
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সিগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান ও শ্রীনগর) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন দলটির জেলা শাখার সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজী। প্রার্থী ঘোষণা ও প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই পুরো এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দ উল্লাস।
সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে আলেম সমাজ—সব শ্রেণি-পেশার মানুষই ফখরুদ্দিন রাজীর প্রতি আস্থা প্রকাশ করছেন। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জামায়াতে ইসলামী একজন সৎ, দক্ষ, যোগ্য ও সমাজসেবী ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ায় তারা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। অনেকেই বলেন, “ধানের শীষ, নৌকা অনেক দেখেছি—এবার না হয় একবার দাঁড়িপাল্লা নিয়ে ভাবা যাক।” পাশাপাশি ইসলামী ও দেশপ্রেমিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হওয়ায় তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই অধ্যাপক মাওলানা এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজী মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিভিন্ন ইউনিয়নে সামাজিক বিভিন্ন আয়োজন, ইউনিয়নভিত্তিক নেতাকর্মীদের নিয়ে শোডাউন, চমকপ্রদ কর্মসূচি বাস্তবায়নসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন।
এছাড়াও তিনি সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, শহীদ পরিবার ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় ও পৃথক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন জামায়াত নেতা ফখরুদ্দিন রাজী।
সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, সবকিছু ঠিক থাকলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন রাজী বড় ধরনের চমক দেখাতে পারেন। কারণ অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় তার গ্রহণযোগ্যতা ও জনসম্পৃক্ততা এখন অনেকটাই এগিয়ে।
সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, অন্যান্য দল বহুবার সুযোগ পেয়েছে। দেশের স্বার্থ ও নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় এবার একবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামিকে সুযোগ দেওয়া উচিত। সেই ভাবনা থেকেই মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। ফখরুদ্দিন রাজীর হাত ধরেই সিরাজদিখান-শ্রীনগরে প্রায় তিন দশক পর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।