
নিজস্ব প্রতিবেদক :
মুন্সীগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নিয়মিত সদস্য অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল হক লিটন (৬০) এর মৃত্যুতে শোক সভা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকাল ১০ টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এজলাস কক্ষে শোক সভা করা হয়। সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফাইজুন্নেসা, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গাজী দেলোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন উর্মি, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক ড. মোঃ আলমগীর, পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. হালিম হোসেন, সরকারি কৌশলী জিপি অ্যাডভোকেট মো. তোতা মিয়া, স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন ঢালী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. জাকারিয়া মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. পারভেজ আলম, সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আর্শেদ উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুলতানা রোজিনা ইয়াসমিন ও অ্যাডভোকেট আমানুল্লাহ প্রধান শাহীন সহ আদালতের অন্যান্য বিচারক ও আইনজীবীরা। এ সময় জেলা ও দায়রা জজ একদিনের জন্য বিচারিক আদালতের কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করেন।অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক লিটনের শোক শেষে মৃত্যুকালীন ৫ লক্ষ টাকা তার স্ত্রী আশা বেগমের কাছে নগদ প্রদান করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. পারভেজ আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন সমিতির সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহ আলম মানিক, অ্যাডভোকেট আব্দুল গফুর মিন্টু ও অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রশিদ সবুজ। আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক লিটন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার দেওভোগ মাদবরবাড়ি এলাকার মরহুম আব্দুল হাই মাদবরের ছেলে। গত ২৯ জুন নিজ বাসভবনে মৃত্যু বরণ করেন তিনি ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এর আগে অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক লিটন ২০১০ সালে এলএলবি পাশ করে ২০১২ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২০১২ সালের ৫ এপ্রিল মুন্সীগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অর্ন্তভুক্ত হয়ে দেওয়ানী ও ফৌজদারি আদালতে নিয়মিত আইন পেশায় দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। মৃত্যুর আগে স্ত্রী এক পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।