
সিরাজদিখান প্রতিনিধি
বৈঠকগুলোর মূল উদ্দেশ্য ও বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা, মানবিকতার বার্তা প্রচার করা এই দলটির মূল লক্ষ্য হলো উগ্রবাদ, সাম্প্রদায়িকতা এবং অধর্মের বিপরীতে প্রকৃত ‘ইনসানিয়াত’ বা মনুষ্যত্ব প্রতিষ্ঠা করা। উঠান বৈঠকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে মানুষ হিসেবে সবার সমান অধিকার ও মর্যাদার কথা বোঝানোর চেষ্টা করা।
২. তৃণমূল সংযোগ:
বড় জনসভার চেয়ে উঠান বৈঠক অনেক বেশি কার্যকর কারণ এখানে সরাসরি সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলা যায়। গ্রামের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শ্রমজীবী মানুষের কাছে দর্শন পৌঁছে দেওয়ার জন্য এটি একটি সহজ পদ্ধতি। রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি করা।
ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রবক্তা আল্লামা ইমাম হায়াত-এর দর্শন অনুযায়ী, প্রচলিত অপরাজনীতির বিকল্প হিসেবে একটি সত্য ও ন্যায়ের রাজনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয় এই বৈঠকগুলোতে। বর্তমান শাসনব্যবস্থার ত্রুটি এবং মানবতার রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার জন্য মুন্সীগঞ্জ ১ আসনের সিরাজদিখান উপজেলা লতব্দী ইউনিয়নে মনোনীত ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী রোকেয়া আক্তার ও তার সহযোগীদের সাথে নিয়ে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন না। উঠান বৈঠকে বক্তব্য কালে রোকেয়া আক্তার বলেন উগ্রবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধঃ
বাংলাদেশে ধর্মের নামে চলা উগ্রবাদ এবং হিংসার বিরুদ্ধে জনমত গঠন করা আমাদের উঠান বৈঠকের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। মানুষকে ভ্রাতৃত্ব এবং সহনশীলতার শিক্ষা দেয়। সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করা: প্রত্যেকটি পাড়া বা মহল্লায় ছোট ছোট গ্রুপ তৈরি করে দলের ভিত্তি শক্ত করা হয়। উঠান বৈঠকের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহ এবং স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব তৈরি করা হয়। আপেল মার্কায় ভোট চেয়ে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।