
স্টাফ রিপোর্টার
সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯ ৮৫ ব্যাচের আয়োজন মিলন মেলা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ফিরে যাই ৮৫ তে এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দীর্ঘ ৪০ বছর পর দ্বিতীয় বারের মত উপজেলার ইছাপুরা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৮৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা শুক্রবার ১০ টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সমবেত হতে থাকেন। শিক্ষার্থীরা অনেকদিন পরে একত্রিত হয়ে একে অন্যকে বুকে জড়িয়ে ধরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
সকাল থেকে দিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজনের মধ্যে অন্যতম ছিল প্রয়াত সহপাঠীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন, শোক র্যালি, সহপাঠীদের কবরে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ, কবরের সামনে দাড়িয়ে ফাতিহা পাঠ ও মোনাজাত।
এছাড়াও ইছাপুরা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় আঙিনায় দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নেন তারা।
দিনব্যাপী আয়োজনে একই ব্যাচের এবং একই বয়সের নারী-পুরুষের ৮৫ ব্যাচের বন্ধুরা একসঙ্গে সারাদিন আড্ডা, খাওয়া, ছবি তোলায় মশগুল ছিল। এখানে ছিল না কোনো অভিভাবক, এমনকি জুনিয়ররাও। ফলে নিজেদের মধ্যে আলাপচারিতায় চমৎকার দিন উপভোগ করে সবাই। যেন হারিয়ে গেছেন সেই ১৯ ৮৫ সালে, যখন তাঁরা এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল।
অনেকদিন না দেখা বন্ধু,সহপাঠীদের পেয়ে সবাই ছিল আনন্দে। প্রায় ৩৮ বছর পর সেই স্কুলজীবনের বন্ধুদের সঙ্গে দিনব্যাপী আনন্দঘন পরিবেশে নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে চলে এ ব্যাচের জাঁকজমকপূর্ণ একটি দিন। অনুষ্ঠানে একে অন্যকে ফুল দিয়ে বরণ, উত্তরীয় বিতরণ করা হয়।
দেখা যায় অনেক দিনের আগের বন্ধুদের পেয়ে অনেক আনন্দে দুচোখে অশ্রু চলে আসে। পুরনো দিনের স্মৃতিচারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের কথোপকথন হয়। ফ্যামিলির সদস্যরা তারা কি করেন সবাই সবাইকে বলেন। এভাবেই একটি দিন অতিবাহিত করেছেন ইছাপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৮৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। ১৯৮৫ ব্যাচের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানে থাকায় অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করতে পারেনি। প্রবাসীরা ভার্চুয়ালি ভাবে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের খোঁজখবর নেন। এসময়ে একত্রিত হয়ে তারা ভবিষ্যতেও একসাথে চলার প্রত্যয় ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানে সমাপ্ত করেন। এর আগে ১৯৮৫ ব্যাচের বন্ধু বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্তব প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন মিয়াকে ৮৫ ব্যাচের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছার স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা
ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।