1. tayranabir2@gmail.com : Tayran Abir : Tayran Abir
  2. admin@munshiganjerbarta.com : admin :
  3. sayedhasanafran@gmail.com : Sayed Afran : Sayed Afran
  4. hmalamimkhan@gmail.com : al amin : al amin
  5. mdaniksheikh95@gmail.com : Anik Sheikh : Anik Sheikh
  6. asifbadhon43@gmail.com : Asif Badhan : Asif Badhan
  7. jharnacomputercenter@gmail.com : Barshan Mohammod : Barshan Mohammod
  8. fjony7699@gmail.com : Forhat Jony : Forhat Jony
  9. lemonrep@gmail.com : Naser Lemon : Naser Lemon
  10. sheikhforidpolok4@gmail.com : Sheikh Polok : Sheikh Polok
  11. rhraju88994@gmail.com : Muhammad Raju : Muhammad Raju
  12. mdsejankhan12345@gmail.com : Md Sejan Khan : Md Sejan Khan
উচ্চ শিক্ষার হার কমছে সিরাজদিখানে - দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা পুলিশের পরিদর্শক মোফাজ্জল হোসেনের বিদায় সংবর্ধনা লৌহজংয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত লৌহজংয়ের বেজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি বরাদ্দের সুষম বণ্টনের দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন  সিরাজদিখানে গণসংযোগে আসছেন নাহিদ ইসলাম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা কবি ও সংগঠক বাপ্পি সাহা : সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক নিবেদিত মুখ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না : মুন্সীগঞ্জ জেলা আমির আ জ ম রহুল কুদ্দুস সিরাজদিখানের কৃতি সন্তান রমজান আহমেদের অনন্য অর্জন, দ্বিতীয়বারের মতো সম্পন্ন করলেন ৫০ কিলোমিটার আল্ট্রা রান লৌহজংয়ে আগ্নিকান্ডে তিনটি বসতঘর ভস্মীভূত  মুন্সিগঞ্জে ৮৫ বছরের বৃদ্ধা দাদীর হেলিকপ্টারে চড়ার সখ পুরন করলো প্রবাসী নাতি  মুন্সিগঞ্জে সততার অনন্য ও উজ্জল দৃষ্টান্ত স্হাপন করলো চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী সমুদ্র সাহা 

উচ্চ শিক্ষার হার কমছে সিরাজদিখানে

দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫
  • ১৫২ বার পঠিত

শাহিদুল হাসান শাওন:
বিক্রমপুর মুন্সিগঞ্জকে অনেকে আলুর দেশ হিসেবে চিনে থাকে। বাংলাদেশের অন্যান্য জেলায় এই রকম কিছু জিনিস রয়েছে যা তার জেলাকে প্রতিনিধিত্ব করে। উদাহরণ স্বরূপ রসমালাই শব্দটা শুনলে মনের অজান্তেই কুমিল্লা জেলা চোখে ভাসে, তেমনি ভাবে কাচা গোল্লার সাথে নাটোর, কালা ভুনার সাথে চট্টগ্রাম, চমচমের সাথে টাঙ্গাইল, চায়ের সাথে সিলেট ইত্যাদি।
আমাদের মুন্সিগঞ্জের নামের সাথে অনেক কিছু থাকলেও আলুর নামটা বেশি জরিয়ে আছে। আমাদের জেলাকে প্রতিনিধিত্ব করার অনেকগুলো জিনিস থাকলেও শিক্ষার প্রসারে বা শিক্ষার মানদন্ডে প্রতিনিধিত্ব করার মত যোগ্যতা হয়তো এখনো হয় নাই বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষিতের হার কমে যাচ্ছে।
মুন্সিগঞ্জের অন্যান্য উপজেলার পাশাপাশি আমাদের সিরাজদিখানের অবস্থা মুমূর্ষ। ২০২২ সালের জনশুমারির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী জাতীয়ভাবে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬ শতাংশ। সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী মুন্সিগঞ্জের শিক্ষার হার মাত্র ৫৬.১% এবং আমাদের সিরাজদিখানের শিক্ষার হার মাত্র ৫৪.৯%। অন্যান্য জেলার শিক্ষার হার যেখানে বাড়ছে তখন আমাদের উপজেলার শিক্ষা হুমকির মুখে। কোন রকমে এস এস সি পরীক্ষায় পাস করলে অথবা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ৮ম না ৯ম শ্রেণীর গন্ডি না পার হতেই ছাত্ররা বই ছেড়ে দিয়ে চলে যাচ্ছে স্কিল ট্রেনিং সেন্টারে, উদ্দেশ্য এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্চে লেবার হিসেবে গিয়ে কাজ শুরু করা। যেই বয়সে হাই স্কুল পার হয়ে কলেজে যাওয়ার কথা কিংবা কলেজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের পদার্পণ করার কথা, সেই বয়সে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, বাহারাইন, কাতার, দুবাই ইত্যাদি দেশে গিয়ে কায়িক শ্রম দিয়ে অর্থ উপার্জন করছে অনেক উদীয়মান তরুন। বাহিরে গিয়ে কাজ করা মোটেও খারাপ কিছু নয়, কিন্তু একটা ছেলে এই অল্প বয়সে কায়িক শ্রম করে যেই অর্থ উপার্জন করে, সে যদি গ্রাজুয়েশন শেষ করে একজন গ্রাজুয়েট হিসেবে দেশের বাহিরে যায় তাহলে কয়েকগুণ বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারত, দেশের জিডিপি আরও বর্ধিত হত।
অনেকে প্রশ্ন করতে পারে আমাদের অভিভাবকরা কেন এই সমীকরণ বুঝতেছে না বা তারা কেন তাদের সন্তানকে দেশের বাহিরে পাঠিয়ে দিচ্ছে? অনেক অভিভাবকরাই মনে করেন যে পড়াশুনা করে তার সন্তান ভালোকিছু করতে পারবে না, চাকুরীর এই কম্পিটিশন মার্কেটে চাকুরী পাবে না, চাকুরী পেতে মামা চাচা প্রয়োজন বা অসদুপায় অবলম্বন করতে হবে ইত্যাদি।
আমাদের সিরাজদিখান উপজেলায় মহাবিদ্যালয়ের সংখ্যা ০৫টি; উচ্চ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২৯টি; প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা: সরকারি: ১২৮টি, বেসরকারি: ০৬ টি; কিন্ডার গার্টেনের সংখ্যা ৫৬টি; টেকনিক্যাল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউট ০২ টি; সিনিয়র মাদ্রাসা ০১ টি; দাখিল মাদ্রাসা ০৯ টি; কওমী মাদ্রাসা ৩৯ টি। যদিও উপজেলার জনসংখ্যার তুলনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যথেষ্ট নয়। তবুও উচ্চ শিক্ষার হার দিন দিন কমে যাচ্ছে এই বিদেশ যাওয়ার প্রবণতার জন্য।
এখনো সময় আছে আমাদের উপজেলার উচ্চ শিক্ষার জন্য জোরালো ভাবে কাজ করা উচিত। আর তা না হলে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের উপজেলার উচ্চ শিক্ষার হার আরও অনেকাংশে কবে যাবে। তাই ঝিকুটের অন্যান্য লক্ষ ও উদ্দেশ্যের পাশাপাশি এই উচ্চ শিক্ষার দিকটা নিয়ে কাজ করলে বেশ কিছু উচ্চ শিক্ষিত ছাত্রছাত্রী তৈরি করা সম্ভব।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর