1. tayranabir2@gmail.com : Tayran Abir : Tayran Abir
  2. admin@munshiganjerbarta.com : admin :
  3. sayedhasanafran@gmail.com : Sayed Afran : Sayed Afran
  4. hmalamimkhan@gmail.com : al amin : al amin
  5. mdaniksheikh95@gmail.com : Anik Sheikh : Anik Sheikh
  6. asifbadhon43@gmail.com : Asif Badhan : Asif Badhan
  7. jharnacomputercenter@gmail.com : Barshan Mohammod : Barshan Mohammod
  8. fjony7699@gmail.com : Forhat Jony : Forhat Jony
  9. lemonrep@gmail.com : Naser Lemon : Naser Lemon
  10. sheikhforidpolok4@gmail.com : Sheikh Polok : Sheikh Polok
  11. rhraju88994@gmail.com : Muhammad Raju : Muhammad Raju
  12. mdsejankhan12345@gmail.com : Md Sejan Khan : Md Sejan Khan
বিএনপির দুর্গে বিএনপির এসিড টেস্ট - দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা পুলিশের পরিদর্শক মোফাজ্জল হোসেনের বিদায় সংবর্ধনা লৌহজংয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত লৌহজংয়ের বেজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি বরাদ্দের সুষম বণ্টনের দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন  সিরাজদিখানে গণসংযোগে আসছেন নাহিদ ইসলাম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা কবি ও সংগঠক বাপ্পি সাহা : সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক নিবেদিত মুখ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না : মুন্সীগঞ্জ জেলা আমির আ জ ম রহুল কুদ্দুস সিরাজদিখানের কৃতি সন্তান রমজান আহমেদের অনন্য অর্জন, দ্বিতীয়বারের মতো সম্পন্ন করলেন ৫০ কিলোমিটার আল্ট্রা রান লৌহজংয়ে আগ্নিকান্ডে তিনটি বসতঘর ভস্মীভূত  মুন্সিগঞ্জে ৮৫ বছরের বৃদ্ধা দাদীর হেলিকপ্টারে চড়ার সখ পুরন করলো প্রবাসী নাতি  মুন্সিগঞ্জে সততার অনন্য ও উজ্জল দৃষ্টান্ত স্হাপন করলো চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী সমুদ্র সাহা 

বিএনপির দুর্গে বিএনপির এসিড টেস্ট

দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৯ বার পঠিত
election munshiganj

মুন্সিগঞ্জ-১ ও ২ আসনে এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী কিন্তু মুন্সিগঞ্জ-৩ আসন চ্যালেঞ্জিং
এ.জেড.এ মুকুল

এসিড টেস্ট (Acid test) হলো কোনো কিছুর মান, স্থায়িত্ব বা সত্যতা যাচাইয়ের একটি চরম পরীক্ষা। আভিধানিক অর্থে এটি অ্যাসিড ব্যবহার করে আসল সোনা চেনার পদ্ধতি হলেও, রূপক অর্থে এটি কোনো পণ্য, ব্যক্তি বা ব্যবস্থার কার্যকারিতা প্রমাণের চূড়ান্ত পরীক্ষা বোঝায়। আর্থিক ক্ষেত্রে এটি প্রতিষ্ঠানের দ্রুত দায় মেটানোর ক্ষমতা যাচাইয়ের অনুপাত।  মুন্সিগঞ্জ জেলায় বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত হলেও এখানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সক্ষমতা যাচাইয়ে এসিড টেস্ট হবে আগামী এয়োদশ সংসদ নির্বাচনে।

মুন্সিগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের দুটিতেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরা। ফলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এতে নির্বাচনে দলটির ফলাফলে প্রভাব পড়ছে।
ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা মুন্সিগঞ্জে সংসদীয় আসন তিনটি। শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলা নিয়ে গঠিত মুন্সিগঞ্জ-১, টঙ্গীবাড়ি ও লৌহজং উপজেলা নিয়ে মুন্সিগঞ্জ-২ এবং জেলা সদর ও গজারিয়া উপজেলা নিয়ে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসন। এবার আসা যাক সংসদীয় আসনের বিশ্লেষনে।

মুন্সিগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর):
মুন্সিগঞ্জ-১ আসন বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের কারনে এ আসনটি সমগ্র দক্ষিন অঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। এ আসনে বিএনপি থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন দলটির সাবেক মহাসচিব ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তিনি বিএনপি ছাড়ার পর ২০০৪ সালে গড়ে তোলেন বিকল্পধারা বাংলাদেশ নামে একটি দল। এরপরই এখানকার বিএনপি নেতারা একাধিক ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েন। মুসিগঞ্জ-১ আসনে এবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী জেলার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মো. আব্দুল্লাহ। তার পাশাপাশি এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা বিএনপির বহিস্কৃত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মমিন আলী। দুই জন প্রার্থী দুই উপজেলার বাসিন্দা হওয়ায় ভোটের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক প্রভাব থাকতে পারেন বলে মনে করেন ভোটাররা। তাছাড়া দুই উপজেলায় আওয়ামী সমর্থক অনেক ভোটার রয়েছে যার জন্য দুই প্রার্থী চেষ্টা করছেন তাদের সমর্থন পাওয়ার জন্য। এ আসনে বিএনপির ভোট দুই ভাগে বিভক্ত হলেও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয় ও ভোটারদের জনসমর্থনের কারনে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে জনপ্রিয়তার বিচারে শেখ মো. আব্দুল্লাহ বিজয় হবে বলে মনে করেন বেশিরভাগ স্থানীয় জনগন।

এ আসনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের একক প্রার্থী দলটির জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক একেএম ফখরুদ্দীন রাজী। জোটের সমর্থন নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। এছাড়া এ আসনে আব্দুর রহমান (কাস্তে), রাজিব (দাঁড়িপাল্লা), আতিকুর রহমান খান (হাতপাখা) ও একমাত্র নারী প্রার্থী রোকেয়া আক্তার (আপেল) প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মুন্সিগঞ্জ-২ (টঙ্গিবাড়ী-লৌহজং):
এরপর মুন্সিগঞ্জ-২ আসনেই বিএনপি তুলনামূলকভাবে ঐক্যবদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য অবস্থানে রয়েছে। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্ৰীয় যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ। এ আসনে কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই। ফলে আব্দুস সালাম আজাদ বিজয় নিশ্চিত বলা যায়। এ আসনে বিএনপির প্রার্থীর প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১০ দলীয় জোটের এনসিপির প্রার্থী মাজেদুল ইসলাম প্রচারণা নিয়ে মাঠে সরব রয়েছেন। পাশাপাশি এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন আশিক মাহমুদ (চেয়ার), কেএম বিল্লাল (হাতপাখা) ও মো. নোমান মিয়া (লাঙ্গল)।

মুন্সিগঞ্জ-৩ (সদর ও গজারিয়া):
জেলার রাজনীতিতে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনটি চ্যালেঞ্জিং ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ আসনটি শহরকেন্দ্রিক হওয়ায় এখান থেকেই পুরো জেলার রাজনীতি প্রভাবিত হয়। যার ফলে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন। তার সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদ্য বহিষ্কৃত সদস্য সচিব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

সম্প্রতি এ আসনে মো. কামরুজ্জামান রতনের মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই লাগাতার বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন দলের একাংশের নেতাকর্মীরা। এ অবস্থায় বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতনকে নিজ দলের মধ্যে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। বিএনপির অন্তঃকলহ এখানে প্রকট আকার ধারণ করেছে। প্রায় প্রতিদিন বিএনপির কেউ না কেউ কেন্দ্রীয় কমিটি  থেকে বহিস্কারের নোটিশ পাচ্ছেন। মুন্সীগঞ্জ -৩ ( মুন্সীগঞ্জ সদর – গজারিয়া ) আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৬ হাজার ৮৮৩ জন এর মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদরে ভোটার ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৪৬৩ জন এবং গজারিয়ায় ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ৪২০ জন। বিএনপির প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রতন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী   মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের স্থায়ী বাড়ী গজারিয়া হলেও বাস্তবতা হলো,দুইজন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে মুন্সিগঞ্জ সদরের ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৪৬৩ জন ভোটারের উপর। গজারিয়া থেকে সদরের ভোট প্রায় দ্বিগুনেরও বেশি হওয়ার ফলে সদরের ভোট যে প্রার্থী বেশি কাস্ট করবেন নিশ্চিত বলা যায় সে প্রার্থী নির্বাচনে বিজয়ী হবেন।

এ আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের নূর হোসাইন নুরানী। বিদ্রোহী প্রার্থীর ফলে বিএনপির দুর্বলতার ফসল ঘরে তুলতে প্রস্তুত জোটভুক্ত দলগুলো। এছাড়া এ আসনে ভোটের মাঠে আছেন জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আরিফ উজ্জামান দিদার (লাঙ্গল), শেখ মো. কামাল (কাস্তে), শেখ মো. শিমুল (কোদাল) এবং সুমন দেওয়ান (হাতপাখা)।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর