরা ইসলামের মূল বিশ্বাস ও নবুওয়তের চেতনা থেকে বিচ্যুত। তাই রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের অমুসলিম ঘোষণা করা সময়ের অপরিহার্য দাবি।
সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদির বলেন,
“আমাদের মা-বোনদের ব্যক্তিগত আমল বৃদ্ধি করতে হবে। তাহাজ্জুদ, তিলাওয়াত, দোআ ও নফল ইবাদতের মাধ্যমে নিজের ঈমানকে দৃঢ় করতে হবে। সমাজে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।”
মাওলানা উবায়দুল্লাহ কাসেমী বলেন,
“খতমে নবুওয়তের আকিদা রক্ষা করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। কাদিয়ানীদের অপপ্রচার থেকে মানুষকে সচেতন করতে আলেম ও ইমামদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
প্রধান অতিথি মুফতি শোয়াইব ইব্রাহিম বলেন,
“খতমে নবুওয়ত কোনো সংগঠনের বিষয় নয়, এটি ঈমানের অংশ। আগামী ১৫ নভেম্বর ঢাকায় যে জাতীয় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে, সেটিকে সফল করা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব। এজন্য প্রত্যেক থানা, ইউনিয়ন ও মসজিদ পর্যায়ে প্রস্তুতি নিতে হবে।”
বক্তারা আরও বলেন, কীভাবে ১৫ নভেম্বরের ঢাকা মহাসমাবেশ সফল করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত পরামর্শ ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে সিরাজদিখান উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ইমাম, খতিব, আলেম-উলামা ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য কামনায় দোআ মুনাজাতের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।