
আব্দুস সালাম
ঢাকাুনারায়ণগঞ্জুমুন্সীগঞ্জকে সংযুক্ত করে এমআরটি-২ প্রকল্পের রূপরেখা সংশোধন এবং মেট্রোরেল লাইন মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর পর্যন্ত সম্প্রসারণের দাবিতে মুন্সীগঞ্জে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে ‘মুন্সীগঞ্জ মেট্রোরেল বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠে মাত্র ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মুন্সীগঞ্জ জেলা দীর্ঘদিন ধরে নাজুক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে চরম ভোগান্তির শিকার। প্রতিদিন ঢাকায় যাতায়াতে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা সময় নষ্ট হওয়ায় কর্মজীবী মানুষদের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও রোগীদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। তারা বলেন, মেট্রোরেল সম্প্রসারণ বাস্তবায়িত হলে দ্রুত সময়ে ঢাকাগামী যাতায়াত নিশ্চিত হবে এবং রাজধানীর ওপর জনসংখ্যার চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। এতে মুন্সীগঞ্জের অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা ও সামগ্রিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মেট্রোরেল বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মঞ্জুর মোর্শেদ। বক্তব্য দেন সদস্য সচিব ব্যাংকার মো. সিরাজুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া, সিনিয়র সাংবাদিক মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জল, নিসচা সভাপতি আতিকুর রহমান টিপু, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান পরিষদের সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
বক্তারা বলেন, মুন্সীগঞ্জ সদর, টঙ্গীবাড়ি, সিরাজদিখানের একাংশসহ মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের লক্ষাধিক মানুষ প্রতিদিন ঢাকামুখী—এই বাস্তবতার আলোকে মেট্রোরেল সংযোগের যৌক্তিকতা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তারা এ দাবিতে ধারাবাহিক ও আরও জোরালো কর্মসূচি ঘোষণারও ঘোষণা দেন।
এদিকে একই দাবিতে মুক্তারপুর সেতু, জেলা প্রশাসক কার্যালয়সহ শহরের বিভিন্ন স্থানে পৃথক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রসঙ্গত, এর আগে ৫ নভেম্বর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে যোগাযোগ উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।