
স্টাফ রিপোর্টারঃ
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মালখানগর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার পদপ্রার্থী জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন হাজী মোহাম্মদ ফিরোজ আহমেদ। তিনি সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী, মালখানগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মালখানাগর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য এবং সামাজিক সংগঠক। সে সামাজিক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে এলাকায় অবদানসহ দুস্থ মানুষের সহযোগিতা করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত।
স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের পরিবারের সদস্যরা যেমন, সামাজিক, মানবিক ও সাংগঠনিক ভাবে জনকল্যাণে সর্বদা সম্পৃক্ত।
তার ছোট ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, মালখানগর ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার আজীবন দাতা সদস্য, শতদল সংঘের সভাপতি ও সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মুজিবুর রহমান। আরেক ছোট ভাই মোঃ শাহিন আহমেদ ফ্রেন্ড অ্যাসোসিয়েশন অব মালখানগর সংগঠনের সহ-সভাপতি। সর্ব কনিষ্ঠ ভাই মো. শাহাদাত হোসেন
মালখানগর ডিগ্রী কলেজ এর গভর্ণিং বডি সদস্য ও ঐক্যতান সমাজকল্যাণ সংগঠনের সভাপতি।
পারিবারিক ভাবেই তারা সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ এবং দুস্থদের নানা ভাবে সহযোগিতা করে আসছেন। তার পিতা মরহুম হাজী ইসহাক মিয়া ছিলেন অত্র ইউনিয়নের সাবেক ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য। সনামধন্য পরিবার হিসেবে এলাকায় ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষের কাছে তারা সমাদৃত।
এছাড়া ফিরোজ আহমেদ হিন্দু-মুসলিম, ধনী-গরিব সকল শ্রেণির মানুষের কাছে ভালোবাসার পাত্র।
স্থানীয় জনগণ ও সমর্থকদের মতে, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, তৃণমূল পর্যায়ে উঠে আাসা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুন্দর ব্যবহার, কুশল বিনিময় এবং অন্তরঙ্গতার কারণে ২নং ওয়ার্ডের সর্বসাধারণের অনুপ্রেরণায় এবার সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে।
এ বিষয়ে ফিরোজ আহমেদ এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, মালখানগর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণের আশা আকাঙ্খা পূরণে আমি সর্বাত্মক নিজেকে বিলিয়ে দিবো। তাদের মূল্যবান ভোটে আমি নির্বাচিত হলে, মালখানগর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড একটি আধুনিক, সুশাসিত, স্বচ্ছ, জবাবদিহি মূলক ও উন্নয়নমুখী ওয়ার্ডে পরিণত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব। মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, চাঁদাবাজি, অবৈধ ব্যবসা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ছিলাম, আছি, থাকবো। একটি নিরাপদ ও জনবান্ধব ওয়ার্ড গড়ে তোলাই হবে আমার অঙ্গীকার। জনগণের সুখ-দুঃখে সব সময় পাশে থেকে তাদের ন্যায্য অধিকার এবং সঠিক চাওয়া পাওয়া বাস্তবায়ন
আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের মতে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা মনোযোগী হলেও চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচন করবে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিরা। তাই মনোনয়ন প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের বিধি- বিধান অনুসরণ করেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।